ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হচ্ছে
jugantor
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হচ্ছে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যস্ততম ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে চার লেনে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এডিবির অর্থায়নে মহাসড়কের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়ণের কাজ চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এক সময় রসিকতা করে বলা হতো, মরতে যদি চাও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যাও। এখন সহাসড়কে দুর্ঘটনা নেই বললেই চলে। কী করেছি আমরা! খুব বেশি কিছু নয়।

১১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্পট বা ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করে ডিভাইডার স্থাপন এবং বাঁকগুলো সোজা করে দেয়া হয়েছে। এতেই এসেছে সাফল্য। এ ধারাবাহিকতায় আমরা দেশের ১৪৪টি ব্ল্যাক স্পট অ্যাড্রেস করেছি। বুধবার নয়ারহাট সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ?্যমে তার সরকারি বাসভবন থেকে যুক্ত হন।

ঢাকা থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কটিকে একটি মডেল সড়কে রূপান্তর করার কথা জানান ওবায়দুল কাদের। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার, সালেহপুর এবং নয়ারহাটে তিনটি সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নয়ারহাট সেতুটি এ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে। চার লেনের সেতু ছাড়াও সেতুর দু’প্রান্তে ৬ লেনের প্রায় ১ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হবে। নির্মাণ করা হবে ৪টি বাস-বে, ১টি ফুটওভার ব্রিজ, সেতুর নিচ দিয়ে একটি আন্ডারপাস ও কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ একটি ইউলুপ। সড়ক নিরাপত্তা সরকারের এখন অগ্রাধিকার জানিয়ে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে এনে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে অবিরাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং সলিউশন এবং এনফোর্সমেন্টের পাশাপাশি প্রয়োজন অ্যাওয়্যারনেস। আর এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রায় সাড়ে চারশ’ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ শেষ করেছি। বর্তমানে আরও সাড়ে চারশ’ কিলোমিটার মহাসড়কের চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ চলমান রয়েছে। মহাসড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এখন প্রতিটি মহাসড়কের চার লেনের সঙ্গে অতিরিক্ত দুটি লেন দু’পাশে নির্মাণ করছি ধীরগতির যানবাহন চলাচলের জন্য। এতে দুর্ঘটনা কমে আসছে এবং বাই লেন ব্যবহার করে পাশের এলাকার মানুষের চলাচলও সহজ হচ্ছে।

রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সড়কগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দেন সেতুমন্ত্রী। এ সময় আরও যুক্ত ছিলেন ঢাকা সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দীন খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজীর আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু ছাঈদ শেখ, প্রধান প্রকৌশলী শাহরিয়ার আলম।

বিএনপির কৃতজ্ঞতাবোধ নেই : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জেনে ও বুঝে-শুনে মিথ্যাচার করা বিএনপির স্বভাব। সরকার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাও দেয়নি, সাজাও দেয়নি। মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর সাজা দিয়েছেন আদালত। বরং শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার প্রতি সদয় হয়ে দু’বার সাজা স্থগিত করেছেন। বিএনপি এমন একটি দল যাদের কৃতজ্ঞতাবোধ নেই। তাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, তা না করে দোষ চাপাচ্ছে। ‘খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে’- বিএনপি মহাসচিবের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাকি সরকার অন্যায়ভাবে মামলা দিচ্ছে। একদিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা সন্ত্রাস সৃষ্টি করবে, জনগণের সম্পদ এবং শান্তি নষ্ট করবে, বাসে আগুন দেবে, নিজেরা মারামারি করবে আর সরকার জনস্বার্থে ব্যবস্থা নিলে বলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চালাচ্ছে। জনগণের সম্পদে আগুন দেবে আবার ব্যবস্থাও নেয়া যাবে না, এমন মামার বাড়ির আবদার করছেন তারা। দলগতভাবে হত্যা আর ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাসী বলেই তারা নিজ দলে অপরাধীদের লালন করে। সুবিধাবাদ জিন্দাবাদে বিশ্বাস করে বলেই দুর্নীতিবাজদের দলে প্রশ্রয় দেয়। গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাতিল করে তারা আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, মানুষ নাকি ভয়াবহতম দুঃসময় অতিক্রম করছে। আমি জানতে চাই- করোনা, বন্যা, সুপারসাইক্লোন আম্পানের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি কী ভূমিকা পালন করেছে? আপনারা তো জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে গণমাধ্যম আর ফেসবুকে কথামালার বৃষ্টি ঝরিয়ে যাচ্ছেন।

মহামারীর প্রভাবে গোটা বিশ্ব যখন টালমাটাল তখন জীবন-জীবিকার চাকা সচল রাখতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন, তা বিশ্বব্যাপী প্রশংশিত হচ্ছে। অথচ জনগণের দুঃসময়ে কোনো ভূমিকা না রেখে শুধু বক্তৃতা-বিবৃতিতেই বিএনপি নিজের দায়িত্ব শেষ করেছে। আর সরকার যা করেছে তার অন্ধ সমালোচনা করে চলেছে অবিরাম। আসলে বিএনপি দেশের আরও দুঃসময় এবং জনগণের করুণ অবস্থাই প্রত্যাশা করেছিল। দেশের মানুষের ভোগান্তি আর কষ্টই বিএনপি নেতাদের প্রত্যাশা মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা বলেছিল, মানুষ না খেয়ে, চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় মরে পড়ে থাকবে। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং শেখ হাসিনার মানবিক নেতৃত্বে সে পরিস্থিতি হয়নি বলে বিএনপি নেতাদের মনে খুব কষ্ট। তারা সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশ ও জনগণের বিরোধিতায় নেমেছে। তাইতো জনগণ তাদের কথায় আর সাড়া দিচ্ছে না।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত হচ্ছে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যস্ততম ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে চার লেনে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এডিবির অর্থায়নে মহাসড়কের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়ণের কাজ চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এক সময় রসিকতা করে বলা হতো, মরতে যদি চাও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যাও। এখন সহাসড়কে দুর্ঘটনা নেই বললেই চলে। কী করেছি আমরা! খুব বেশি কিছু নয়।

১১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ স্পট বা ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করে ডিভাইডার স্থাপন এবং বাঁকগুলো সোজা করে দেয়া হয়েছে। এতেই এসেছে সাফল্য। এ ধারাবাহিকতায় আমরা দেশের ১৪৪টি ব্ল্যাক স্পট অ্যাড্রেস করেছি। বুধবার নয়ারহাট সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ?্যমে তার সরকারি বাসভবন থেকে যুক্ত হন।

ঢাকা থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কটিকে একটি মডেল সড়কে রূপান্তর করার কথা জানান ওবায়দুল কাদের। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার, সালেহপুর এবং নয়ারহাটে তিনটি সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নয়ারহাট সেতুটি এ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে। চার লেনের সেতু ছাড়াও সেতুর দু’প্রান্তে ৬ লেনের প্রায় ১ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হবে। নির্মাণ করা হবে ৪টি বাস-বে, ১টি ফুটওভার ব্রিজ, সেতুর নিচ দিয়ে একটি আন্ডারপাস ও কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ একটি ইউলুপ। সড়ক নিরাপত্তা সরকারের এখন অগ্রাধিকার জানিয়ে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে এনে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে অবিরাম। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং সলিউশন এবং এনফোর্সমেন্টের পাশাপাশি প্রয়োজন অ্যাওয়্যারনেস। আর এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রায় সাড়ে চারশ’ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ শেষ করেছি। বর্তমানে আরও সাড়ে চারশ’ কিলোমিটার মহাসড়কের চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ চলমান রয়েছে। মহাসড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এখন প্রতিটি মহাসড়কের চার লেনের সঙ্গে অতিরিক্ত দুটি লেন দু’পাশে নির্মাণ করছি ধীরগতির যানবাহন চলাচলের জন্য। এতে দুর্ঘটনা কমে আসছে এবং বাই লেন ব্যবহার করে পাশের এলাকার মানুষের চলাচলও সহজ হচ্ছে।

রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সড়কগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দেন সেতুমন্ত্রী। এ সময় আরও যুক্ত ছিলেন ঢাকা সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দীন খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজীর আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু ছাঈদ শেখ, প্রধান প্রকৌশলী শাহরিয়ার আলম।

বিএনপির কৃতজ্ঞতাবোধ নেই : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জেনে ও বুঝে-শুনে মিথ্যাচার করা বিএনপির স্বভাব। সরকার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলাও দেয়নি, সাজাও দেয়নি। মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর সাজা দিয়েছেন আদালত। বরং শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার প্রতি সদয় হয়ে দু’বার সাজা স্থগিত করেছেন। বিএনপি এমন একটি দল যাদের কৃতজ্ঞতাবোধ নেই। তাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, তা না করে দোষ চাপাচ্ছে। ‘খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে’- বিএনপি মহাসচিবের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাকি সরকার অন্যায়ভাবে মামলা দিচ্ছে। একদিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা সন্ত্রাস সৃষ্টি করবে, জনগণের সম্পদ এবং শান্তি নষ্ট করবে, বাসে আগুন দেবে, নিজেরা মারামারি করবে আর সরকার জনস্বার্থে ব্যবস্থা নিলে বলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চালাচ্ছে। জনগণের সম্পদে আগুন দেবে আবার ব্যবস্থাও নেয়া যাবে না, এমন মামার বাড়ির আবদার করছেন তারা। দলগতভাবে হত্যা আর ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাসী বলেই তারা নিজ দলে অপরাধীদের লালন করে। সুবিধাবাদ জিন্দাবাদে বিশ্বাস করে বলেই দুর্নীতিবাজদের দলে প্রশ্রয় দেয়। গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাতিল করে তারা আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, মানুষ নাকি ভয়াবহতম দুঃসময় অতিক্রম করছে। আমি জানতে চাই- করোনা, বন্যা, সুপারসাইক্লোন আম্পানের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি কী ভূমিকা পালন করেছে? আপনারা তো জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে গণমাধ্যম আর ফেসবুকে কথামালার বৃষ্টি ঝরিয়ে যাচ্ছেন।

মহামারীর প্রভাবে গোটা বিশ্ব যখন টালমাটাল তখন জীবন-জীবিকার চাকা সচল রাখতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন, তা বিশ্বব্যাপী প্রশংশিত হচ্ছে। অথচ জনগণের দুঃসময়ে কোনো ভূমিকা না রেখে শুধু বক্তৃতা-বিবৃতিতেই বিএনপি নিজের দায়িত্ব শেষ করেছে। আর সরকার যা করেছে তার অন্ধ সমালোচনা করে চলেছে অবিরাম। আসলে বিএনপি দেশের আরও দুঃসময় এবং জনগণের করুণ অবস্থাই প্রত্যাশা করেছিল। দেশের মানুষের ভোগান্তি আর কষ্টই বিএনপি নেতাদের প্রত্যাশা মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা বলেছিল, মানুষ না খেয়ে, চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় মরে পড়ে থাকবে। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং শেখ হাসিনার মানবিক নেতৃত্বে সে পরিস্থিতি হয়নি বলে বিএনপি নেতাদের মনে খুব কষ্ট। তারা সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশ ও জনগণের বিরোধিতায় নেমেছে। তাইতো জনগণ তাদের কথায় আর সাড়া দিচ্ছে না।