প্রতি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অফিস হবে
jugantor
প্রতি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অফিস হবে
-খাদ্যমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে নতুন প্রজন্মকে ভেজাল খাদ্যের হাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে রোববার ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশের প্রতিটি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অফিস করা হবে। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নে সরকার আরও কঠোর হবে।

খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ প্রমুখ। এবার খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সবাই মিলে হাত মেলাই, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত চাই’।

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি বটে কিন্তু খাদ্যটা নিরাপদ কি না, সেটাই বিবেচ্য বিষয়। আজকে পেট ভরে ভাত খাওয়ার মতো অবস্থান হয়েছে। সে পরিমাণ খাদ্যশস্য আমাদের মজুদ রয়েছে। কিন্তু আমরা নিরাপদ খাদ্য খেতে পারছি কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সংজ্ঞা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য হচ্ছে খাদ্যের পর্যাপ্ততা থাকতে হবে, এ খাদ্য সবার কেনার অধিকার থাকতে হবে, খাদ্যটা ভেজালমুক্ত হতে হবে এবং এর স্থিতিশীলতা থাকতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশের সব মানুষকে ভাবতে হবে যে আমরা নিরাপদ খাদ্য খাব এবং নিজেকে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করব।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রদান ও মজুদকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তখন তিনি বলেছিলেন এদের বিশেষ আইনে বিচার হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবদিক লক্ষ্য রেখে খাদ্য নিরাপদ আইন করেছেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তৈরি করেছেন। যদিও বর্তমানে কর্তৃপক্ষের জনবল খুব কম। ইতিমধ্যেই আমরা লোক নিয়োগ দিয়েছি। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। নিরাপদ খাদ্য ইস্যুটিকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে নিয়ে সবাইকে এটি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে।

খাদ্যদ্রব্য ও পণ্য উৎপাদক এবং প্রস্তুতকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে আমরা সবাই অনিরাপদ খাদ্যমুক্ত বাংলাদেশের অঙ্গীকার করছি। আসুন, সবাই হাতে হাত মিলিয়ে সমাজের সব স্তরের জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করি। আমরা শপথ নেই ভেজাল নিজে দেব না, ভেজাল খাব না, ভেজাল দিতে দেব না। এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।

প্রতি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ অফিস হবে

-খাদ্যমন্ত্রী
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে নতুন প্রজন্মকে ভেজাল খাদ্যের হাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে রোববার ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশের প্রতিটি জেলায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অফিস করা হবে। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নে সরকার আরও কঠোর হবে।

খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ প্রমুখ। এবার খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সবাই মিলে হাত মেলাই, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত চাই’।

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি বটে কিন্তু খাদ্যটা নিরাপদ কি না, সেটাই বিবেচ্য বিষয়। আজকে পেট ভরে ভাত খাওয়ার মতো অবস্থান হয়েছে। সে পরিমাণ খাদ্যশস্য আমাদের মজুদ রয়েছে। কিন্তু আমরা নিরাপদ খাদ্য খেতে পারছি কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সংজ্ঞা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য হচ্ছে খাদ্যের পর্যাপ্ততা থাকতে হবে, এ খাদ্য সবার কেনার অধিকার থাকতে হবে, খাদ্যটা ভেজালমুক্ত হতে হবে এবং এর স্থিতিশীলতা থাকতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশের সব মানুষকে ভাবতে হবে যে আমরা নিরাপদ খাদ্য খাব এবং নিজেকে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করব।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রদান ও মজুদকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তখন তিনি বলেছিলেন এদের বিশেষ আইনে বিচার হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবদিক লক্ষ্য রেখে খাদ্য নিরাপদ আইন করেছেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তৈরি করেছেন। যদিও বর্তমানে কর্তৃপক্ষের জনবল খুব কম। ইতিমধ্যেই আমরা লোক নিয়োগ দিয়েছি। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। নিরাপদ খাদ্য ইস্যুটিকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে নিয়ে সবাইকে এটি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে।

খাদ্যদ্রব্য ও পণ্য উৎপাদক এবং প্রস্তুতকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষে আমরা সবাই অনিরাপদ খাদ্যমুক্ত বাংলাদেশের অঙ্গীকার করছি। আসুন, সবাই হাতে হাত মিলিয়ে সমাজের সব স্তরের জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করি। আমরা শপথ নেই ভেজাল নিজে দেব না, ভেজাল খাব না, ভেজাল দিতে দেব না। এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন