মামলার বোঝা নিয়েই মাঠে বিএনপি
jugantor
মামলার বোঝা নিয়েই মাঠে বিএনপি
ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাতের বিরুদ্ধেই ৪৮ মামলা * অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না -সিএমপি কমিশনার

  মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৫ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মামলার বোঝা নিয়ে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থীরা। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধেই রয়েছে নাশকতাসহ নানা অভিযোগে মামলা। বিএনপি অবশ্য বলছে, মামলাগুলোর সবই রাজনৈতিক। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে বিভিন্ন সময় হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলাগুলো করা হয়েছিল। মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধেই রয়েছে ৪৮টি মামলা। ১ থেকে ২৬টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের অনেকের বিরুদ্ধেই। কোনো কোনো মামলার তদন্তও চলছে। আবার কোনোটি বিচারাধীন। এসব মামলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। যদি নির্বাচনের আগে এসব মামালায় কোনো প্রার্থীর জামিন বাতিল হয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তো রয়েছেই, নতুন ‘গায়েবি’ মামলা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে দলের কর্মী-সমর্থকদের।

নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে বলেন, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো ‘গায়েবি’ মামলা। বিভিন্ন সময় হয়রানির উদ্দেশ্যে এগুলো করেছিল পুলিশ। এসব মামলা মাথায় নিয়েই আমরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছি। পুলিশ চাইলে যে কোনো সময় নতুন গায়েবি মামলা দিয়ে প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের হয়রানি করতে পারে। যেমনটি করা হয়েছিল একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন ও ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের মতো চসিক নির্বাচনেও ভোটররা কেন্দ্রে আসবে না। তারা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যত মামলা : মেয়র পদে দলীয় টিকিটে লড়ছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৪৮টি। এর বেশির ভাগই বিচারাধীন। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন আইনে এসব মামলা করা হয় নগরীর বিভিন্ন থানায়। সব মামলায় শাহাদাত জামিনে রয়েছেন।

বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৬টি মামলা আছে ১৪ নম্বর লালখানবাজার ওয়ার্ডের আবদুল হালিমের (শাহ আলম) বিরুদ্ধে। এছাড়া ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের প্রার্থী আবদুস সাত্তার সেলিমের বিরুদ্ধে ১৮টি, ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের হারুনের বিরুদ্ধে ১৫টি, ১৩ নম্বর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুলালের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।

তিনটি মামলা রয়েছে ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের ইয়াকুব চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক কারণে আমার বিরুদ্ধে এই তিনটি ‘গায়েবি’ মামলা করা হয়েছিল। নির্বিঘ্নে প্রচার চালাতে পারব কি না, সংশয়ে আছি। পুলিশ প্রশাসনের হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা হামলা-সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে।

৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মাহবুবুল আলমের বিরুদ্ধে ৮টি, ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের প্রার্থী আজমের বিরুদ্ধে ১টি, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহরের হাসান লিটনের বিরুদ্ধে ৩টি, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের ইসকান্দর মির্জার বিরুদ্ধে ৭টি, ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের হাসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩টি, ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলীর রফিক উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৫টি, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ডের চৌধুরী সাইফুদ্দীন রাশেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ৩টি, ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডের সালাউদ্দিন কাউসার লাবুর বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের আজিজুল হক মাসুমের বিরুদ্ধে ১টি, ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়ার ইয়াসিন চৌধুরী আছুর বিরুদ্ধে ৫টি, ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের শামসুল আলমের বিরুদ্ধে ২টি, ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদের এসএম ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে ২টি, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদের সেকান্দরের বিরুদ্ধে ৪টি, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩টি, ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলির মহসিনের বিরুদ্ধে ৩টি, ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের শহীদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩টি, ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহরের আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে ৫টি, ২৮ নম্বর পাঠানটুলি ওয়ার্ডের এসএম জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৩টি, ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের ইসমাইল বালির বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে।

কথা হয় ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের বিএনপি প্রার্থী শামসুল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক প্রচার এখনও শুরু হয়নি। যেখানে যাচ্ছি সবার মুখে একটাই কথা- ভোট দিতে পারব তো? আমরা ভোটারদের আশ্বস্ত করছি, তারা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যান। কিন্তু প্রশাসন যদি আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তাহলে ভোটরারা কীভাবে কেন্দ্রে যাবে?’ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মাহাবুবর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘যেসব প্রার্থী জামিনে আছেন, তাদের গ্রেফতারের কোনো সুযোগ নেই। যদি কারও বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকে, জামিন বাতিল হয় তবে তাদের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা এটুকু আশ্বস্ত করতে পারি, অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।’

মামলার বোঝা নিয়েই মাঠে বিএনপি

ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাতের বিরুদ্ধেই ৪৮ মামলা * অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না -সিএমপি কমিশনার
 মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৫ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মামলার বোঝা নিয়ে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থীরা। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধেই রয়েছে নাশকতাসহ নানা অভিযোগে মামলা। বিএনপি অবশ্য বলছে, মামলাগুলোর সবই রাজনৈতিক। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে বিভিন্ন সময় হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলাগুলো করা হয়েছিল। মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধেই রয়েছে ৪৮টি মামলা। ১ থেকে ২৬টি পর্যন্ত মামলা রয়েছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের অনেকের বিরুদ্ধেই। কোনো কোনো মামলার তদন্তও চলছে। আবার কোনোটি বিচারাধীন। এসব মামলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। যদি নির্বাচনের আগে এসব মামালায় কোনো প্রার্থীর জামিন বাতিল হয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তো রয়েছেই, নতুন ‘গায়েবি’ মামলা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে দলের কর্মী-সমর্থকদের।

নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে বলেন, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো ‘গায়েবি’ মামলা। বিভিন্ন সময় হয়রানির উদ্দেশ্যে এগুলো করেছিল পুলিশ। এসব মামলা মাথায় নিয়েই আমরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছি। পুলিশ চাইলে যে কোনো সময় নতুন গায়েবি মামলা দিয়ে প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের হয়রানি করতে পারে। যেমনটি করা হয়েছিল একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন ও ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের মতো চসিক নির্বাচনেও ভোটররা কেন্দ্রে আসবে না। তারা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যত মামলা : মেয়র পদে দলীয় টিকিটে লড়ছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৪৮টি। এর বেশির ভাগই বিচারাধীন। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন আইনে এসব মামলা করা হয় নগরীর বিভিন্ন থানায়। সব মামলায় শাহাদাত জামিনে রয়েছেন।

বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৬টি মামলা আছে ১৪ নম্বর লালখানবাজার ওয়ার্ডের আবদুল হালিমের (শাহ আলম) বিরুদ্ধে। এছাড়া ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের প্রার্থী আবদুস সাত্তার সেলিমের বিরুদ্ধে ১৮টি, ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের হারুনের বিরুদ্ধে ১৫টি, ১৩ নম্বর পাহাড়তলি ওয়ার্ডের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুলালের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।

তিনটি মামলা রয়েছে ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের ইয়াকুব চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক কারণে আমার বিরুদ্ধে এই তিনটি ‘গায়েবি’ মামলা করা হয়েছিল। নির্বিঘ্নে প্রচার চালাতে পারব কি না, সংশয়ে আছি। পুলিশ প্রশাসনের হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা হামলা-সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে।

৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মাহবুবুল আলমের বিরুদ্ধে ৮টি, ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের প্রার্থী আজমের বিরুদ্ধে ১টি, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহরের হাসান লিটনের বিরুদ্ধে ৩টি, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের ইসকান্দর মির্জার বিরুদ্ধে ৭টি, ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের হাসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩টি, ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলীর রফিক উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৫টি, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ডের চৌধুরী সাইফুদ্দীন রাশেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ৩টি, ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডের সালাউদ্দিন কাউসার লাবুর বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডের আজিজুল হক মাসুমের বিরুদ্ধে ১টি, ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়ার ইয়াসিন চৌধুরী আছুর বিরুদ্ধে ৫টি, ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের শামসুল আলমের বিরুদ্ধে ২টি, ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদের এসএম ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে ২টি, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদের সেকান্দরের বিরুদ্ধে ৪টি, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৩টি, ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলির মহসিনের বিরুদ্ধে ৩টি, ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের শহীদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৩টি, ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহরের আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে ৫টি, ২৮ নম্বর পাঠানটুলি ওয়ার্ডের এসএম জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৩টি, ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের ইসমাইল বালির বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে।

কথা হয় ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের বিএনপি প্রার্থী শামসুল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক প্রচার এখনও শুরু হয়নি। যেখানে যাচ্ছি সবার মুখে একটাই কথা- ভোট দিতে পারব তো? আমরা ভোটারদের আশ্বস্ত করছি, তারা যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যান। কিন্তু প্রশাসন যদি আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তাহলে ভোটরারা কীভাবে কেন্দ্রে যাবে?’ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মাহাবুবর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘যেসব প্রার্থী জামিনে আছেন, তাদের গ্রেফতারের কোনো সুযোগ নেই। যদি কারও বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকে, জামিন বাতিল হয় তবে তাদের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা এটুকু আশ্বস্ত করতে পারি, অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।’

 

ঘটনাপ্রবাহ : চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ২০২০

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০