সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ
jugantor
সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের এই দিনে (৩ জানুয়ারি) ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দিনটি উপলক্ষে সকালে বনানী কবরস্থানে সৈয়দ আশরাফের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সৈয়দ আশরাফের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দলের সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন স্মরণসভা ও শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে সৈয়দ আশরাফের জন্ম। বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান সৈয়দ আশরাফ দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহপ্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৯ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের সম্মেলনে তিনি টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের সম্মেলনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ওয়ান-ইলেভেন ও হেফাজতের আন্দোলনের মতো সংকটকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন সৈয়দ আশরাফ।

কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সৈয়দ আশরাফ যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সৈয়দ আশরাফ নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিজয়ী হন সৈয়দ আশরাফ। তবে শপথ নেওয়ার আগেই মারা যান তিনি। আশরাফ এক কন্যার জনক। তার স্ত্রী শিলা ইসলাম ২০১৭ সালের অক্টোবরে মারা যান।

সৈয়দ আশরাফের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের এই দিনে (৩ জানুয়ারি) ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দিনটি উপলক্ষে সকালে বনানী কবরস্থানে সৈয়দ আশরাফের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সৈয়দ আশরাফের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া দলের সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন স্মরণসভা ও শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে সৈয়দ আশরাফের জন্ম। বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান সৈয়দ আশরাফ দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সহপ্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৯ সালে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের সম্মেলনে তিনি টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের সম্মেলনে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ওয়ান-ইলেভেন ও হেফাজতের আন্দোলনের মতো সংকটকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন সৈয়দ আশরাফ।

কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সৈয়দ আশরাফ যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সৈয়দ আশরাফ নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিজয়ী হন সৈয়দ আশরাফ। তবে শপথ নেওয়ার আগেই মারা যান তিনি। আশরাফ এক কন্যার জনক। তার স্ত্রী শিলা ইসলাম ২০১৭ সালের অক্টোবরে মারা যান।