খুলনায় ডাক্তারসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে
jugantor
একাধিকবার ভোটার
খুলনায় ডাক্তারসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

  খুলনা ব্যুরো  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোটার তালিকায় একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত হওয়া খুলনা বিভাগে চিকিৎসকসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সহকারী সচিব মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দেশনা চলতি মাসের ১৪ অক্টোবর খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে পৌঁছে। এ ধরনের অপরাধে অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে আইনে।

জানা যায়, এই বিভাগে জন্ম তারিখ পরিবর্তন, শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন, স্ত্রীর নামের পরিবর্তন, নিজের নাম, বাবার নাম এবং মায়ের নামের পরিবর্তনসহ নানাভাবে একাধিকবার ভোটার হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এরমধ্যে চিকিৎসকও রয়েছেন। একাধিকবার ভোটার হওয়ার ঘটনা সব থেকে বেশি খুলনা জেলায়- ২৩ জন। এরপর বাগেরহাট জেলায় ১৪ জন, সাতক্ষীরায় ১৩ জন, নড়াইলে ৩ জন, কুষ্টিয়া, যশোর, মাগুরা ও মেহেরপুর জেলায় দু’জন করে এবং চুয়াডাঙ্গায় একজন। সর্বমোট ৬২ জনের মধ্যে নারী ভোটার রয়েছেন ১৪ জন। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন অফিসের নির্দেশনা কপিতে দেখা যায়, খুলনা নগরীর একজন চিকিৎসক একাধিক ভোটার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশে যে একাধিকবার ভোটার হওয়ার চেষ্টা হয়েছে তা তথ্য দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা এসেছে তারা হলেন- খুলনা জেলা সদরের সালমান ফকির, রিজওয়ান উল করিম, আকরাম হোসেন হাওলাদার, নাদির মিয়া, প্রভা রানী দাশ, সমর চন্দ্র রায়, রাজীব দে, সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার নাসিমা আক্তার, রুহুল আমিন, কাশফুজ্জুনুন, মো. রাজিব, ডা. এসএম জাফর উল্লাহ, খালিশপুর থানা এলাকার শাহিদুল ইসলাম, আলীমুজ্জামান, হালিমা মাসুদ নাহার, মমতাজ খাতুন, দিঘলিয়া উপজেলার মো. সামীম, রূপসা উপজেলার জাকির হোসেন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মহিউদ্দীন শেখ, ফুলতলা উপজেলার মো. হাসান, কয়রা উপজেলার খাদিজা পারভীন, ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষ্ণ পদ মণ্ডল, বাগেরহাট জেলা সদরের বীরেন্দ্র নাথ সাহা, রেজওয়ান শরীফ, নুপুর আক্তার, মো. মনির, মনিরুজ্জামান, দুলাল কৃষ্ণ বল, সুইটি বেগম, শেখ জাহিদুল হক সাদী, সোনিয়া, পারুল বেগম, রজব আলী শেখ, মোংলার জাকির হোসেন আকন, মোল্লাহাট উপজেলার শেখ হেদায়েত হোসেন, মোরেলগঞ্জের জাহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা সদরের শফিকুল ইসলাম, আবু ইউছুপ খান পলাশ, হাফিজুর রহমান, মুক্তাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, ফজর আলী, মর্জিনা বেগম, এই জেলার তালা উপজেলার হেলাল শেখ, সুকুমার রায়, আলমগীর হোসেন মোড়ল, মৌসুমী বিশ্বাস, মো. ওবায়দুর রহমান, কার্তিক বিশ্বাস, নড়াইল জেলা সদরের মিন্টু শেখ, লোহাগড়া উপজেলার আবদুল কাইয়ুম হোসেন, মো. রিয়াজুল করিম, কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার খোন্দকার আরিফুল ইসলাম, খোকসা উপজেলার মোছা. সুমনা খাঁন, যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার পান্না, কেশবপুর উপজেলার দীপ শাখা মুন, মাগুরা জেলা সদরের মো. রিয়াজুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর উপজেলার লতিফুল খবির, মেহেরপুর জেলা সদরের ফরোজ আলী, মাহবুবুর রহমান এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার শামীম ইবনে শহিদ।

জানতে চাইলে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুচ আলী যুগান্তরকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ইতোমধ্যে যারা একাধিকবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শুরু হয়েছে। এই তালিকা পরবর্তীতে আরও বাড়বে কিনা এটা বলা যাচ্ছে না। প্রত্যেক উপজেলার কর্মকর্তা এবং থানা অফিসাররা বাদী হয়ে মামলা করবেন।

