অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
jugantor
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

  বরিশাল ব্যুরো  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বরাকোঠা ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু নছর মোহাম্মদ নেছার উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ নিয়েছেন তিনি, যার তদন্ত এখনও চলছে। পাশাপাশি কলেজ ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশন বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. কামরুজ্জামান লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, এ বছর ১১ জানুয়ারি ওই কলেজে গ্রন্থাগারিকের শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা হয়। ফারুক আহম্মেদ নামের একজনকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগের চুক্তি করেন অধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন। কিন্তু চুক্তিমতো অর্থ লেনদেন না করায় ১৫ ফেব্রুয়ারি কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভায় তার নিয়োগের বিষয়টি বাতিল করে আবার বিজ্ঞপ্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে অধ্যক্ষকে চাহিদামতো টাকা দিলে ২৩ ফেব্রুয়ারি আগের রেজুলেশন বাতিল করে ২৪ ফেব্রুয়ারি অবৈধভাবে ফারুক আহম্মেদকে গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেন। এছাড়া ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত কলেজের অভ্যন্তরীণ অডিট অনুযায়ী তিনি কলেজ ফান্ডের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

মো. কামরুজ্জামান জানান, অধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন ২০০৯ সালে বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে লেখা বই ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় একের পর এক অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ আবু নছর মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন।

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

 বরিশাল ব্যুরো 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বরাকোঠা ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু নছর মোহাম্মদ নেছার উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ নিয়েছেন তিনি, যার তদন্ত এখনও চলছে। পাশাপাশি কলেজ ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশন বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের কাছে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. কামরুজ্জামান লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন।

লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, এ বছর ১১ জানুয়ারি ওই কলেজে গ্রন্থাগারিকের শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা হয়। ফারুক আহম্মেদ নামের একজনকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগের চুক্তি করেন অধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন। কিন্তু চুক্তিমতো অর্থ লেনদেন না করায় ১৫ ফেব্রুয়ারি কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভায় তার নিয়োগের বিষয়টি বাতিল করে আবার বিজ্ঞপ্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে অধ্যক্ষকে চাহিদামতো টাকা দিলে ২৩ ফেব্রুয়ারি আগের রেজুলেশন বাতিল করে ২৪ ফেব্রুয়ারি অবৈধভাবে ফারুক আহম্মেদকে গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেন। এছাড়া ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত কলেজের অভ্যন্তরীণ অডিট অনুযায়ী তিনি কলেজ ফান্ডের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

মো. কামরুজ্জামান জানান, অধ্যক্ষ নেছার উদ্দিন ২০০৯ সালে বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে লেখা বই ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় একের পর এক অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ আবু নছর মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন