সাংবাদিক ফখরে আলম আর নেই
jugantor
সাংবাদিক ফখরে আলম আর নেই

  যশোর ব্যুরো  

১৫ মে ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিক, দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি কবি ফখরে আলম (৬০) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আট বছর ধরে তিনি ব্লাড ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল ক্যান্সারের কারণে তিনি দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বাদ আসর যশোর জিলা স্কুল মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গ্রামের বাড়ি শহরতলির চাঁচড়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।
ফখরে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে), বিএফইউজে ও সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর।
১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজের যশোর জেলা প্রতিনিধি পদে যোগ দিয়ে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন। এরপর দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক যায়যায়দিন ও দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ১৯৯২ সাল থেকে স্টাফ রিপোর্টার, সিনিয়র রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০০ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় তিনি এদেশে সাড়া জাগানো সিরিজ রিপোর্ট ‘সেই রাজাকার’ লেখা শুরু করেন। তিনি অনুসন্ধান চালিয়ে যশোরে কয়েকটি বধ্যভূমি খুঁজে বের করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তার দুটি গ্রন্থ রয়েছে। তিনি পত্রপত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর জানা-অজানা বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখেছেন। এ বিষয়ক ‘জানা-অজানা বঙ্গবন্ধু’ বলে তার একটি ব্যতিক্রমধর্মী গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাকে গুণীজন সম্মাননা দেয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদসহ আরও কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ফখরে আলমের ৩৮টি গ্রন্থ রয়েছে।

সাংবাদিক ফখরে আলম আর নেই

 যশোর ব্যুরো 
১৫ মে ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিক, দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি কবি ফখরে আলম (৬০) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আট বছর ধরে তিনি ব্লাড ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল ক্যান্সারের কারণে তিনি দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বাদ আসর যশোর জিলা স্কুল মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে গ্রামের বাড়ি শহরতলির চাঁচড়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। 
ফখরে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে), বিএফইউজে ও সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর।
১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজের যশোর জেলা প্রতিনিধি পদে যোগ দিয়ে পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন। এরপর দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক যায়যায়দিন ও দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ১৯৯২ সাল থেকে স্টাফ রিপোর্টার, সিনিয়র রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
২০০০ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় তিনি এদেশে সাড়া জাগানো সিরিজ রিপোর্ট ‘সেই রাজাকার’ লেখা শুরু করেন। তিনি অনুসন্ধান চালিয়ে যশোরে কয়েকটি বধ্যভূমি খুঁজে বের করেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তার দুটি গ্রন্থ রয়েছে। তিনি পত্রপত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর জানা-অজানা বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখেছেন। এ বিষয়ক ‘জানা-অজানা বঙ্গবন্ধু’ বলে তার একটি ব্যতিক্রমধর্মী গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তাকে গুণীজন সম্মাননা দেয়। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদসহ আরও কয়েকটি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ফখরে আলমের ৩৮টি গ্রন্থ রয়েছে।