গৃহকর্ত্রীর নির্যাতনে শিশু সামিরা মৃত্যুশয্যায়
jugantor
গৃহকর্ত্রীর নির্যাতনে শিশু সামিরা মৃত্যুশয্যায়
লেখাপড়া শেখানো হবে, বিয়ে দেয়া হবে- এসব আশ্বাসে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা সামিরাকে তুলে দেন সরকারি চাকুরে ড. রশিদের হাতে

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

০৮ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কাজের পাশাপাশি লেখাপড়া শেখানো হবে। বড় হলে বিয়ে দেয়া হবে। এমন আশ্বাসে মুগ্ধ হন দিনমজুর বাবা সেলিম মিয়া। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা সামিরাকে তুলে দেন সরকারি চাকুরে ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশিদের হাতে। রশিদ শিশু গৃহকর্মীকে ঢাকার মিরপুরের বাসায় নিয়ে যান। কিন্তু দুই মাস না যেতেই গৃহকর্ত্রী বিউটি আক্তারের নির্মম নির্যাতনে শিশুটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সামিরাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়া ভাঙা ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামে। ড. রশিদও একই গ্রামের। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য)। বাসা রাজধানীর মিরপুরে। ২৮ জুলাই শিশুটিকে বর্বর নির্যাতনের পর গ্রামের বাড়িতে এনে বাবার হাতে তুলে দিয়ে টাকার বিনিময়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালান ড. রশিদ। কিন্তু এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশিদ, তার স্ত্রী বিউটি আক্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সামিরার বাবা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাস দুই আগে মাহবুবুর রশিদের মিরপুরের বাসায় সামিরাকে গৃহকর্মী হিসেবে নেয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন পরই গৃহকর্ত্রী বিউটি আক্তার সামিরাকে কারণে-অকারণে বকাঝকা ও মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে সামিরা পালিয়ে যায়। ধরে এনে মশলা বাটার শিল ও রুটি বানানোর বেলুনি দিয়ে বেদম প্রহার করা হয়। ড. রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ পাওয়ায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পাকুন্দিয়া থানার ওসি মফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল (পিও) ঢাকার মিরপুরে, তাই অভিযুক্তদের বাসার প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগটি তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেবেন।

গৃহকর্ত্রীর নির্যাতনে শিশু সামিরা মৃত্যুশয্যায়

লেখাপড়া শেখানো হবে, বিয়ে দেয়া হবে- এসব আশ্বাসে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা সামিরাকে তুলে দেন সরকারি চাকুরে ড. রশিদের হাতে
 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
০৮ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কাজের পাশাপাশি লেখাপড়া শেখানো হবে। বড় হলে বিয়ে দেয়া হবে। এমন আশ্বাসে মুগ্ধ হন দিনমজুর বাবা সেলিম মিয়া। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকন্যা সামিরাকে তুলে দেন সরকারি চাকুরে ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশিদের হাতে। রশিদ শিশু গৃহকর্মীকে ঢাকার মিরপুরের বাসায় নিয়ে যান। কিন্তু দুই মাস না যেতেই গৃহকর্ত্রী বিউটি আক্তারের নির্মম নির্যাতনে শিশুটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সামিরাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়া ভাঙা ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামে। ড. রশিদও একই গ্রামের। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য)। বাসা রাজধানীর মিরপুরে। ২৮ জুলাই শিশুটিকে বর্বর নির্যাতনের পর গ্রামের বাড়িতে এনে বাবার হাতে তুলে দিয়ে টাকার বিনিময়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালান ড. রশিদ। কিন্তু এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশিদ, তার স্ত্রী বিউটি আক্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সামিরার বাবা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাস দুই আগে মাহবুবুর রশিদের মিরপুরের বাসায় সামিরাকে গৃহকর্মী হিসেবে নেয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন পরই গৃহকর্ত্রী বিউটি আক্তার সামিরাকে কারণে-অকারণে বকাঝকা ও মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে সামিরা পালিয়ে যায়। ধরে এনে মশলা বাটার শিল ও রুটি বানানোর বেলুনি দিয়ে বেদম প্রহার করা হয়। ড. রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ পাওয়ায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। পাকুন্দিয়া থানার ওসি মফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল (পিও) ঢাকার মিরপুরে, তাই অভিযুক্তদের বাসার প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অভিযোগটি তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেবেন।