সুন্দরবনের ক্ষতি পোষাতে বছরের বেশি লাগবে

শিগগিরই মেরামত করা হবে স্টেশন, ফাঁড়ি, ওয়াচ টাওয়ারসহ স্থাপনা

  খুলনা ব্যুরো ০২ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে। এর আগে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ক্ষতির পরিমাণ থেকে তিনগুণ বেশি ক্ষতি হয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম এ ম্যানগ্রোভ বনে। বনের যে গাছগাছালির সীমাহীন ক্ষতি তা টাকার অংকে নিরূপণ করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেছেন বন বিভাগ গঠিত কমিটির সদস্যরা।

ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে গঠিত কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, এবার আম্পানে বনের ১২ হাজার ৩৫৮টি গাছ ভেঙেছে। বন বিভাগের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অন্তত ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার। ২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে সুন্দরবনের ৪ হাজার ৫৮৯টি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন বিভাগের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মঈনুদ্দিন খান বলেন, সুন্দরবনকে সময় দিলে সিডর, আইলা ও বুলবুলের আঘাতের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার মতো করেই আম্পানের ক্ষয়ক্ষতিও কাটিয়ে উঠবে। তবে এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সময় লাগবে। সেটা এক বছরের বেশি বলেই তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আম্পানের আঘাতে পশ্চিম সুন্দরবনের দুটি রেঞ্জ এলাকায় ১২ হাজার ৩৩২টি গাছ ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব গাছের মধ্যে গরান গাছের সংখ্যা বেশি, যার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার ৫৬০ টাকা। এছাড়া স্থাপনা, জেটি, উডেন ট্রেইল, ওয়াচ টাওয়ারসহ অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো। আর পূর্ব সুন্দরবনের দুটি রেঞ্জ এলাকায় ২৬টি গাছ ভেঙেছে। এ বিভাগের আওতায় জব্দ থাকা বেশ কিছু কাঠ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত