চসিকের সহায়ক পরিষদে ঠাঁই পেতে দৌড়ঝাঁপ
jugantor
চসিকের সহায়ক পরিষদে ঠাঁই পেতে দৌড়ঝাঁপ
বিভ্রান্তি সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা -নতুন প্রশাসক

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১০ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) প্রশাসক নিয়োগের পর এবার ‘সহায়ক পরিষদে’ ঠাঁই পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। অনেকেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মহলে ধরনা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছেন দাবি করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন কেউ কেউ। এ নিয়ে বিব্রত চসিকের নবনিযুক্ত প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা। চসিকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সহায়ক পরিষদ গঠনসংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা এখনও মন্ত্রণালয় থেকে আসেনি। যারা নিজেদের পরিষদের সদস্য হওয়ার অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মার্চে চসিকের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনাকালীন পরিস্থিতিতে স্থগিত করা হয়। এরই মধ্যে নির্বাচিত পঞ্চম পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে ১৮০ দিনের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সুজন। তিনি মূলত মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কাউন্সিলরের দায়িত্ব কারা পালন করবেন তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। এতদিন ৪১টি ওয়ার্ডে একজন করে কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাউন্সিলর পদে কেউ না থাকায় জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ ইস্যুসহ ওয়ার্ডের নিয়মিত কাজগুলো কারা করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদোহা যুগান্তরকে জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসককে সহায়তার জন্য একটি সহায়ক পরিষদ বা কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে এ পরিষদের কাজ কী হবে, কতজন সদস্য নিয়োগ দেয়া যাবে- সে ব্যাপারে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। একজনকে এক না একাধিক ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেয়া হবে তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।

পঞ্চম পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সহায়ক পরিষদ গঠনসংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিনি এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সহায়ক পরিষদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। এর জবাব না আসায় বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি কেউ কেউ সহায়ক পরিষদে নিজের অন্তর্ভুক্তির কল্পিত তথ্য তুলে ধরছেন, যা অনভিপ্রেত ও অনৈতিক। যারা এসব করছেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। জন্মনিবন্ধন ও মৃত্যুসনদ ইস্যুসহ যে সব কাজ নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলররা এতদিন করতেন সে কাজগুলো এখন কিভাবে করা যাবে সে ব্যাপারেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’ শিগগিরই এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে দিকনির্দেশনা পাবেন বলে তিনি জানান।

চসিকের সহায়ক পরিষদে ঠাঁই পেতে দৌড়ঝাঁপ

বিভ্রান্তি সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা -নতুন প্রশাসক
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১০ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) প্রশাসক নিয়োগের পর এবার ‘সহায়ক পরিষদে’ ঠাঁই পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। অনেকেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মহলে ধরনা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে পরিষদের সদস্য মনোনীত হয়েছেন দাবি করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন কেউ কেউ। এ নিয়ে বিব্রত চসিকের নবনিযুক্ত প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা। চসিকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সহায়ক পরিষদ গঠনসংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা এখনও মন্ত্রণালয় থেকে আসেনি। যারা নিজেদের পরিষদের সদস্য হওয়ার অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মার্চে চসিকের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনাকালীন পরিস্থিতিতে স্থগিত করা হয়। এরই মধ্যে নির্বাচিত পঞ্চম পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে ১৮০ দিনের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সুজন। তিনি মূলত মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কাউন্সিলরের দায়িত্ব কারা পালন করবেন তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। এতদিন ৪১টি ওয়ার্ডে একজন করে কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছিলেন। কাউন্সিলর পদে কেউ না থাকায় জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ ইস্যুসহ ওয়ার্ডের নিয়মিত কাজগুলো কারা করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদোহা যুগান্তরকে জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসককে সহায়তার জন্য একটি সহায়ক পরিষদ বা কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তবে এ পরিষদের কাজ কী হবে, কতজন সদস্য নিয়োগ দেয়া যাবে- সে ব্যাপারে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। একজনকে এক না একাধিক ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেয়া হবে তাও সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।

পঞ্চম পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সহায়ক পরিষদ গঠনসংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আসেনি বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিনি এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সহায়ক পরিষদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। এর জবাব না আসায় বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি কেউ কেউ সহায়ক পরিষদে নিজের অন্তর্ভুক্তির কল্পিত তথ্য তুলে ধরছেন, যা অনভিপ্রেত ও অনৈতিক। যারা এসব করছেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। জন্মনিবন্ধন ও মৃত্যুসনদ ইস্যুসহ যে সব কাজ নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলররা এতদিন করতেন সে কাজগুলো এখন কিভাবে করা যাবে সে ব্যাপারেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’ শিগগিরই এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে দিকনির্দেশনা পাবেন বলে তিনি জানান।