শুল্ক ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ, বাড়ছে রাজস্ব
jugantor
বেনাপোল কাস্টমস
শুল্ক ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ, বাড়ছে রাজস্ব

  বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুল্ক ফাঁকি রোধে বেনাপোল কাস্টম হাউসে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ কারণে বাড়ছে রাজস্ব আদায়। শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার জরিমানা আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফলে গত অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বরে ১৭১ কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িত আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের কালোতালিকাভুক্ত করে তাদের পণ্য চালান শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হচ্ছে। আর যাদের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির কোনো অভিযোগ নেই, তাদের পণ্যচালান ‘ডি’ মার্কের মাধ্যমে কোনো পরীক্ষা ছাড়াই খালাস দেয়া হবে। কেমিক্যাল জাতীয় পণ্যচালান ল্যাবে পরীক্ষা করার পর ফলাফলের ভিত্তিতে শুল্কায়ন করে খালাস দেয়া শুরু হয়েছে।

বন্দরের কাজকর্মে গতিশীলতা আনতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কমিশনার আজিজুর রহমান। স্থলপথে যেখানে প্রতিদিন ৫-৬শ’ ট্রাক পণ্য আমদানি হতো বেনাপোল বন্দর দিয়ে, সেখানে এখন প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০ ট্রাক মালামাল আমদানি হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসের জন্য ৫ হাজার ৬শ’ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কাস্টমস সূত্র জানায়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-অক্টোবর পর্যন্ত ৯৯৮ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৭১ কোটি টাকার বেশি। একই সময়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৮২৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, নতুন কমিশনার আজিজুর রহমান বেনাপোলে জয়েন্ট করার পর থেকে শুল্ক ফাঁকি রোধে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে। কিন্তু বেনাপোলের মতো অন্যান্য বন্দরেও কড়াকড়ি করতে হবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা এ বন্দর থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেবে।

জানতে চাইলে কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, বেনাপোল বন্দরে শুল্ক ফাঁকি রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। রাজস্ব পরিশোধের পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ২শ’ পারসেন্ট জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস

শুল্ক ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ, বাড়ছে রাজস্ব

 বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শুল্ক ফাঁকি রোধে বেনাপোল কাস্টম হাউসে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ কারণে বাড়ছে রাজস্ব আদায়। শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার জরিমানা আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফলে গত অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বরে ১৭১ কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িত আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের কালোতালিকাভুক্ত করে তাদের পণ্য চালান শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হচ্ছে। আর যাদের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির কোনো অভিযোগ নেই, তাদের পণ্যচালান ‘ডি’ মার্কের মাধ্যমে কোনো পরীক্ষা ছাড়াই খালাস দেয়া হবে। কেমিক্যাল জাতীয় পণ্যচালান ল্যাবে পরীক্ষা করার পর ফলাফলের ভিত্তিতে শুল্কায়ন করে খালাস দেয়া শুরু হয়েছে।

বন্দরের কাজকর্মে গতিশীলতা আনতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কমিশনার আজিজুর রহমান। স্থলপথে যেখানে প্রতিদিন ৫-৬শ’ ট্রাক পণ্য আমদানি হতো বেনাপোল বন্দর দিয়ে, সেখানে এখন প্রতিদিন ৩৫০ থেকে ৪০০ ট্রাক মালামাল আমদানি হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসের জন্য ৫ হাজার ৬শ’ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কাস্টমস সূত্র জানায়, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-অক্টোবর পর্যন্ত ৯৯৮ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা গত অর্থবছরের চেয়ে ১৭১ কোটি টাকার বেশি। একই সময়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ৮২৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, নতুন কমিশনার আজিজুর রহমান বেনাপোলে জয়েন্ট করার পর থেকে শুল্ক ফাঁকি রোধে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে। কিন্তু বেনাপোলের মতো অন্যান্য বন্দরেও কড়াকড়ি করতে হবে। তা না হলে ব্যবসায়ীরা এ বন্দর থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেবে।

জানতে চাইলে কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, বেনাপোল বন্দরে শুল্ক ফাঁকি রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। রাজস্ব পরিশোধের পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ২শ’ পারসেন্ট জরিমানা আদায় করা হয়েছে।