চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
jugantor
ইউপি ভবনে যুবকের লাশ
চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

  রাজশাহী ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনের একটি কক্ষে আটক যুবক মোফাজ্জল হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে দামকুড়া থানায়। রোববার রাতে তার ভাই উজ্জ্বল হোসেন এ মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মামলায় হরিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিলসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। অপর আসামিরা হলেন- মোফাজ্জলের শ্বশুর রফিকুল ইসলাম, স্ত্রী রিয়া খাতুন ও শাশুড়ি সুদানা বেগম। অজ্ঞাত আসামি ১৫ জন।

ওসি জানান, শ্বশুর রফিকুল ইসলামকে প্রধান ও ইউপি চেয়ারম্যান মুঞ্জিলকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুঞ্জিল বলেন, দুই সপ্তাহ আগে বিয়ে হলেও রফিকুলের মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসেন। তিনি আর সংসার করতে চাচ্ছিলেন না। দুইদিন আগে মোফাজ্জল স্ত্রীকে নিতে শ্বশুরবাড়ি আসেন।

শনিবার সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রীকে মারধর করেন। এ সময় পাল্টা মোফাজ্জলকে মারধর করে আমার কাছে নিয়ে আসে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। রোববার দুই পক্ষের লোকজনদের নিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহের বিষয়ে সালিশ বসার কথা ছিল। এজন্য রাতে মোফাজ্জলকে ইউপি ভবনের একটি কক্ষে রাখা হয়।

ইউপি ভবনে যুবকের লাশ

চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

 রাজশাহী ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনের একটি কক্ষে আটক যুবক মোফাজ্জল হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে দামকুড়া থানায়। রোববার রাতে তার ভাই উজ্জ্বল হোসেন এ মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মামলায় হরিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিলসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। অপর আসামিরা হলেন- মোফাজ্জলের শ্বশুর রফিকুল ইসলাম, স্ত্রী রিয়া খাতুন ও শাশুড়ি সুদানা বেগম। অজ্ঞাত আসামি ১৫ জন।

ওসি জানান, শ্বশুর রফিকুল ইসলামকে প্রধান ও ইউপি চেয়ারম্যান মুঞ্জিলকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুঞ্জিল বলেন, দুই সপ্তাহ আগে বিয়ে হলেও রফিকুলের মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসেন। তিনি আর সংসার করতে চাচ্ছিলেন না। দুইদিন আগে মোফাজ্জল স্ত্রীকে নিতে শ্বশুরবাড়ি আসেন।

শনিবার সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রীকে মারধর করেন। এ সময় পাল্টা মোফাজ্জলকে মারধর করে আমার কাছে নিয়ে আসে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। রোববার দুই পক্ষের লোকজনদের নিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহের বিষয়ে সালিশ বসার কথা ছিল। এজন্য রাতে মোফাজ্জলকে ইউপি ভবনের একটি কক্ষে রাখা হয়।