চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয়
jugantor
বাচসাসের সেমিনারে বক্তারা
চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয়

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার  

১৭ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয়। দেশে চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধুই এফডিসি নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে দেশে সরকারিভাবে ১০০টি সিনেমা হল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান, ফিল্মসিটি নির্মাণ ও এফডিসি সংস্কারসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াৎ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুগান্তর সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম, তথ্যসচিব কামরুন নাহার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, কোষাধ্যক্ষ ও ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা ফেরদৌস ও অভিনেত্রী মৌসুমী প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি ফাল্গ–নী হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন চলচ্চিত্র সাংবাদিক ও বাচসাসের সাবেক সভাপতি রফিকুজ্জামান। সেমিনারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে যারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিকৃত করে দেশকে ছোট করার চেষ্টা করেন, তারাই সব থেকে বড় অশ্লীলতা নির্মাণ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘অথচ আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে খোলামেলা পোশাক থাকা মানেই সেটি অশ্লীল। আসলে কিন্তু তা নয়, বড় অশ্লীলতা হচ্ছে ইতিহাস বিকৃতি করা।’

যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রবিষয়ক সাংবাদিকতা একে অপরের পরিপূরক। স্বৈরাচার ও সামরিক শাসকরা আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করেছিল। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্র ও আমাদের সংস্কৃতিকে ফিরে পেয়েছিলাম। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তা আবার কেড়ে নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের পাশাপাশি আমাদের সংস্কতিকেও পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন।

কামরুন নাহার বলেন, সিনেমার জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সিনেমা হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি সিনেমা হল থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, ১৯৫৭ সালে বঙ্গবন্ধু শিল্পমন্ত্রী হিসেবে সংসদে বিল উপস্থাপন করে যেভাবে এ দেশে সরকারিভাবে বিএফডিসি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই পথ ধরে আজও চলচ্চিত্র শিল্প এগিয়ে চলেছে।

বাচসাসের সেমিনারে বক্তারা

চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয়

 সাংস্কৃতিক রিপোর্টার 
১৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয়। দেশে চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধুই এফডিসি নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে দেশে সরকারিভাবে ১০০টি সিনেমা হল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান, ফিল্মসিটি নির্মাণ ও এফডিসি সংস্কারসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াৎ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুগান্তর সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম, তথ্যসচিব কামরুন নাহার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, কোষাধ্যক্ষ ও ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা ফেরদৌস ও অভিনেত্রী মৌসুমী প্রমুখ।

সংগঠনের সভাপতি ফাল্গ–নী হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন চলচ্চিত্র সাংবাদিক ও বাচসাসের সাবেক সভাপতি রফিকুজ্জামান। সেমিনারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে যারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিকৃত করে দেশকে ছোট করার চেষ্টা করেন, তারাই সব থেকে বড় অশ্লীলতা নির্মাণ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘অথচ আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে খোলামেলা পোশাক থাকা মানেই সেটি অশ্লীল। আসলে কিন্তু তা নয়, বড় অশ্লীলতা হচ্ছে ইতিহাস বিকৃতি করা।’

যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রবিষয়ক সাংবাদিকতা একে অপরের পরিপূরক। স্বৈরাচার ও সামরিক শাসকরা আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করেছিল। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্র ও আমাদের সংস্কৃতিকে ফিরে পেয়েছিলাম। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তা আবার কেড়ে নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের পাশাপাশি আমাদের সংস্কতিকেও পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন।

কামরুন নাহার বলেন, সিনেমার জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সিনেমা হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি সিনেমা হল থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দেশের চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, ১৯৫৭ সালে বঙ্গবন্ধু শিল্পমন্ত্রী হিসেবে সংসদে বিল উপস্থাপন করে যেভাবে এ দেশে সরকারিভাবে বিএফডিসি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই পথ ধরে আজও চলচ্চিত্র শিল্প এগিয়ে চলেছে।