টেকনাফে ৭৪ মাদক ব্যবসায়ীর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ৭৪ মাদক ব্যবসায়ীর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের সবার বিরুদ্ধেই মাদকের মামলা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ওই ৭৪ জনের নাম সম্প্রতি দুদকে পাঠনো হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য যুগান্তরকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের তালিকা ধরে সম্পদের প্রাথমিক অনুসন্ধান করা হবে। যাদের বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসবে তাদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হবে। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ছাড়াও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর থেকে ১৪১ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা দুদকে এসেছে। তাদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ সম্পদ বিবরণী দাখিলও করেছে। তা এখন যাচাই-বাছাই চলছে।

এর আগে গত বছর মে মাসে মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ খুঁজে বের করতে দুদক থেকে একাধিক টিমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। সর্বশেষ সোমবার কমিশনে ৭৪ জনের সম্পদের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অনুসন্ধানে মাদকের ডিলার, খুচরা বিক্রেতাসহ সব ধরনের অপরাধীদের দিকে নজর দেবে দুদক। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের করা মাদক ব্যবসায়ীদের ১৪১ জনের একটি তালিকা গত বছর জানুয়ারিতে দুদকে পাঠানো হলেও তা ছিল হিমাগারে। তালিকার কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ওই বছর ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান শুরু হলে দুদকও নড়েচড়ে বসে। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের গডফাদারদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে জোরেশোরে অনুসন্ধান শুরুর নির্দেশ দেন।

সূত্র জানায়, দুদকের দু’জন পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পৃথক দুটি উচ্চপর্যায়ের টিম তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান তদারকির দায়িত্ব পালন করছে। তাদের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত করা হয়েছে দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. ইউসুফ হোসেনকে।

এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর থেকে পাওয়া তালিকার বাইরে আরও কোনো তালিকা থাকলে তা সরবরাহ করতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের কাছে চিঠি দিয়েছে দুদক। রাজধানীর শীর্ষ ৮২ মাদক ব্যবসায়ীর যে তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে দুদক সেই তালিকাটিও সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দুদক নিজস্ব গোয়েন্দাদের দিয়েও গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছে। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সহায়তা করে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর সত্যতা নিরূপণ করতে গোপনে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×