দাউদকান্দিতে বেহাল সড়কে ৮ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
jugantor
দাউদকান্দিতে বেহাল সড়কে ৮ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

  আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো  

১৭ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশায় ৮ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দার ভোগান্তি এখন চরম আকার ধারণ করেছে। উপজেলার গৌরীপুর-রামনগর সড়কে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর-রামনগর এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ইট পর্যন্ত উঠে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দে ভরা এ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি, ইজিবাইক, নসিমন, ভটভটি, অটোবাইক ও ভ্যান চলাচল করছে। দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়তই। গৌরীপুর গ্রামের ফজলুল হক, কালু মিয়া, বাদশা মিয়া, সুভাষ ঘোষ ও আবদুল হাকিম জানান, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে পোহাতে এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। গত এক বছরে সংস্কারের নামে কয়েকবার সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপামাপি করা হলেও কাজের কোনো খবর নেই।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর বাজার থেকে হাটচান্দিনা-ওলানপাড়া-রামনগর-ছান্দ্রা হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতুলি পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার। ২০০৩ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগ সড়কের (গৌরীপুর বাজার থেকে রামনগর পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার অংশে) সংস্কার কাজ করা হয়। ১২ বছর পর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার হলেও অজ্ঞাত কারণে ঠিকাদার কাজটি করেনি বলে এলাকাবাসী জানান। সড়কটি সংস্কারে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করে গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম সরকার বলেন, উপজেলা পরিষদের প্রতিটি মাসিক সভায় সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরেছি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ (পিডি) কয়েকবার সড়কটি পরিদর্শন করার পরও বরাদ্দ আসছে না।

এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী (স্থানীয় সরকার অধিদফতর) আহসান আলী জানান, আমি আসার আগে এক ঠিকাদার কাজটি ফেলে চলে যাওয়ার কথা শুনেছি। সড়কটি সংস্কারের জন্য আবার নতুন করে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এখন শুধু টেন্ডার প্রক্রিয়া বাকি।

দাউদকান্দিতে বেহাল সড়কে ৮ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

 আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো 
১৭ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশায় ৮ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দার ভোগান্তি এখন চরম আকার ধারণ করেছে। উপজেলার গৌরীপুর-রামনগর সড়কে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর-রামনগর এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ইট পর্যন্ত উঠে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দে ভরা এ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি, ইজিবাইক, নসিমন, ভটভটি, অটোবাইক ও ভ্যান চলাচল করছে। দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়তই। গৌরীপুর গ্রামের ফজলুল হক, কালু মিয়া, বাদশা মিয়া, সুভাষ ঘোষ ও আবদুল হাকিম জানান, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে পোহাতে এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। গত এক বছরে সংস্কারের নামে কয়েকবার সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপামাপি করা হলেও কাজের কোনো খবর নেই।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর বাজার থেকে হাটচান্দিনা-ওলানপাড়া-রামনগর-ছান্দ্রা হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতুলি পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার। ২০০৩ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগ সড়কের (গৌরীপুর বাজার থেকে রামনগর পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার অংশে) সংস্কার কাজ করা হয়। ১২ বছর পর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার হলেও অজ্ঞাত কারণে ঠিকাদার কাজটি করেনি বলে এলাকাবাসী জানান। সড়কটি সংস্কারে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করে গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম সরকার বলেন, উপজেলা পরিষদের প্রতিটি মাসিক সভায় সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা তুলে ধরেছি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ (পিডি) কয়েকবার সড়কটি পরিদর্শন করার পরও বরাদ্দ আসছে না।

এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী (স্থানীয় সরকার অধিদফতর) আহসান আলী জানান, আমি আসার আগে এক ঠিকাদার কাজটি ফেলে চলে যাওয়ার কথা শুনেছি। সড়কটি সংস্কারের জন্য আবার নতুন করে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এখন শুধু টেন্ডার প্রক্রিয়া বাকি।