বগুড়ায় তুফানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
jugantor
মাসহ ধর্ষিতাকে মাথা ন্যাড়া
বগুড়ায় তুফানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

  বগুড়া ব্যুরো  

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া শহরে মাসহ ধর্ষিত কিশোরীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও মাথা ন্যাড়া করে দেয়ার মামলায় বহিষ্কৃত শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার ও পৌর কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে। অভিযোগপত্র জমা দেয়ার দু’বছর পর অভিযোগ গঠন হল। ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিক শুনানির পর এ আদেশ দেন। একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আগামী বছরের ১০ মার্চ ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে। আদালতের এপিপি আসলাম আঙ্গুর এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অপর অভিযুক্তরা হলেন তুফান সরকারের স্ত্রী তাসমিন রহমান আশা, শাশুড়ি লাভলী রহমান রুমি, আত্মীয় আঞ্জুয়ারা বেগম, তুফানের ক্যাডার মেহেদী হাসান রুপম, সামিউল হক শিমুল, আতিকুর রহমান আতিক, মো. মুন্না, আলী আজম দিপু, এমারত আলম খান ওরফে জিতু মিয়া ও নাপিত জীবন রবিদাস যতীন। তুফানের শ্বশুর জামিলুর রহমান রুনুকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় নির্যাতিত তরুণীর মা ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই সদর থানায় মামলা করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে শুধু বগুড়ায় নয়, সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। তুফানকে শ্রমিক লীগ থেকে বহিষ্কার ও কাউন্সিলর রুমকিকে পৌরসভার কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে সদর থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর (অপারেশন) ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১০ জনের বিরুদ্ধে ও মাথা ন্যাড়া করে দেয়া সংক্রান্ত দণ্ডবিধি আইনে ১৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক চার্জশিট দাখিল করেন। একটি মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এবং অপরটি অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে একজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ১২ জনের মধ্যে শুরু থেকেই আসামি আঞ্জুয়ারা বেগম পলাতক রয়েছেন। ধর্ষণ মামলায় তুফান সরকার ও দণ্ডবিধির মামলায় শিমুল জেলে রয়েছেন। শিমুল ৭ নভেম্বর জামিন চাইলে আদালত নামঞ্জুর করেন। অন্য ১০ জন জামিনে আছেন।

মাসহ ধর্ষিতাকে মাথা ন্যাড়া

বগুড়ায় তুফানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

 বগুড়া ব্যুরো 
০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া শহরে মাসহ ধর্ষিত কিশোরীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও মাথা ন্যাড়া করে দেয়ার মামলায় বহিষ্কৃত শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার ও পৌর কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে। অভিযোগপত্র জমা দেয়ার দু’বছর পর অভিযোগ গঠন হল। ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিক শুনানির পর এ আদেশ দেন। একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আগামী বছরের ১০ মার্চ ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে। আদালতের এপিপি আসলাম আঙ্গুর এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অপর অভিযুক্তরা হলেন তুফান সরকারের স্ত্রী তাসমিন রহমান আশা, শাশুড়ি লাভলী রহমান রুমি, আত্মীয় আঞ্জুয়ারা বেগম, তুফানের ক্যাডার মেহেদী হাসান রুপম, সামিউল হক শিমুল, আতিকুর রহমান আতিক, মো. মুন্না, আলী আজম দিপু, এমারত আলম খান ওরফে জিতু মিয়া ও নাপিত জীবন রবিদাস যতীন। তুফানের শ্বশুর জামিলুর রহমান রুনুকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় নির্যাতিত তরুণীর মা ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই সদর থানায় মামলা করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে শুধু বগুড়ায় নয়, সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। তুফানকে শ্রমিক লীগ থেকে বহিষ্কার ও কাউন্সিলর রুমকিকে পৌরসভার কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে সদর থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর (অপারেশন) ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১০ জনের বিরুদ্ধে ও মাথা ন্যাড়া করে দেয়া সংক্রান্ত দণ্ডবিধি আইনে ১৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক চার্জশিট দাখিল করেন। একটি মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এবং অপরটি অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে একজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ১২ জনের মধ্যে শুরু থেকেই আসামি আঞ্জুয়ারা বেগম পলাতক রয়েছেন। ধর্ষণ মামলায় তুফান সরকার ও দণ্ডবিধির মামলায় শিমুল জেলে রয়েছেন। শিমুল ৭ নভেম্বর জামিন চাইলে আদালত নামঞ্জুর করেন। অন্য ১০ জন জামিনে আছেন।