নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটে পর্যটকের ভিড়
jugantor
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটে পর্যটকের ভিড়

  সিলেট ব্যুরো  

০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাকালীন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঈদের ছুটি কাটাতে সিলেটে এসেছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। তারা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই কোন নজরদারি। সোমবার পর্যন্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের কোনো কার্যক্রম ছিল না। মঙ্গলবার থেকে এ ব্যাপারে সীমিত আকারে কাজ শুরু করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যে কারণে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে করোনোর ঝুঁকি। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত স্থানীয়রা।

করোনাভাইরাসের কারণে সতর্কতা হিসেবে সিলেটের সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক সমাগমে ১৮ মার্চ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের-ইউএনও নির্দেশনা দেয়া হয়, যাতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে লোক সমাগম না হয়। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে জাফলং, লালাখাল, পাংথুমাই, লোভাছড়া, উৎমাছড়া, বিছানাকান্দি, সাদাপাথরসহ বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র।

ঈদুল আজহার পরের দিন থেকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ও ভোলগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর এলাকায় পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ফলে সেখানে তাদের পক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হয়নি। বেশিরভাগ পর্যটকের মুখে দেখা যায়নি মাস্ক। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, ৩ আগস্ট পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা ছিল, যা এখনও বলবৎ আছে। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ইউএনও নাজমুস সাকিব যুগান্তরকে জানান, ৩ আগস্ট পর্যন্ত যে নিষেধাজ্ঞা ছিল আমি মনে করি সেটা এখনও আছে। কারণ সবশেষ মন্ত্রণালয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতে পর্যটনের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসছেন এটা ঠিক। কিন্তু যারা আসছেন তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে নানাভাবে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। মাস্ক না থাকায় ৩ আগস্ট বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটে পর্যটকের ভিড়

 সিলেট ব্যুরো 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাকালীন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঈদের ছুটি কাটাতে সিলেটে এসেছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। তারা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই কোন নজরদারি। সোমবার পর্যন্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের কোনো কার্যক্রম ছিল না। মঙ্গলবার থেকে এ ব্যাপারে সীমিত আকারে কাজ শুরু করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যে কারণে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে করোনোর ঝুঁকি। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত স্থানীয়রা।

করোনাভাইরাসের কারণে সতর্কতা হিসেবে সিলেটের সব পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটক সমাগমে ১৮ মার্চ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের-ইউএনও নির্দেশনা দেয়া হয়, যাতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে লোক সমাগম না হয়। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে জাফলং, লালাখাল, পাংথুমাই, লোভাছড়া, উৎমাছড়া, বিছানাকান্দি, সাদাপাথরসহ বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র।

ঈদুল আজহার পরের দিন থেকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ও ভোলগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর এলাকায় পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ফলে সেখানে তাদের পক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হয়নি। বেশিরভাগ পর্যটকের মুখে দেখা যায়নি মাস্ক। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, ৩ আগস্ট পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা ছিল, যা এখনও বলবৎ আছে। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ইউএনও নাজমুস সাকিব যুগান্তরকে জানান, ৩ আগস্ট পর্যন্ত যে নিষেধাজ্ঞা ছিল আমি মনে করি সেটা এখনও আছে। কারণ সবশেষ মন্ত্রণালয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতে পর্যটনের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা আসছেন এটা ঠিক। কিন্তু যারা আসছেন তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে নানাভাবে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। মাস্ক না থাকায় ৩ আগস্ট বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন।