স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে পশু সরবরাহ ও বিপণন করা হবে

-শ ম রেজাউল করিম

  যুগান্তর রিপোর্ট ১০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গবাদি পশু সরবরাহ ও বিপণনের মাধ্যমে কোরবানি করে পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সচেতন হতে হবে, নিজের দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা দিয়ে কাজ করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও সরবরাহে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে তার দফতরে ‘কোরবানির পশুর হাটে সুস্থ-সবল গবাদি পশু সরবরাহ ও বিক্রয় নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক এক অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক করেন।

মন্ত্রী বলেন, গবাদি পশু বিপণন ও পরিবহন সমস্যা সমাধানে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে হটলাইন স্থাপন করা হবে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক হটলাইনে সম্পৃক্ত হবেন। গবাদি পশুর বাজারগুলোতে প্রায় ১২০০ মেডিকেল টিম কাজ করবে, যাতে রুগ্ন পশু বাজারে না আসতে পারে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি প্রচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিবছর কিছু খারাপ অভিজ্ঞতা হয়। কোরবানির পশু পরিবহনে রাস্তায় চাঁদাবাজি হয়, দীর্ঘসময় প্রাণিকে ট্রাকে আটকে রাখতে হয়। এবার আমরা চাই কোনোরকম চাঁদাবাজি হবে না। যে অঞ্চলে সুযোগ আছে সেখান থেকে ট্রেনে পরিবহন হবে। খামারিদের খামারে পশু বিক্রয় হলে সেখান থেকে ইজারাদার টোল আদায় করতে পারবে না।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ বছরও দেশে কোরবানির জন্য গবাদি পশুর পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০টি গবাদি পশু কোরবানির জন্য মজুদ রয়েছে। যার মধ্যে হৃষ্টপুষ্ট গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৩৮ হাজার এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ও অন্যান্য ৪ হাজার ৫০০টি। কোরবানির জন্য কোনো অবস্থাতেই বিদেশ থেকে গবাদি পশু আনার অনুমতি দেয়া হবে না। করোনার কারণে পশু বিপণনে এ বছর আমরা অনলাইন বাজারের ওপর জোর দেয়ার চেষ্টা করছি।

কোরবানির সময়ে খামারিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহায়তা করার জন্য মাঠ পর্যায়ের সব প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। কোনোভাবেই যেন একজন খামারি, বিক্রেতা বা সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে ব্যাপারে কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন মন্ত্রী। এ সময় কোরবানি সংশ্লিষ্ট সরকারের সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানেরও অনুরোধ জানান তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দফতরের উপ-পরিচালকরা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, বিজিবি, স্বাস্থ্য অধিদফতর, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি অনলাইনে সভায় অংশ নেন।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত