৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
jugantor
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

১০ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য পাঁচ হাজার সাত কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৭ কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম কাউন্সিলর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বাজেট ঘোষণা করেন।

সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মজিবুর রহমান কাজলের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অর্থ সংস্থাপনবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. আব্বাস উদ্দিন খোকন। পরে উপস্থিত কাউন্সিলররা ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্ত করেন।

বাজেট ঘোষণায় সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০ লাখ লোকের বসবাস। গাজীপুর সিটির জন্য এটি সপ্তম বাজেট হলেও আমার জন্য দ্বিতীয়। এক দিকে বৈশ্বিক মহামারী কোভিট-১৯ অপর দিকে চলছে বন্যা। এর পরেও গাজীপুর সিটি এলাকায় বসবাসকারী লোকের সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া ভিশন ২০৪১ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মশক নিয়ন্ত্রণ, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবন্ধতা নিরসন, রাস্তাঘাট আধুনিককরণ ইত্যাদি কাজের প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।

তিনি বলেন, গাজীপুরের প্রায় দেড় হাজার মসজিদের খতিব, ইমামের জন্য বছরে ১৪ হাজার টাকা করে সম্মানী দেয়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজটে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নতি ও সার্বিক মঙ্গলার্থে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তহবিলের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব তহবিল থেকে রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং রাস্তা মেরামত করার জন্য সরকারি থোক বরাদ্দ ও রাজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সর্বমোট আয়ের প্রস্তাব ছিল চার হাজার ২৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। সেখানে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে আয় নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ হাজার সাত কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৭ কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন

৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
১০ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য পাঁচ হাজার সাত কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৭ কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম কাউন্সিলর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বাজেট ঘোষণা করেন।

সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মজিবুর রহমান কাজলের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অর্থ সংস্থাপনবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. আব্বাস উদ্দিন খোকন। পরে উপস্থিত কাউন্সিলররা ২০২০-২০২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্ত করেন।

বাজেট ঘোষণায় সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০ লাখ লোকের বসবাস। গাজীপুর সিটির জন্য এটি সপ্তম বাজেট হলেও আমার জন্য দ্বিতীয়। এক দিকে বৈশ্বিক মহামারী কোভিট-১৯ অপর দিকে চলছে বন্যা। এর পরেও গাজীপুর সিটি এলাকায় বসবাসকারী লোকের সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া ভিশন ২০৪১ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মশক নিয়ন্ত্রণ, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবন্ধতা নিরসন, রাস্তাঘাট আধুনিককরণ ইত্যাদি কাজের প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।

তিনি বলেন, গাজীপুরের প্রায় দেড় হাজার মসজিদের খতিব, ইমামের জন্য বছরে ১৪ হাজার টাকা করে সম্মানী দেয়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজটে সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নতি ও সার্বিক মঙ্গলার্থে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তহবিলের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব তহবিল থেকে রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং রাস্তা মেরামত করার জন্য সরকারি থোক বরাদ্দ ও রাজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সর্বমোট আয়ের প্রস্তাব ছিল চার হাজার ২৯৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। সেখানে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে আয় নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ হাজার সাত কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৭ কোটি ১১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।