ডিএসসিসির উদ্যোগ

মশক নিয়ন্ত্রণে জলাভূমিতে মাছ হাঁস চাষ

  যুগান্তর রিপোর্ট ০২ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতি বিঘা জলাভূমিতে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার তেলাপিয়া মাছ এবং ২৫টি করে হাঁস চাষ করে মশকসহ কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। একইসঙ্গে এ উদ্যোগ কার্যকর করতে নিয়মিত সেসব জলাশয়ে জাল পরিচালনা করা হবে।

এখন থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের পরিবর্তে জলাশয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে সংস্থার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সোমবার ডিএসসিসি নগরভবনে এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে?ডিয়ার ডা. শ?রীফ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর বদরুল আমিন, সচিব মো. আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা, বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ প্রমুখ।

কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসি অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জলাশয় পরিষ্কার রাখতে তেলাপিয়া মাছ ও হাঁস চাষ কার্যক্রম কার্যকর রাখতে পারলে ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। এ বিষয়ে কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার যুগান্তরকে বলেন, এটা ইতিবাচক উদ্যোগ।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, মশক নিধন কার্যক্রম কার্যকর করতে তৃণমূল থেকে উচ্চ পর্যায়ের সবকিছু ঢেলে সাজানো হবে।

আর মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে যেসব কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হল, সেসবের সঠিক বাস্তবায়নে কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি বলেন, আগামী ১৪ জুন থেকে ডিএসসিসি এলাকার জলাশয়, লেক, খাল শনাক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো শুরু হবে। একসঙ্গে নর্দমা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চালানো হবে।

ডিএসসিসি’র ওই সভায় সংস্থার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মীর মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি গঠন করে দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ কমিটি মাঠ পর্যায়ে প্রাপ্ত কার্যক্রমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপযুক্ত কার্যক্রম গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন করবেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের পরামর্শ নেবেন। আগামী ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। আর রুটিন মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ৮ জন মশক কর্মীর মাধ্যমে সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ১০ জন মশক কর্মীর মাধ্যমে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ফগিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আর সোর্স রিডাকশন কার্যক্রমের আওতায় অনলাইন এ নগরবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতি ওয়ার্ডে ৩ জন মশক কর্মীর মাধ্যমে নাগরিকদের বাসা ও কর্মস্থল প্রাঙ্গণে এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংস কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত