তিন জেলা নয় উপজেলা ও ৬১ ইউপিতে আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত
jugantor
স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা
তিন জেলা নয় উপজেলা ও ৬১ ইউপিতে আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত
এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত এখনই নয়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তিন জেলা পরিষদ, নয় উপজেলা ও ৬১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণবভনে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সূত্র জানায়, বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে সভা চলে সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটি পর্যন্ত। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সভায় প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের প্রার্থী ধরে ধরে আলোচনা করেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা।

সভা শেষে সোমবার রাতে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এতে ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মো. শামসুল হক, মাদারীপুর জেলা পরিষদে মুনির চৌধুরী ও মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ মিছবাহুর রহমানকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নয়টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁর মান্দায় মো. এমদাদুল হক, যশোর সদরে নুরজাহান ইসলাম নীরা, বাগেরহাটের শরণখোলায় রায়হান উদ্দিন শান্ত, খুলনার পাইকগাছায় মো. আনোয়ার ইকবাল, মাদারীপুরের শিবচরে আ. লতিফ মোল্লা, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে মো. ইকবাল আল আজাদ, কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মোহাম্মদ আলী, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বিএইচএম কবির আহমেদ ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্বজন কুমার তালুকদারকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে ৬১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের দিনাজপুরে চিরিরবন্দরের সাতনালা ইউনিয়ন পরিষদে মো. আবদুল হামিদ শাহ, রংপুরের তারাগঞ্জের আলমপুর ইউনিয়নে মো. দেলওয়ার হোসেন, রংপুর সদরের হরিদেবপুর ইউনিয়নে মো. একরামুল হক, চন্দনপাট ইউনিয়নে মো. আমিনুর রহমান, সদ্যপুস্কুরিণী ইউনিয়নে মো. মকছেদুর রহমান, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার গড্ডিমারী ইউনিয়নে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে মো. মজিবুল আলম।

রাজশাহী বিভাগে বগুড়ার ধুনটের কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে মো. হারেজ উদ্দিন আকন্দ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদরের চরঅনুপনগর ইউনিয়নে মো. সেরাজুল ইসলাম, নাচোলের ফতেপুর ইউনিয়নে মো. খাইরুল ইসলাম, নওগাঁর বদলগাছির মথুরাপুর ইউনিয়নে মো. মাসুদ রানা, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের পোরজানা ইউনিয়নে মো. আনোয়ার হোসেন, পাবনার ভাঙ্গুড়ার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নে মো. বেলাল হোসেন খান, মণ্ডতোষ ইউনিয়নে মো. আফছার আলী।

খুলনা বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদরে গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদে মোহা. শফিকুর রহমান, আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়নে মো. তরিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরার কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়নে মো. মোরশেদ আলী, বাগেরহাটের মোল্লাহাটের কোদালিয়া ইউনিয়নে শেখ রফিকুল ইসলাম। বরিশাল বিভাগে বরগুনার তালতলীর কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে নূর মোহাম্মদ, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুর ইউনিয়নে আ. মালেক আকন্দ, ভোলার লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে মো. ফরহাদ হোসেন (মুরাদ), বরিশালের বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি ইউনিয়নে মো. ফয়সাল ওয়াহিদ, উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নে মো. খায়রুল বাশার লিটন।

ঢাকা বিভাগে টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদে তোফায়েল আহামেদ, গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নে মো. নূরুল ইসলাম, নরসিংদীর রায়পুরার আদিয়াবাদ ইউনিয়নে মো. সেলিম, ফরিদপুরের মধুখালীর গাজনা ইউনিয়নে সুখেন মজুমদার, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের জলিরপাড় ইউনিয়নে বিভা মণ্ডল, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের মহিষার ইউনিয়নে মো. দেলোয়ার হোসেন সরদার।

ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ সদরের বোররচর ইউনিয়নে আবদুল আজিজ সরকার, নান্দাইলের শেরপুর ইউনিয়নে মোয়াজ্জেম হোসেন মিল্টন ভূইয়া, ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ী ইউনিয়নে জুবের আলম কবীর রূপক, ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নে মো. আবুল কালাম আজাদ, ফুলবাড়ীয়ার বালিয়ান ইউনিয়নে মো. মফিজ উদ্দিন মণ্ডল, নেত্রকোনার পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নে মো. আবদুল হালিম খান। সিলেট বিভাগের সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়ন পরিষদে মাহমুদ আহমদ, ওসমানীনগরের, সাদিপুর ইউনিয়নে মো. কবির উদ্দিন আহমদ, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে মো. আবদুর রশীদ, মির্জাপুর ইউনিয়নে অপূর্ব চন্দ্র দেব, হবিগঞ্জের মাধবপুরের শাহজাহানপুর ইউনিয়নে বাবুল হোসেন খান। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নে শেখ মো. হাবিবুর রহমান, কুমিল্লার বরুড়ার আদ্রা ইউনিয়নে মো. আ. করিম, চাঁদপুরের কচুয়ার সাচার ইউনিয়নে মো. মনির হোসেন, গোহট উত্তর ইউনিয়নে মো. কবির হোসেন, মতলব উত্তরের জহিরাবাদ ইউনিয়নে সেলিম মিয়া, সুলতানাবাদ ইউনিয়নে হাবিবা ইসলাম সিফাত, শাহরাস্তির মেহের (দক্ষিণ) ইউনিয়নে মো. রুহুল আমিন, লক্ষ্মীপুর সদরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে নুরুল আমিন, রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়নে শাহনাজ আক্তার, রায়পুরের কেরোয়া ইউনিয়নে শাহিনুর বেগম রেখা, চট্টগ্রামের সন্দীপের হারামিয়া ইউনিয়নে মো. জসিম উদ্দিন, ফটিকছড়ির নানুপুর ইউনিয়নে মো. শফিউল আজম, সুয়াবিল ইউনিয়নে জয়নাল আবেদীন, মীরসরাইয়ের মিঠানালা ইউনিয়নে এমএ কাশেম, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ইউনিয়নে এসএম ইউনুচ, লোহাগাড়া ইউনিয়নে মোহাম্মদ নূরু ছফা ও আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মুহাম্মদ নূরুল কবিরকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত এখনই নয় : করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এখনই এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত আরও দেখেশুনে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রসঙ্গক্রমে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য যুগান্তরকে জানান, মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন ও সাংগঠনিক আলোচনার পাশাপাশি করোনা মহামারী, এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি আসে।

একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে। আমার মনে হয় এখন এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। তবে তার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন দুই প্রেসিডিয়াম সদস্য।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সামগ্রিকভাবে চিন্তা করে কাজ করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকা, ভারতে এখন করোনার কী অবস্থা? ওরা ভেবেছিল কমে যাবে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় আবার ধাক্কা দিচ্ছে।

আমাদের দ্বিতীয় দফায় করোনা আসতে পারে। কাজেই এখনই এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। যখন সময় হবে তখন আমি বলে দেব। আমরা তো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপদের মুখে ফেলে দিতে পারি না।

এছাড়া সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলের প্রেসিডিয়াম বৈঠকে ৮টি বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠনের যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল তা নিয়েও আলোচনা হয়।

দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা শিগগিরই বিভাগভিত্তিক কমিটিগুলো গঠনের কাজ শেষ করতে দলীয় নেতাদের তাগিদ দেন।

স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা

তিন জেলা নয় উপজেলা ও ৬১ ইউপিতে আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত এখনই নয়
 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তিন জেলা পরিষদ, নয় উপজেলা ও ৬১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণবভনে দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ উপস্থিত ছিলেন। 

দলীয় সূত্র জানায়, বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে সভা চলে সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটি পর্যন্ত। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সভায় প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের প্রার্থী ধরে ধরে আলোচনা করেন মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা।

সভা শেষে সোমবার রাতে আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এতে ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মো. শামসুল হক, মাদারীপুর জেলা পরিষদে মুনির চৌধুরী ও মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ মিছবাহুর রহমানকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নয়টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁর মান্দায় মো. এমদাদুল হক, যশোর সদরে নুরজাহান ইসলাম নীরা, বাগেরহাটের শরণখোলায় রায়হান উদ্দিন শান্ত, খুলনার পাইকগাছায় মো. আনোয়ার ইকবাল, মাদারীপুরের শিবচরে আ. লতিফ মোল্লা, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে মো. ইকবাল আল আজাদ, কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মোহাম্মদ আলী, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বিএইচএম কবির আহমেদ ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় স্বজন কুমার তালুকদারকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে ৬১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে রংপুর বিভাগের দিনাজপুরে চিরিরবন্দরের সাতনালা ইউনিয়ন পরিষদে মো. আবদুল হামিদ শাহ, রংপুরের তারাগঞ্জের আলমপুর ইউনিয়নে মো. দেলওয়ার হোসেন, রংপুর সদরের হরিদেবপুর ইউনিয়নে মো. একরামুল হক, চন্দনপাট ইউনিয়নে মো. আমিনুর রহমান, সদ্যপুস্কুরিণী ইউনিয়নে মো. মকছেদুর রহমান, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার গড্ডিমারী ইউনিয়নে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে মো. মজিবুল আলম।

রাজশাহী বিভাগে বগুড়ার ধুনটের কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে মো. হারেজ উদ্দিন আকন্দ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদরের চরঅনুপনগর ইউনিয়নে মো. সেরাজুল ইসলাম, নাচোলের ফতেপুর ইউনিয়নে মো. খাইরুল ইসলাম, নওগাঁর বদলগাছির মথুরাপুর ইউনিয়নে মো. মাসুদ রানা, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের পোরজানা ইউনিয়নে মো. আনোয়ার হোসেন, পাবনার ভাঙ্গুড়ার ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নে মো. বেলাল হোসেন খান, মণ্ডতোষ ইউনিয়নে মো. আফছার আলী।

