কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে সিআইডি টিম
jugantor
কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা
কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে সিআইডি টিম

  কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় সোমবার বিকালে খুলনা সিআইডির এডিশনাল ডিআইজি ওমর ফারুকের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় তদন্ত দল শাহিনুর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যাকাণ্ডের কক্ষ পরিদর্শন করেন। ঘটনার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী আনিছুরসহ অন্যদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। এদিকে কী কারণে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা দ্রুত উদ্ঘাটন করে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে একই দিন মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। সিআইডির এডিশনাল ডিআইজি ওমর ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে হত্যার রহস্য উন্মোচন নিয়ে সিআইডিসহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা টিম বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। এ সময় সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিনসহ সিআইডি, ডিবি ও থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামের মৃত শাহজাহানের ছেলে শাহিনুর তার স্ত্রী ও তার দুই শিশু সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় অক্ষত থাকে ৪ মাস বয়সী শিশুকন্যা মারিয়া।

ঘটনার পর পর গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। আলামত সংগ্রহের সময় শাহিনুরের ছোট ভাই রাহানুর ইসলামের হাতের ফিঙ্গার প্রিন্টের সঙ্গে কিছু পোশাক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রাহানুরের ফিঙ্গার প্রিন্টের মিল পাওয়া যায়। এ কারণে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শুক্রবার তাকে হত্যা মামলায় আটক দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি। কিন্তু আদালত রোববার রাহানুরের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাতক্ষীরা সিআইডি পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই প্রকাশ করা যাবে না। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি একাধিক কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিষয় আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ। শাহিনুরের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা ছিল। আমরা সব ক’টি বিষয় যাচাই-বাছাই করছি। পূর্বপরিকল্পিতভাবে কেউ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, শাহিনুর রহমান মাছের ব্যবসা করতেন। খুব ভালো মানুষ ছিলেন। এলাকার কারও সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করতে শুনিনি।

কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা

কারণ অনুসন্ধানে ঘটনাস্থলে সিআইডি টিম

 কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় সোমবার বিকালে খুলনা সিআইডির এডিশনাল ডিআইজি ওমর ফারুকের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় তদন্ত দল শাহিনুর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যাকাণ্ডের কক্ষ পরিদর্শন করেন। ঘটনার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী আনিছুরসহ অন্যদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। এদিকে কী কারণে বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা দ্রুত উদ্ঘাটন করে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে একই দিন মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। সিআইডির এডিশনাল ডিআইজি ওমর ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে হত্যার রহস্য উন্মোচন নিয়ে সিআইডিসহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা টিম বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। এ সময় সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিনসহ সিআইডি, ডিবি ও থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামের মৃত শাহজাহানের ছেলে শাহিনুর তার স্ত্রী ও তার দুই শিশু সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় অক্ষত থাকে ৪ মাস বয়সী শিশুকন্যা মারিয়া।

ঘটনার পর পর গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। আলামত সংগ্রহের সময় শাহিনুরের ছোট ভাই রাহানুর ইসলামের হাতের ফিঙ্গার প্রিন্টের সঙ্গে কিছু পোশাক ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রাহানুরের ফিঙ্গার প্রিন্টের মিল পাওয়া যায়। এ কারণে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শুক্রবার তাকে হত্যা মামলায় আটক দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি। কিন্তু আদালত রোববার রাহানুরের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাতক্ষীরা সিআইডি পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই প্রকাশ করা যাবে না। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি একাধিক কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিষয় আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ। শাহিনুরের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা ছিল। আমরা সব ক’টি বিষয় যাচাই-বাছাই করছি। পূর্বপরিকল্পিতভাবে কেউ এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, শাহিনুর রহমান মাছের ব্যবসা করতেন। খুব ভালো মানুষ ছিলেন। এলাকার কারও সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করতে শুনিনি।