এজাহারে অমিতের নাম না থাকায় ক্ষুব্ধ আবরারের বাবা

পুলিশের তৈরি এজাহারে স্বাক্ষর করেছি

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এজাহারে অমিত সাহার নাম না থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মামলার বাদী আবরারের বাবা বরকতুল্লাহ। ১৯ জনের তালিকায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহার নাম নেই। বরকতুল্লাহ জানান, পুলিশ আমাকে যেভাবে বলেছে সেভাবে মামলা করেছি। পুলিশের তৈরি এজাহারে স্বাক্ষর করেছি। শেরেবাংলা হলের অমিতের ২০১১ নম্বর রুমে ছয় ঘণ্টা ধরে আবরারকে নির্যাতন করা হয়। অথচ এজাহারে অমিতের নাম নেই।

বুধবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে মামলার বাদী বরকতুল্লাহ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে মামলায় তাদের অনেকের নাম নেই। পুলিশ আমাকে যেভাবে বলেছে আমি সেভাবে মামলা করেছি। পুলিশ নিজেরাই আসামি শনাক্ত করে আগে থেকে মামলার এজাহার তৈরি করে রেখেছিল। আমি শুধু মামলার কপিতে স্বাক্ষর করেছি। এখন দেখছি মূল হোতা অমিতের নাম এজাহারে নেই।

এজাহারে অমিতের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমি তো কাউকে চিনি না। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মামলায় অবশ্যই অমিতকে আসামি করতে হবে এবং তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, ডিবি পুলিশ মঙ্গলবার আমাকে ফোন করেছিল। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করেছি, এজাহারে অমিতের নাম এলো না কেন? অমিত সাহা নামে কেউ সেখানে ছিলেন না বলে তারা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, ডিবি পুলিশকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি অমিতের রুমে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে। আবরারের সহপাঠীরা জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অমিত সরাসরি সম্পৃক্ত। অবশ্যই মামলায় অমিতকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জিলা স্কুলের মসজিদে আবরার ফাহাদের সহপাঠী ও জিলা স্কুল কর্তৃপক্ষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। এতে আবরারের বাবা বরকতুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইফতেখারুল ইসলামসহ শিক্ষক-কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

ছেলের কবর জিয়ারত করলেন বাবা-মা : মঙ্গলবার আবরারের লাশ দাফনের পর থেকে তার বাবা-মা কুমারখালীর রায়ডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছে। বুধবার ফজর নামাজের পর আবরারের দাদা-দাদি, বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তার দাদা আবুল কাশেম বিশ্বাসসহ পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আবরারের হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×