চট্টগ্রাম কারাগারে অমিত হত্যা

জিনের ভয়সহ ৩ কারণে খুনের কথা স্বীকার রিপনের

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ১২ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম কারাগারের ভেতরে শীর্ষ সন্ত্রাসী অমিতকে ৩ কারণে খুন করার কথা বলেছেন একই কারাগারের একই সেলের কয়েদি রিপন নাথ। অস্ত্র মামলায় কারাগারে ঠাঁই হওয়া রিপন খুনের পেছনে যে তিনটি কারণের কথা বলেছেন সেগুলো হচ্ছে- সেলের ভেতরে ধূমপানে বাধা দেয়া, অমিতের পায়ের কাছে ঘুমাতে বাধ্য করা এবং জিন দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখানো। রিপন বলেন, জিন দিয়ে আমাকে মেরে ফেলার আগেই তাকে আমি দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছি। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিপন নাথ। পরে তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

জবানবন্দিতে রিপন বলেন, ‘ভেবেছিলাম জিন দিয়ে অমিত রাতে আমাকে মেরে ফেলবে। এ কারণে আমি তাকে আগেভাগেই মেরে ফেলেছি। সেলের ভেতর আগে থেকে রান্নার চুলা বসানোর তিনটি ইট ছিল। সেই ইট দিয়ে অমিতকে মাথায় আঘাতের পর আঘাত করে হত্যা করেছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আজিজ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, রিপন নাথ একাই অমিতকে হত্যা করেছে বলে উল্লেখ করেছে। তবে এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রিপন নাথকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয় নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বিশেষ করে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। কেন ও কী কারণে অমিতকে হত্যা করা হল, বাইরের কোনো শক্তি এর সঙ্গে জড়িত কি না, হত্যার জন্য কেন জেলখানার মতো জায়গাকে বেছে নেয়া হল, হত্যায় ব্যবহৃত ইট কীভাবে সেলে এলো এবং কারা দিল। কার নির্দেশে এবং কেনই বা অমিতের কক্ষে রিপনকে আনা হল। অনেক প্রশ্নেরই জবাব দিয়েছে রিপন। তিনি যেসব কথা বলেছেন, তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া অমিতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ করা হয় তার পরিবারের কাছ থেকে।

২৯ মে রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। রাত ১টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরদিন কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ। মামলায় অমিত যে কক্ষে আহত হন অর্থাৎ ৩২ নম্বর সেলের ৬ নম্বর কক্ষের আরেক কয়েদি রিপন নাথকে আসামি করা হয়। ঘটনার দিনই রিপন নাথকে ওই সেলে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×