বগুড়ায় গ্রেফতার গুদাম কর্মকর্তা বরখাস্ত নৈশপ্রহরী

ডিলারের লাইসেন্স বাতিল

  যুগান্ত ডেস্ক ০২ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার গাবতলীর সাবেকপাড়া খাদ্যগুদাম থেকে ১৫ টন চাল বিক্রিকালে আটক গুদাম কর্মকর্তা ও নৈশপ্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই গুদাম থেকে আরও নয় টন চাল উদ্ধার করা হয়েছে। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাতের অভিযোগে ডিলার ইউনুস আলী দুলালের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। অপর ডিলার বকুল হোসেনের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না মর্মে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। পাবনার সাঁথিয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ডিলার আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধির পাঠানো খবর-

বগুড়া : ২৯ মে শুক্রবার সকালে চালগুলো ট্রাকে তোলার সময় জনরোষ থেকে বাঁচাতে গাবতলী থানা পুলিশ গুদাম কর্মকর্তা, নৈশপ্রহরী ও চাল ক্রেতাকে আটক করে। পরে দুদক তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও জেলহাজতে পাঠায়। বগুড়া ডিসি ফুড এসএম সাইফুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতার তিনজন হলেন- সাবেকপাড়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী শফিকুল ইসলাম (৩৭), গুদামের নৈশপ্রহরী সাদেকুল ইসলাম (৪২) ও চাতাল ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন শাহেনশাহ্ (৪৮)।

দুদক জানায়, গুদামের বাইরে ট্রাকে চাল লোডের ঘটনায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা চ্যালেঞ্জ করেন। কিন্তু গুদাম কর্মকর্তা, নৈশপ্রহরী ও ক্রেতা এর সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। তখন তারা জনরোষের শিকার হলে গাবতলী থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে ট্রাকভর্তি ১৫ টন চাল জব্দ ও

খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাসহ তিনজনকে আটক করেন। রাতে তাদের দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ কর্মকর্তাদের কাছে সোপর্দ করা হয়। ৩০ মে উপসহকারী পরিচালক ওয়াহিদ মঞ্জুর সোহাগ তাদের বিরুদ্ধে নিজ কার্যালয়ে মামলা করেন। পরে তাদের বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এদিকে দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার ইউনুস আলী দুলাল ও বকুল হোসেনের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। বঞ্চিত হতদরিদ্র কার্ডধারীরা পর্যায়ক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সভাপতি এসএস জাকির হোসেনের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন।

সাঁথিয়া (পাবনা) : উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ডিলার আনিছুর রহমান অভিযোগকারীদের ১ম কিস্তির চাল দিয়ে তাদের কার্ডগুলো রেখে দেন। পরবর্তী সময়ে চাল আনতে গেলে ডিলার অভিযোগকারীদের চাল ও কার্ড দেননি। এ অভিযোগ অস্বীকার করেন ডিলার আনিছুর।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত