বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার নয়: নৌপ্রতিমন্ত্রী
jugantor
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার নয়: নৌপ্রতিমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত সুস্থ ও সবল আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি রক্তের সম্পর্ক।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সাংস্কৃতিক বন্ধন, তা পৃথিবীর আর কোনো দেশের সঙ্গে নেই। তাই এ সম্পর্কটি কখনওই দুর্বল হওয়ার নয়। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের নৌপ্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের কিছু চুক্তি, প্রকল্প ও কার্যক্রম রয়েছে। দু’দেশের কানেক্টিভিটি বাড়াতে নৌপথ অন্যতম মাধ্যম হতে পারে। আমরা আলোচনা করে বিষয়গুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা খুব ক্লোজলি কাজ করে থাকি। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক আছে। অনেক কাজ হয়েছে। আমরা কোভিডের মধ্যেও একসঙ্গে কাজ করেছি।

এটা সম্পর্ক ক্লোজ হওয়ার কারণেই হয়েছে, এখানে ট্রেড ট্রেন চলছে। সাপ্লাই চেইন ঠিক আছে। বরং অনেক বেশি সুচারু হয়েছে। ওভারঅল আমি খুবই খুশি। এটা দু’দেশের জন্য উইন উইন অবস্থান। আমাদের ট্রেড বাড়বে। এটাতে বাংলাদেশেরও লাভ হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে জাহাজ চলাচলের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটর প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরের আলোকে ট্রায়াল ইতিমধ্যে হয়ে গেল। রীভা গাঙ্গুলি আরও বলেন, অতি জরুরি চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা আমরা দিচ্ছি। এখন আমরা নরমাল ভিসার বিষয়ে চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দুর্বল হওয়ার নয়: নৌপ্রতিমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত সুস্থ ও সবল আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি রক্তের সম্পর্ক।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সাংস্কৃতিক বন্ধন, তা পৃথিবীর আর কোনো দেশের সঙ্গে নেই। তাই এ সম্পর্কটি কখনওই দুর্বল হওয়ার নয়। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের নৌপ্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের কিছু চুক্তি, প্রকল্প ও কার্যক্রম রয়েছে। দু’দেশের কানেক্টিভিটি বাড়াতে নৌপথ অন্যতম মাধ্যম হতে পারে। আমরা আলোচনা করে বিষয়গুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা খুব ক্লোজলি কাজ করে থাকি। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক আছে। অনেক কাজ হয়েছে। আমরা কোভিডের মধ্যেও একসঙ্গে কাজ করেছি।

এটা সম্পর্ক ক্লোজ হওয়ার কারণেই হয়েছে, এখানে ট্রেড ট্রেন চলছে। সাপ্লাই চেইন ঠিক আছে। বরং অনেক বেশি সুচারু হয়েছে। ওভারঅল আমি খুবই খুশি। এটা দু’দেশের জন্য উইন উইন অবস্থান। আমাদের ট্রেড বাড়বে। এটাতে বাংলাদেশেরও লাভ হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে জাহাজ চলাচলের স্ট্যান্ডার্ড অপারেটর প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরের আলোকে ট্রায়াল ইতিমধ্যে হয়ে গেল। রীভা গাঙ্গুলি আরও বলেন, অতি জরুরি চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা আমরা দিচ্ছি। এখন আমরা নরমাল ভিসার বিষয়ে চেষ্টা করছি।