রাজশাহীতে স্কুলছাত্র আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন
jugantor
আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
রাজশাহীতে স্কুলছাত্র আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৪ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীতে স্কুলছাত্র আরিফ হোসেনকে (১৯) হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দিয়েছিল ঘাতকরা। প্রায় দেড় বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আরিফকে হত্যা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মিজানুর রহমান (৩৬) নামে এক ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করে বুধবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল মাহমুদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আরিফ বাঘা উপজেলার রুস্তমপুর ভারতীপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে। পার্শ্ববর্তী চারঘাট উপজেলার পান্নাপাড়া ভোকেশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবম শ্রেণিতে পড়ত। আর মিজানুর রহমানের বাবা ইব্রাহীম পেশায় ভ্যানচালক। বাড়ি বাঘার রুস্তমপুর ভারতীপাড়ায়।

তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, মঙ্গলবার রাতে মিজানুরকে গ্রেফতার করা হয়। সে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মিজানুর জানায়, আরিফের চাচা কুদ্দুসের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় মিলন ও মজনু নামে আরও দু’জন উপস্থিত ছিল। শ্বাসরোধে হত্যার পর আরিফের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

 

আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজশাহীতে স্কুলছাত্র আরিফ হত্যার রহস্য উন্মোচন

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীতে স্কুলছাত্র আরিফ হোসেনকে (১৯) হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দিয়েছিল ঘাতকরা। প্রায় দেড় বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আরিফকে হত্যা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মিজানুর রহমান (৩৬) নামে এক ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করে বুধবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বল মাহমুদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আরিফ বাঘা উপজেলার রুস্তমপুর ভারতীপাড়া গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে। পার্শ্ববর্তী চারঘাট উপজেলার পান্নাপাড়া ভোকেশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবম শ্রেণিতে পড়ত। আর মিজানুর রহমানের বাবা ইব্রাহীম পেশায় ভ্যানচালক। বাড়ি বাঘার রুস্তমপুর ভারতীপাড়ায়।

তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, মঙ্গলবার রাতে মিজানুরকে গ্রেফতার করা হয়। সে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মিজানুর জানায়, আরিফের চাচা কুদ্দুসের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় মিলন ও মজনু নামে আরও দু’জন উপস্থিত ছিল। শ্বাসরোধে হত্যার পর আরিফের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়।