১৬ অক্টোবর খুলতে পারে সিনেমা হল
jugantor
১৬ অক্টোবর খুলতে পারে সিনেমা হল
-তথ্যমন্ত্রী

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা সংক্রমণের কমতির ধারা অব্যাহত থাকলে ১৬ অক্টোবর থেকে দেশের সিনেমা হলগুলো ধারণক্ষমতার অর্ধেক দর্শক নিয়ে খোলার অনুমতি দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে এ বিষয়ে আমরা অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণ করব, বলেন তিনি।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তথ্যসচিব কামরুন নাহার, প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিঞা আলাউদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন এলাহী সম্রাট এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা হল খোলার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছিল। আমরা এ মাসের শুরুর দিকে প্রথমে একবার বসেছিলাম। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত ছিল ১৫ সেপ্টেম্বরের পরে বৈঠক করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। সেই মর্মে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং আমরা ঐকমত্যে উপনীত হয়েছি- যদি করোনা পরিস্থিতি এখন যে পর্যায়ে আছে এবং এই ধারাটা কমতির দিকেই অব্যাহত থাকে, তাহলে আমরা ১৬ অক্টোবর থেকে সিনেমা হল খুলে দিতে পারি। তবে এ ব্যাপারে আমরা অবশ্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণ করব।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনরা জানেন যে বাংলাদেশে বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে আগে যে বিধিনিষেধ ছিল, সেটি তুলে দেয়া হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ের মতো যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। সিনেমার সাথে বহু শিল্পী কলাকুশলীসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান যুক্ত।

সিনেমা হল নির্মাণ, পুনঃ চালু ও সংস্কারে সহজ শর্তে ঋণ তহবিল : তথ্যমন্ত্রী এ সময় সিনেমা হল নির্মাণ, পুনরায় চালু করা ও সংস্কারে সহজ শর্তে ঋণ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রী নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানান।

ড. হাছান বলেন, ‘আপনারা জানেন যে বাংলাদেশে একসময় ১২শ’ সিনেমা হল ছিল, সেটি কমতে কমতে এখন ২শ’ আড়াইশ’র মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে। সিনেমা হলগুলো হচ্ছে এই শিল্পের প্রাণ। সিনেমা হল না থাকলে সিনেমা বানিয়ে সেটি প্রদর্শন করার তো জায়গা থাকে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হলগুলো পুনরায় চালু করা, যে সিনেমা হলগুলো চালু আছে সেগুলোর আধুনিকায়ন এবং একই সঙ্গে নতুন সিনেমা হল কেউ যদি নির্মাণ করতে চায়, সেই ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদি স্বল্প সুদে ঋণের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করার অনুমোদন চেয়েছিলাম। তিনি এটি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছেন, যা চলচ্চিত্র শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বৈপ্লবিক ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।’

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস এ সময় তার বক্তব্যে এই তহবিল ঘোষণার জন্য তথ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং শ্রদ্ধা জানান।

১৬ অক্টোবর খুলতে পারে সিনেমা হল

-তথ্যমন্ত্রী
 সাংস্কৃতিক রিপোর্টার 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা সংক্রমণের কমতির ধারা অব্যাহত থাকলে ১৬ অক্টোবর থেকে দেশের সিনেমা হলগুলো ধারণক্ষমতার অর্ধেক দর্শক নিয়ে খোলার অনুমতি দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে এ বিষয়ে আমরা অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণ করব, বলেন তিনি।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তথ্যসচিব কামরুন নাহার, প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিঞা আলাউদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দীন এলাহী সম্রাট এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা হল খোলার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছিল। আমরা এ মাসের শুরুর দিকে প্রথমে একবার বসেছিলাম। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত ছিল ১৫ সেপ্টেম্বরের পরে বৈঠক করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। সেই মর্মে আজ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং আমরা ঐকমত্যে উপনীত হয়েছি- যদি করোনা পরিস্থিতি এখন যে পর্যায়ে আছে এবং এই ধারাটা কমতির দিকেই অব্যাহত থাকে, তাহলে আমরা ১৬ অক্টোবর থেকে সিনেমা হল খুলে দিতে পারি। তবে এ ব্যাপারে আমরা অবশ্যই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণ করব।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনরা জানেন যে বাংলাদেশে বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে আগে যে বিধিনিষেধ ছিল, সেটি তুলে দেয়া হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ের মতো যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। সিনেমার সাথে বহু শিল্পী কলাকুশলীসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান যুক্ত।

সিনেমা হল নির্মাণ, পুনঃ চালু ও সংস্কারে সহজ শর্তে ঋণ তহবিল : তথ্যমন্ত্রী এ সময় সিনেমা হল নির্মাণ, পুনরায় চালু করা ও সংস্কারে সহজ শর্তে ঋণ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রী নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানান।

ড. হাছান বলেন, ‘আপনারা জানেন যে বাংলাদেশে একসময় ১২শ’ সিনেমা হল ছিল, সেটি কমতে কমতে এখন ২শ’ আড়াইশ’র মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে। সিনেমা হলগুলো হচ্ছে এই শিল্পের প্রাণ। সিনেমা হল না থাকলে সিনেমা বানিয়ে সেটি প্রদর্শন করার তো জায়গা থাকে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হলগুলো পুনরায় চালু করা, যে সিনেমা হলগুলো চালু আছে সেগুলোর আধুনিকায়ন এবং একই সঙ্গে নতুন সিনেমা হল কেউ যদি নির্মাণ করতে চায়, সেই ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদি স্বল্প সুদে ঋণের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করার অনুমোদন চেয়েছিলাম। তিনি এটি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছেন, যা চলচ্চিত্র শিল্প বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বৈপ্লবিক ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।’

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস এ সময় তার বক্তব্যে এই তহবিল ঘোষণার জন্য তথ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং শ্রদ্ধা জানান।