মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু
jugantor
মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদক আইনের মামলায় শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার শুনানি উপলক্ষ্যে পাপিয়া ও সুমন দম্পতিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আদালতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করেন। তবে আদালত অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দেশজুড়ে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালীন পাপিয়া দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর বহির্গমন টার্মিনালের ছয় নম্বর স্টাফ গেটের সামনে থেকে সহযোগীসহ পাপিয়া দম্পতিকে আটক করা হয়। ওই সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে পাপিয়ার কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ, জাল নোট; পাপিয়ার স্বামী সুমনের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ ও বিদেশি অর্থ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া ও মফিজুর রহমানের দেওয়া তথ্যানুসারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শেরেবাংলা নগর থানাধীন ফার্মগেট ইন্দিরা রোডের বাসায় পরদিন ভোর ৫টা ১০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সেখান থেকে অস্ত্র, বিদেশি মদ, নগদ অর্থ ও ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি করে দুটি ও বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর অবৈধ পাঁচ কোটি টাকার খোঁজ পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে আরেকটি মামলা করে পুুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এছাড়া ৪ আগস্ট ছয় কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলোর মধ্যে গত বছরের ১২ অক্টোবর অস্ত্র আইনের মামলায় পাপিয়া দম্পতিকে দুই ধারায় মোট ২৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে দুটি ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে পাপিয়া দম্পতিকে মোট ২০ বছরের সাজা খাটতে হবে। আর মাদক আইনের মামলায় বিচার শুরু হলো। বাকি তিনটি মামলা তদন্তাধীন।

মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিচার শুরু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদক আইনের মামলায় শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলাম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার শুনানি উপলক্ষ্যে পাপিয়া ও সুমন দম্পতিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আদালতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করেন। তবে আদালত অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

দেশজুড়ে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালীন পাপিয়া দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়। গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর বহির্গমন টার্মিনালের ছয় নম্বর স্টাফ গেটের সামনে থেকে সহযোগীসহ পাপিয়া দম্পতিকে আটক করা হয়। ওই সময় তাদের দেহ তল্লাশি করে পাপিয়ার কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ, জাল নোট; পাপিয়ার স্বামী সুমনের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ ও বিদেশি অর্থ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া ও মফিজুর রহমানের দেওয়া তথ্যানুসারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শেরেবাংলা নগর থানাধীন ফার্মগেট ইন্দিরা রোডের বাসায় পরদিন ভোর ৫টা ১০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সেখান থেকে অস্ত্র, বিদেশি মদ, নগদ অর্থ ও ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি করে দুটি ও বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর অবৈধ পাঁচ কোটি টাকার খোঁজ পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে আরেকটি মামলা করে পুুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এছাড়া ৪ আগস্ট ছয় কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলোর মধ্যে গত বছরের ১২ অক্টোবর অস্ত্র আইনের মামলায় পাপিয়া দম্পতিকে দুই ধারায় মোট ২৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে দুটি ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে পাপিয়া দম্পতিকে মোট ২০ বছরের সাজা খাটতে হবে। আর মাদক আইনের মামলায় বিচার শুরু হলো। বাকি তিনটি মামলা তদন্তাধীন।