রাঙ্গাবালীতে কান্না ছেলের পাশে চিরঘুমে বাবা
jugantor
নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণ
রাঙ্গাবালীতে কান্না ছেলের পাশে চিরঘুমে বাবা

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছেলের লাশ দাফনের পরদিনই ছেলের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বাবাও। নারায়ণগঞ্জের তল্লা এলাকার মসজিদে বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশু জুবায়েরের মৃত্যুর পর বাবা জুলহাসও মারা যান। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বাহেরচর গ্রামের একই পরিবারের দু’জনকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। তাদের কান্না আকাশ-বাতাস ভারি করে তুলেছে।

রোববার রাতে শোকার্ত এ পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশফাকুর রহমান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেন। শনিবার দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট সংস্করণে ‘শিশু জুবায়েরের রাঙ্গাবালীর বাড়িতে শোকের মাতম’ ও রোববার বিকেলে অনলাইন সংস্করণে ‘শিশু জুবায়েরের দাফনের আগেই চিরনিদ্রায় বাবা’ শিরোনামে দুটি প্রতিবেদন তার নজরে আসে। তিনি যুগান্তরের রাঙ্গাবালী প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহত বাবা-ছেলের বাড়িতে যান।

তিনি বলেন, জুলহাস ও জুবায়েরের পরিবার ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় রাঙ্গাবালীর নিহত অপর দু’জনের পরিবারকেও সহায়তা দেয়া হবে। জেলা প্রশাসক প্রত্যেক পরিবারকে এক একর করে জমি দেবেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, অভাবের সংসারের হাল ধরতে জুলহাস ১০ বছর আগে স্ত্রীসহ ঢাকায় পাড়ি জমান। নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি।

ওই দিন বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হলে জুলহাস ও তার ছেলে জুবায়েরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়। শুক্রবার রাত ১টায় জুবায়ের মারা যায়। গ্রামের বাড়িতে ছেলের লাশ রোববার সকালে দাফনের সময় খবর আসে জুলহাসও মারা গেছেন। পরদিন সোমবার তাকে ছেলের পাশে দাফন করা হয়। নিহত জুলহাসের স্ত্রী রাহিমা বেগম এখন আদরের একমাত্র ছেলে ও স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক।

নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণ

রাঙ্গাবালীতে কান্না ছেলের পাশে চিরঘুমে বাবা

 রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছেলের লাশ দাফনের পরদিনই ছেলের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বাবাও। নারায়ণগঞ্জের তল্লা এলাকার মসজিদে বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশু জুবায়েরের মৃত্যুর পর বাবা জুলহাসও মারা যান। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বাহেরচর গ্রামের একই পরিবারের দু’জনকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। তাদের কান্না আকাশ-বাতাস ভারি করে তুলেছে।

রোববার রাতে শোকার্ত এ পরিবারকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশফাকুর রহমান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ব্যক্তিগতভাবে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেন। শনিবার দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট সংস্করণে ‘শিশু জুবায়েরের রাঙ্গাবালীর বাড়িতে শোকের মাতম’ ও রোববার বিকেলে অনলাইন সংস্করণে ‘শিশু জুবায়েরের দাফনের আগেই চিরনিদ্রায় বাবা’ শিরোনামে দুটি প্রতিবেদন তার নজরে আসে। তিনি যুগান্তরের রাঙ্গাবালী প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহত বাবা-ছেলের বাড়িতে যান।

তিনি বলেন, জুলহাস ও জুবায়েরের পরিবার ছাড়াও নারায়ণগঞ্জের ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় রাঙ্গাবালীর নিহত অপর দু’জনের পরিবারকেও সহায়তা দেয়া হবে। জেলা প্রশাসক প্রত্যেক পরিবারকে এক একর করে জমি দেবেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, অভাবের সংসারের হাল ধরতে জুলহাস ১০ বছর আগে স্ত্রীসহ ঢাকায় পাড়ি জমান। নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি।

ওই দিন বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হলে জুলহাস ও তার ছেলে জুবায়েরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়। শুক্রবার রাত ১টায় জুবায়ের মারা যায়। গ্রামের বাড়িতে ছেলের লাশ রোববার সকালে দাফনের সময় খবর আসে জুলহাসও মারা গেছেন। পরদিন সোমবার তাকে ছেলের পাশে দাফন করা হয়। নিহত জুলহাসের স্ত্রী রাহিমা বেগম এখন আদরের একমাত্র ছেলে ও স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক।