ড. মোশাররফের ৭৫তম জন্মদিন আজ
jugantor
ড. মোশাররফের ৭৫তম জন্মদিন আজ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৭৫তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে তার জন্ম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, প্রথিতযশা ভূ-বিজ্ঞানী, খ্যাতিমান লেখক, কলামিস্ট ও গবেষক।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মজীবনে ড. মোশাররফের অর্জনের ভাণ্ডার বিশাল। ড. মোশাররফ ১৯৬৪-৬৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এজিএস এবং ১৯৬৭-৬৮ শিক্ষাবর্ষে হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঢাবির মেধাবী শিক্ষক ড. মোশাররফ বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। ড. মোশাররফ কুমিল্লা-২ আসন থেকে ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্প মেয়াদে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধে বিলাত প্রবাসীদের অবদান’, ‘প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ : দাউদকান্দি মডেল’, ‘সংসদে কথা বলা যায়’, ‘এই সময়ের কিছু কথা’, ‘ফখরুদ্দিন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’, ‘রাজনীতির হালচাল’, ‘সময়ের ভাবনা’, ‘জরুরি আইনের সরকারের দুই বছর (২০০৭ ও ২০০৮)’, ‘মূল্যবোধ অবক্ষয়ের খণ্ডচিত্র’ এবং ‘প্রগতি ও সত্যের সন্ধানে’ নামের ১০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। আরও ৩টি গ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

ড. মোশাররফের ৭৫তম জন্মদিন আজ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৭৫তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে তার জন্ম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, প্রথিতযশা ভূ-বিজ্ঞানী, খ্যাতিমান লেখক, কলামিস্ট ও গবেষক।

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মজীবনে ড. মোশাররফের অর্জনের ভাণ্ডার বিশাল। ড. মোশাররফ ১৯৬৪-৬৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এজিএস এবং ১৯৬৭-৬৮ শিক্ষাবর্ষে হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঢাবির মেধাবী শিক্ষক ড. মোশাররফ বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন এবং দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। ড. মোশাররফ কুমিল্লা-২ আসন থেকে ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্প মেয়াদে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ মেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধে বিলাত প্রবাসীদের অবদান’, ‘প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ : দাউদকান্দি মডেল’, ‘সংসদে কথা বলা যায়’, ‘এই সময়ের কিছু কথা’, ‘ফখরুদ্দিন-মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন’, ‘রাজনীতির হালচাল’, ‘সময়ের ভাবনা’, ‘জরুরি আইনের সরকারের দুই বছর (২০০৭ ও ২০০৮)’, ‘মূল্যবোধ অবক্ষয়ের খণ্ডচিত্র’ এবং ‘প্রগতি ও সত্যের সন্ধানে’ নামের ১০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। আরও ৩টি গ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।