বাংলাদেশি সহযোগীসহ চার নাইজেরিয়ান প্রতারক গ্রেফতার
jugantor
বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে প্রতারণা
বাংলাদেশি সহযোগীসহ চার নাইজেরিয়ান প্রতারক গ্রেফতার

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৮ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুকে বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে উপহার দেয়ার নামে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি এক নারী সহযোগীসহ ৪ নাইজেরিয়ান প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

রাজধানীর পল্লবী ও কাফরুল এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট, ব্যাংকের ডিপোজিট স্লিপ, চেক বই, ১২টি মোবাইল ফোন, একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও তিন লক্ষাধিক টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল- ওনোরাহ নামদি ফ্রাঙ্ক, উদেজে ওবিনা রুবেন, ম্যাকদুহু কেলভিন, ফ্র্যাঙ্ক জ্যাকব ও বাংলাদেশি টুম্পা আক্তার। টুম্পা কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে টার্গেট ব্যক্তিদের ফোন করে প্রতারণায় সহায়তা করত।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপ, ইমু ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া নাম-পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে বিপরীত লিঙ্গের লোকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলত। নিজেদের তারা পরিচয় দিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে। একপর্যায়ে তারা ফেসবুক বন্ধুর ঠিকানায় দামি উপহার পাঠিয়েছে বলে জানাত। এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে তাদের ফোন করত টুম্পা।

কথিত উপহারের প্রাপককে বলা হতো- আপনার নামে একটি পার্সেল এসেছে। এজন্য ‘কাস্টমস ফি’ হিসেবে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে হবে। একটু পর আবারও ফোন করে বলা হতো- পার্সেলে অবৈধ স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে। এগুলো বৈধ করার জন্য ফি দিতে হবে, নইলে মানি লন্ডারিং আইনে মামলায় পড়বেন। এভাবে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে টার্গেট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতে বলা ছিল টুম্পার দায়িত্ব। এভাবে চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে প্রতারণা

বাংলাদেশি সহযোগীসহ চার নাইজেরিয়ান প্রতারক গ্রেফতার

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৮ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুকে বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতে উপহার দেয়ার নামে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি এক নারী সহযোগীসহ ৪ নাইজেরিয়ান প্রতারককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

রাজধানীর পল্লবী ও কাফরুল এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট, ব্যাংকের ডিপোজিট স্লিপ, চেক বই, ১২টি মোবাইল ফোন, একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও তিন লক্ষাধিক টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল- ওনোরাহ নামদি ফ্রাঙ্ক, উদেজে ওবিনা রুবেন, ম্যাকদুহু কেলভিন, ফ্র্যাঙ্ক জ্যাকব ও বাংলাদেশি টুম্পা আক্তার। টুম্পা কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে টার্গেট ব্যক্তিদের ফোন করে প্রতারণায় সহায়তা করত।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপ, ইমু ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া নাম-পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে বিপরীত লিঙ্গের লোকজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলত। নিজেদের তারা পরিচয় দিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে। একপর্যায়ে তারা ফেসবুক বন্ধুর ঠিকানায় দামি উপহার পাঠিয়েছে বলে জানাত। এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়ে তাদের ফোন করত টুম্পা।

কথিত উপহারের প্রাপককে বলা হতো- আপনার নামে একটি পার্সেল এসেছে। এজন্য ‘কাস্টমস ফি’ হিসেবে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে হবে। একটু পর আবারও ফোন করে বলা হতো- পার্সেলে অবৈধ স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে। এগুলো বৈধ করার জন্য ফি দিতে হবে, নইলে মানি লন্ডারিং আইনে মামলায় পড়বেন। এভাবে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে টার্গেট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতে বলা ছিল টুম্পার দায়িত্ব। এভাবে চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।