একাধিকবার ভোটার

খুলনায় ডাক্তারসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

 খুলনা ব্যুরো 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোটার তালিকায় একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত হওয়া খুলনা বিভাগে চিকিৎসকসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সহকারী সচিব মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দেশনা চলতি মাসের ১৪ অক্টোবর খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে পৌঁছে। এ ধরনের অপরাধে অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে আইনে।

জানা যায়, এই বিভাগে জন্ম তারিখ পরিবর্তন, শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন, স্ত্রীর নামের পরিবর্তন, নিজের নাম, বাবার নাম এবং মায়ের নামের পরিবর্তনসহ নানাভাবে একাধিকবার ভোটার হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এরমধ্যে চিকিৎসকও রয়েছেন। একাধিকবার ভোটার হওয়ার ঘটনা সব থেকে বেশি খুলনা জেলায়- ২৩ জন। এরপর বাগেরহাট জেলায় ১৪ জন, সাতক্ষীরায় ১৩ জন, নড়াইলে ৩ জন, কুষ্টিয়া, যশোর, মাগুরা ও মেহেরপুর জেলায় দু’জন করে এবং চুয়াডাঙ্গায় একজন। সর্বমোট ৬২ জনের মধ্যে নারী ভোটার রয়েছেন ১৪ জন। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন অফিসের নির্দেশনা কপিতে দেখা যায়, খুলনা নগরীর একজন চিকিৎসক একাধিক ভোটার হওয়ার চেষ্টা করেছেন। সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশে যে একাধিকবার ভোটার হওয়ার চেষ্টা হয়েছে তা তথ্য দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা এসেছে তারা হলেন- খুলনা জেলা সদরের সালমান ফকির, রিজওয়ান উল করিম, আকরাম হোসেন হাওলাদার, নাদির মিয়া, প্রভা রানী দাশ, সমর চন্দ্র রায়, রাজীব দে, সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার নাসিমা আক্তার, রুহুল আমিন, কাশফুজ্জুনুন, মো. রাজিব, ডা. এসএম জাফর উল্লাহ, খালিশপুর থানা এলাকার শাহিদুল ইসলাম, আলীমুজ্জামান, হালিমা মাসুদ নাহার, মমতাজ খাতুন, দিঘলিয়া উপজেলার মো. সামীম, রূপসা উপজেলার জাকির হোসেন, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মহিউদ্দীন শেখ, ফুলতলা উপজেলার মো. হাসান, কয়রা উপজেলার খাদিজা পারভীন, ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষ্ণ পদ মণ্ডল, বাগেরহাট জেলা সদরের বীরেন্দ্র নাথ সাহা, রেজওয়ান শরীফ, নুপুর আক্তার, মো. মনির, মনিরুজ্জামান, দুলাল কৃষ্ণ বল, সুইটি বেগম, শেখ জাহিদুল হক সাদী, সোনিয়া, পারুল বেগম, রজব আলী শেখ, মোংলার জাকির হোসেন আকন, মোল্লাহাট উপজেলার শেখ হেদায়েত হোসেন, মোরেলগঞ্জের জাহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা সদরের শফিকুল ইসলাম, আবু ইউছুপ খান পলাশ, হাফিজুর রহমান, মুক্তাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, ফজর আলী, মর্জিনা বেগম, এই জেলার তালা উপজেলার হেলাল শেখ, সুকুমার রায়, আলমগীর হোসেন মোড়ল, মৌসুমী বিশ্বাস, মো. ওবায়দুর রহমান, কার্তিক বিশ্বাস, নড়াইল জেলা সদরের মিন্টু শেখ, লোহাগড়া উপজেলার আবদুল কাইয়ুম হোসেন, মো. রিয়াজুল করিম, কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার খোন্দকার আরিফুল ইসলাম, খোকসা উপজেলার মোছা. সুমনা খাঁন, যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার পান্না, কেশবপুর উপজেলার দীপ শাখা মুন, মাগুরা জেলা সদরের মো. রিয়াজুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর উপজেলার লতিফুল খবির, মেহেরপুর জেলা সদরের ফরোজ আলী, মাহবুবুর রহমান এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার শামীম ইবনে শহিদ।

জানতে চাইলে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুচ আলী যুগান্তরকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ইতোমধ্যে যারা একাধিকবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শুরু হয়েছে। এই তালিকা পরবর্তীতে আরও বাড়বে কিনা এটা বলা যাচ্ছে না। প্রত্যেক উপজেলার কর্মকর্তা এবং থানা অফিসাররা বাদী হয়ে মামলা করবেন।