খুলনা বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদরে গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদে মোহা. শফিকুর রহমান, আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়নে মো. তরিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরার কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়নে মো. মোরশেদ আলী, বাগেরহাটের মোল্লাহাটের কোদালিয়া ইউনিয়নে শেখ রফিকুল ইসলাম। বরিশাল বিভাগে বরগুনার তালতলীর কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে নূর মোহাম্মদ, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মহিপুর ইউনিয়নে আ. মালেক আকন্দ, ভোলার লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে মো. ফরহাদ হোসেন (মুরাদ), বরিশালের বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি ইউনিয়নে মো. ফয়সাল ওয়াহিদ, উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নে মো. খায়রুল বাশার লিটন।

ঢাকা বিভাগে টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদে তোফায়েল আহামেদ, গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নে মো. নূরুল ইসলাম, নরসিংদীর রায়পুরার আদিয়াবাদ ইউনিয়নে মো. সেলিম, ফরিদপুরের মধুখালীর গাজনা ইউনিয়নে সুখেন মজুমদার, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের জলিরপাড় ইউনিয়নে বিভা মণ্ডল, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের মহিষার ইউনিয়নে মো. দেলোয়ার হোসেন সরদার।

ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ সদরের বোররচর ইউনিয়নে আবদুল আজিজ সরকার, নান্দাইলের শেরপুর ইউনিয়নে মোয়াজ্জেম হোসেন মিল্টন ভূইয়া, ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ী ইউনিয়নে জুবের আলম কবীর রূপক, ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নে মো. আবুল কালাম আজাদ, ফুলবাড়ীয়ার বালিয়ান ইউনিয়নে মো. মফিজ উদ্দিন মণ্ডল, নেত্রকোনার পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নে মো. আবদুল হালিম খান। সিলেট বিভাগের সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়ন পরিষদে মাহমুদ আহমদ, ওসমানীনগরের, সাদিপুর ইউনিয়নে মো. কবির উদ্দিন আহমদ, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে মো. আবদুর রশীদ, মির্জাপুর ইউনিয়নে অপূর্ব চন্দ্র দেব, হবিগঞ্জের মাধবপুরের শাহজাহানপুর ইউনিয়নে বাবুল হোসেন খান। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নে শেখ মো. হাবিবুর রহমান, কুমিল্লার বরুড়ার আদ্রা ইউনিয়নে মো. আ. করিম, চাঁদপুরের কচুয়ার সাচার ইউনিয়নে মো. মনির হোসেন, গোহট উত্তর ইউনিয়নে মো. কবির হোসেন, মতলব উত্তরের জহিরাবাদ ইউনিয়নে সেলিম মিয়া, সুলতানাবাদ ইউনিয়নে হাবিবা ইসলাম সিফাত, শাহরাস্তির মেহের (দক্ষিণ) ইউনিয়নে মো. রুহুল আমিন, লক্ষ্মীপুর সদরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে নুরুল আমিন, রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়নে শাহনাজ আক্তার, রায়পুরের কেরোয়া ইউনিয়নে শাহিনুর বেগম রেখা, চট্টগ্রামের সন্দীপের হারামিয়া ইউনিয়নে মো. জসিম উদ্দিন, ফটিকছড়ির নানুপুর ইউনিয়নে মো. শফিউল আজম, সুয়াবিল ইউনিয়নে জয়নাল আবেদীন, মীরসরাইয়ের মিঠানালা ইউনিয়নে এমএ কাশেম, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ইউনিয়নে এসএম ইউনুচ, লোহাগাড়া ইউনিয়নে মোহাম্মদ নূরু ছফা ও আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মুহাম্মদ নূরুল কবিরকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষা ও স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত এখনই নয় : করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এখনই এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে মত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত আরও দেখেশুনে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রসঙ্গক্রমে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য যুগান্তরকে জানান, মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন ও সাংগঠনিক আলোচনার পাশাপাশি করোনা মহামারী, এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি আসে।

একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে। আমার মনে হয় এখন এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। তবে তার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন দুই প্রেসিডিয়াম সদস্য।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সামগ্রিকভাবে চিন্তা করে কাজ করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকা, ভারতে এখন করোনার কী অবস্থা? ওরা ভেবেছিল কমে যাবে। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় আবার ধাক্কা দিচ্ছে।

আমাদের দ্বিতীয় দফায় করোনা আসতে পারে। কাজেই এখনই এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। যখন সময় হবে তখন আমি বলে দেব। আমরা তো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিপদের মুখে ফেলে দিতে পারি না।

এছাড়া সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলের প্রেসিডিয়াম বৈঠকে ৮টি বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠনের যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল তা নিয়েও আলোচনা হয়।

দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা শিগগিরই বিভাগভিত্তিক কমিটিগুলো গঠনের কাজ শেষ করতে দলীয় নেতাদের তাগিদ দেন।