১৪ কোটি টিকা রাখার সক্ষমতা স্বাস্থ্য খাতের রয়েছে
jugantor
১৪ কোটি টিকা রাখার সক্ষমতা স্বাস্থ্য খাতের রয়েছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘দেশে অন্তত ১৪-১৫ কোটি টিকা রাখার ব্যবস্থা সরকারের হাতে রয়েছে। কাজেই দেশে ৪-৫ কোটি টিকা চলে এলে সেগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগে কোনো সমস্যা হবে না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের টিকাদান ও বিতরণ সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

টিকাদানে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতালে সংরক্ষিত কোল্ড রুমে প্রায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ৫-১০টি আইস ফ্রিজার আছে, যেখানে অন্তত ৭১ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখা যাবে। প্রাথমিকভাবে সারা দেশে বর্তমানে ৭ হাজার ৩৪৪টি টিম ভ্যাকসিন দিতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ছয়জন স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবেন।’

ভ্যাকসিন প্রদানে কোনো অনিয়ম যাতে না হয়, সেজন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কঠোরভাবে মনিটরিং করবে। টিকা সংক্রান্ত সব তথ্য যেন মানুষ দ্রুত জানতে পারে, সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, টিকা দিতে প্রায় ৪২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। টিকাদান সংক্রান্ত একটি অ্যাপ আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তৈরি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারিভাবে টিকা দেওয়া শুরু করার পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশের বড় বড় বেসরকারি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও শর্তসাপেক্ষে টিকা দিতে পারবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ সেখানে ছিলেন।

১৪ কোটি টিকা রাখার সক্ষমতা স্বাস্থ্য খাতের রয়েছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘দেশে অন্তত ১৪-১৫ কোটি টিকা রাখার ব্যবস্থা সরকারের হাতে রয়েছে। কাজেই দেশে ৪-৫ কোটি টিকা চলে এলে সেগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগে কোনো সমস্যা হবে না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের টিকাদান ও বিতরণ সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

টিকাদানে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতালে সংরক্ষিত কোল্ড রুমে প্রায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ৫-১০টি আইস ফ্রিজার আছে, যেখানে অন্তত ৭১ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখা যাবে। প্রাথমিকভাবে সারা দেশে বর্তমানে ৭ হাজার ৩৪৪টি টিম ভ্যাকসিন দিতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ছয়জন স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবেন।’

ভ্যাকসিন প্রদানে কোনো অনিয়ম যাতে না হয়, সেজন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কঠোরভাবে মনিটরিং করবে। টিকা সংক্রান্ত সব তথ্য যেন মানুষ দ্রুত জানতে পারে, সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, টিকা দিতে প্রায় ৪২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। টিকাদান সংক্রান্ত একটি অ্যাপ আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তৈরি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারিভাবে টিকা দেওয়া শুরু করার পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশের বড় বড় বেসরকারি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোও শর্তসাপেক্ষে টিকা দিতে পারবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ সেখানে ছিলেন।