চসিক নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে
jugantor
চসিক নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে
-আমীর খসরু

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

২২ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নগরীর নূর আহমদ সড়কের নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আমীর খসরু বলেন, চসিক নির্বাচনের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। এই নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে দেশে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচন হবে কি না, সন্দেহ আছে। তিনি বলেন, অনির্বাচিত সরকারের অধীন তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন জেনেও গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে বিএনপি নির্বাচনে এসেছে। যাতে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। মানুষের ইচ্ছা প্রকাশের একমাত্র উপায় হচ্ছে নির্বাচন। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বড় রাজনৈতিক দল। আমরা যদি নির্বাচনে অংশ না নিই, তাহলে জনগণের ভোট প্রয়োগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। এ জন্য আমরা বারবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কিন্তু মানুষ ভোট দিতে পারছে না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী যারা, তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারা ক্ষমতা দখলকারী। তারা নির্বাচন চায় না। নির্বাচন প্রতিরোধ করতে চায়। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে চসিক নির্বাচন বানচাল করতে যত ধরনের পথ আছে, তার সবই অবলম্বন করছে। ক্ষমতাসীন দলের লোকজন বুধবার রাতে চট্টগ্রামে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা করে আগুন দিয়েছে। মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বোমাবাজি করেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহ প্রমুখ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে আমীর খসরু বলেন, আপনারা সঠিক তথ্য তুলে ধরুন। যে ভোট চুরি করছে, সেও জানে। যার ভোট চুরি করছে, সেও জানে। দেশে-বিদেশে নির্বাচন নিয়ে যারা কাজ করছে, তারাও জানে নির্বাচনের নামে কী হচ্ছে। বাংলাদেশে এমন একটা পরিস্থিতি যেখানে কেউ কিছুই বলতে পারছে না। সাংবাদিকরাও না। অনেকে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা মিডিয়া সহ্য করতে পারে না।

চসিক নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে

-আমীর খসরু
 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
২২ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নগরীর নূর আহমদ সড়কের নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আমীর খসরু বলেন, চসিক নির্বাচনের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। এই নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে দেশে ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচন হবে কি না, সন্দেহ আছে। তিনি বলেন, অনির্বাচিত সরকারের অধীন তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন জেনেও গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে বিএনপি নির্বাচনে এসেছে। যাতে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। মানুষের ইচ্ছা প্রকাশের একমাত্র উপায় হচ্ছে নির্বাচন। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বড় রাজনৈতিক দল। আমরা যদি নির্বাচনে অংশ না নিই, তাহলে জনগণের ভোট প্রয়োগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। এ জন্য আমরা বারবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কিন্তু মানুষ ভোট দিতে পারছে না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী যারা, তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারা ক্ষমতা দখলকারী। তারা নির্বাচন চায় না। নির্বাচন প্রতিরোধ করতে চায়। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে চসিক নির্বাচন বানচাল করতে যত ধরনের পথ আছে, তার সবই অবলম্বন করছে। ক্ষমতাসীন দলের লোকজন বুধবার রাতে চট্টগ্রামে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা করে আগুন দিয়েছে। মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বোমাবাজি করেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপি নেতা এরশাদ উল্লাহ প্রমুখ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে আমীর খসরু বলেন, আপনারা সঠিক তথ্য তুলে ধরুন। যে ভোট চুরি করছে, সেও জানে। যার ভোট চুরি করছে, সেও জানে। দেশে-বিদেশে নির্বাচন নিয়ে যারা কাজ করছে, তারাও জানে নির্বাচনের নামে কী হচ্ছে। বাংলাদেশে এমন একটা পরিস্থিতি যেখানে কেউ কিছুই বলতে পারছে না। সাংবাদিকরাও না। অনেকে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা মিডিয়া সহ্য করতে পারে না।