‘আইটেমটি সবার জন্য নয়’

ইফতারে অনন্য টক ঝাল মিষ্টি ‘দইবড়া’

  হক ফারুক আহমেদ ও রাশেদ রাব্বি ১৫ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইফতারে অনন্য টক ঝাল মিষ্টি ‘দইবড়া’

মুখরোচক এবং হজমে সহায়তাকারী খাবারের নাম ‘দইবড়া’। সারা দিন রোজা রাখার পর ইফতারে টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের দইবড়া অন্যরকম তৃপ্তি এনে দেয়।

ফলে বরাবরই ইফতারে আইটেমটির বিশেষ কদর রয়েছে। তবে খাবারটি সবার জন্য নয়। যাদের উচ্চরক্তচাপ ও কিডনি সমস্যা রয়েছে, তাদের খাদ্যতালিকা থেকে এটি বাদ দিতে হবে।

একসময় এটি ছিল নবাবদের খাবার। পরে এটি পুরান ঢাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়। ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তা অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষ করে রোজা এলেই বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানে দইবড়া বিক্রি করতে দেখা যায়। এই আইটেমটির প্রতি মানুষের আগ্রহও বেশ।

তবে জনপ্রিয় হওয়ার কারণে এখন অনেকেই এ খাবারটি তৈরি করতে গিয়ে মানের দিকটা সবসময় রক্ষা করতে পারেন না। দইবড়া বেশি পরিমাণে খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। কেননা এতে অনেক ধরনের খাবার আইটেমের সঙ্গে ভালো পরিমাণে চিনিও প্রাধান্য থাকে।

রাজধানীতে উৎকৃষ্ট মানের দইবড়া পাওয়া যায় পুরান ঢাকার নর্থ সাউথ রোডের আল রাজ্জাক হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে। এখানকার দইবড়া আকারে যেমন বড়, তেমনি সুস্বাদুও।

এই দোকানের দইবড়া বিক্রি হয় পিস হিসেবে। প্রতি পিস ৪০ টাকা। বেইলি রোডের ক্যাপিটাল ও ফখরুদ্দিনের দোকানে উৎকৃষ্টমানের দইবড়া পাওয়া যায়।

এখানে দইবড়া কিনতে সর্বনিু খরচ পড়বে ২০০ টাকা। স্টার হোটেল অ্যান্ড বেকারিতে প্রতিপিস দইবড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা করে। নবাবী ভোজের সব শাখাতেই দইবড়া কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম ২৫০ টাকা। পুরান ঢাকার প্রবেশমুখ বঙ্গবাজার থেকে একটু এগোলেই ওয়ান স্টার হোটেল।

এখানে প্রতি পিস দইবড়ার দাম ২৫ টাকা। প্রিন্স সুইটস অ্যান্ড বেকারিতেও দইবড়া বিক্রি হয়। তাদের মিরপুর ও মোহাম্মদপুর আউটলেটে উৎকৃষ্ট মানের সুস্বাদু দইবড়া কিনতে পাওয়া যায়।

দইবড়ার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত- জানতে চাইলে রাজধানীর আসগর আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাইদুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, এটি পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার।

তবে সবার জন্য এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ এটিতে প্রচুর পরিমাণে লবণ, চিনি এবং ডাল ব্যবহার করা হয়। যাদের উচ্চরক্তচাপ রয়েছে, তাদের লবণসমৃদ্ধ থাবার খাওয়া একেবারেই মানা।

কারণ অধিক লবণ উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিনি এবং মিষ্টি দই নিষেধ। অন্যদিকে এটিতে প্রচুর ডাল থাকায় কিডনি রোগীদের এই খাবারটি মোটেই উপযোগী নয়।

ডা. মাইদুল বলেন, অবশ্যই দইবড়া খেতে হবে ভরাপেটে। অত্যধিক মসলা থাকায় খালিপেটে এটি খেলে পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যাদের এই সমস্যাগুলো রয়েছে, ইফতারিতে তারা অবশ্যই দইবড়া এড়িয়ে চলবেন।

ঘটনাপ্রবাহ : রমজান ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×