ভেসে গেছে ফেরিঘাট, শহর রক্ষা বাঁধে ধস
jugantor
ভোলায় ঝড়ো বাতাসে উত্তাল মেঘনা
ভেসে গেছে ফেরিঘাট, শহর রক্ষা বাঁধে ধস
৪ ট্রলার ডুবি ১৮ জেলে উদ্ধার

  ভোলা প্রতিনিধি  

০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলায় বুধবার বিকালে ঘূর্ণি দমকা বাতাসে রুদ্র মূর্তি ধারণ করে মেঘনা। একের পর এক ঢেউ আছড়ে পড়ায় ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও দোকানপাট ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে ওই এলাকা। ধনিয়া, তুলাতুলি, ইলিশা, রাজাপুর এলাকার শহর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। রাজাপুর জোড়খালে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে স্থানীয়রা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দুপুরে ডুবে গেছে ৪টি ট্রলার। এর মধ্যে মনপুরা দক্ষিণ সাকুচিয়ার তালতলি এলাকায় ডুবে যাওয়া দুই ট্রলারের ১৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

অপরদিকে ভোলার ইলিশা ও তুলাতলি এলাকায় নদীর পাড় এলাকায় ডুবে যায় আরও দুটি ট্রলার। সকালে ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে ৫ শতাধিক যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে সি-ট্রাক খিজির-৫ ঝড়ের তোড়ে ডুবো ডুবো অবস্থা সৃষ্টি হয়। পরে মাঝ নদীতে একটি চরে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। অপরদিকে ইলিশাঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে পারেনি এমভি পারিজাত, দোয়েল পাখি ও সি-ট্রাক-৮। ওই সব যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেয়। এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী কয়েক হাজার যাত্রী ইলিশাঘাটে আটকা পড়েছে। ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, নদী হঠাৎ উত্তাল হওয়ায়, নৌযানগুলোকে সতর্ক চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল মান্নান জানান, শহরতলির তুলাতলি এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর মেঘনার ঢেউ আছড়ে পড়ছে। বাঁধ রক্ষায় তারা কাজ করছেন। তুলাতুলির বাঁধের ওপরে মনিরের ওয়ার্কশপ ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। রাজাপুর ও ইলিশা হাজিকান্দি শহর রক্ষা বাঁধের তিন ভাগের ২ ভাগ বিকাল ৫টার মধ্যে ধসে গেছে। বাতাস অব্যাহত থাকলে ওই বাঁধ ধসে জেলা সদর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

ভোলায় ঝড়ো বাতাসে উত্তাল মেঘনা

ভেসে গেছে ফেরিঘাট, শহর রক্ষা বাঁধে ধস

৪ ট্রলার ডুবি ১৮ জেলে উদ্ধার
 ভোলা প্রতিনিধি 
০৬ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলায় বুধবার বিকালে ঘূর্ণি দমকা বাতাসে রুদ্র মূর্তি ধারণ করে মেঘনা। একের পর এক ঢেউ আছড়ে পড়ায় ইলিশা ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও দোকানপাট ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে ওই এলাকা। ধনিয়া, তুলাতুলি, ইলিশা, রাজাপুর এলাকার শহর রক্ষা বাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। রাজাপুর জোড়খালে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে স্থানীয়রা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দুপুরে ডুবে গেছে ৪টি ট্রলার। এর মধ্যে মনপুরা দক্ষিণ সাকুচিয়ার তালতলি এলাকায় ডুবে যাওয়া দুই ট্রলারের ১৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

অপরদিকে ভোলার ইলিশা ও তুলাতলি এলাকায় নদীর পাড় এলাকায় ডুবে যায় আরও দুটি ট্রলার। সকালে ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে ৫ শতাধিক যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে সি-ট্রাক খিজির-৫ ঝড়ের তোড়ে ডুবো ডুবো অবস্থা সৃষ্টি হয়। পরে মাঝ নদীতে একটি চরে আশ্রয় নিয়ে রক্ষা পায়। অপরদিকে ইলিশাঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যেতে পারেনি এমভি পারিজাত, দোয়েল পাখি ও সি-ট্রাক-৮। ওই সব যানবাহন থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে নিরাপদে আশ্রয় নেয়। এদিকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী কয়েক হাজার যাত্রী ইলিশাঘাটে আটকা পড়েছে। ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, নদী হঠাৎ উত্তাল হওয়ায়, নৌযানগুলোকে সতর্ক চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল মান্নান জানান, শহরতলির তুলাতলি এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর মেঘনার ঢেউ আছড়ে পড়ছে। বাঁধ রক্ষায় তারা কাজ করছেন। তুলাতুলির বাঁধের ওপরে মনিরের ওয়ার্কশপ ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। রাজাপুর ও ইলিশা হাজিকান্দি শহর রক্ষা বাঁধের তিন ভাগের ২ ভাগ বিকাল ৫টার মধ্যে ধসে গেছে। বাতাস অব্যাহত থাকলে ওই বাঁধ ধসে জেলা সদর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।