আদমদীঘিতে অস্ত্র মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা
jugantor
আদমদীঘিতে অস্ত্র মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

  বগুড়া ব্যুরো  

২২ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মিসভায় কমিটি ঘোষণার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। বগুড়া জেলা কমিটি অজ্ঞাত কারণে পরে এ কমিটি ঘোষণা দেয়। তবে কমিটিতে অস্ত্র মামলার আসামি মশিউর রহমান সজলকে সাধারণ সম্পাদক করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা অবিলম্বে সংশোধন করে কমিটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ৮ জানুয়ারি সান্তাহারে আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ত্রিবার্ষিক কমিটি ঘোষণার কথা ছিল। পদ নিয়ে নেতাকর্মীরা হট্টগোল করায় জেলা নেতারা কমিটি ঘোষণা না দিয়ে শহরে ফিরে যান। তারা পরে কমিটি ঘোষণা দেবেন বলে জানান। ১৯ জানুয়ারি রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে সংগঠনের আদমদীঘি উপজেলা কমিটি ঘোষণা দেন। এতে ফিরোজ হোসেন চন্দনকে সভাপতি ও মশিউর রহমান সজলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। চন্দনকে সভাপতি করা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি না থাকলেও অস্ত্র মামলার আসামি সজলকে সাধারণ সম্পাদক করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দেয়।

নেতাকর্মীরা জানান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সজল ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ তার লোকজন নিয়ে সান্তাহারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলীর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও মারধর করেন। পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। সজল দুটি মামলায় বেশ কিছুদিন কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েন। তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের ম্যানেজ করে রাতারাতি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। এতে সাধারণ সম্পাদকের পদ বঞ্চিতদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

সান্তাহার পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান মুন্না বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতি ইতি টেনে স্বেচ্ছাসেবক লীগে যুক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিতে চাই। এ কারণে আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু অস্ত্র মামলার আসামিকে সম্পাদক ঘোষণা দেওয়ায় তিনি হতাশ হয়েছেন। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত জানান, রাজনীতিবিদদের মামলা থাকতেই পারে। মামলা থাকলে কমিটিতে রাখা যাবে না-গঠনতন্ত্রে তা উল্লেখ নেই।

আদমদীঘিতে অস্ত্র মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

 বগুড়া ব্যুরো 
২২ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মিসভায় কমিটি ঘোষণার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। বগুড়া জেলা কমিটি অজ্ঞাত কারণে পরে এ কমিটি ঘোষণা দেয়। তবে কমিটিতে অস্ত্র মামলার আসামি মশিউর রহমান সজলকে সাধারণ সম্পাদক করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা অবিলম্বে সংশোধন করে কমিটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ৮ জানুয়ারি সান্তাহারে আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মিসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ত্রিবার্ষিক কমিটি ঘোষণার কথা ছিল। পদ নিয়ে নেতাকর্মীরা হট্টগোল করায় জেলা নেতারা কমিটি ঘোষণা না দিয়ে শহরে ফিরে যান। তারা পরে কমিটি ঘোষণা দেবেন বলে জানান। ১৯ জানুয়ারি রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে সংগঠনের আদমদীঘি উপজেলা কমিটি ঘোষণা দেন। এতে ফিরোজ হোসেন চন্দনকে সভাপতি ও মশিউর রহমান সজলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। চন্দনকে সভাপতি করা নিয়ে কারও কোনো আপত্তি না থাকলেও অস্ত্র মামলার আসামি সজলকে সাধারণ সম্পাদক করায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দেয়।

নেতাকর্মীরা জানান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সজল ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ তার লোকজন নিয়ে সান্তাহারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলীর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও মারধর করেন। পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। সজল দুটি মামলায় বেশ কিছুদিন কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েন। তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের ম্যানেজ করে রাতারাতি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। এতে সাধারণ সম্পাদকের পদ বঞ্চিতদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

সান্তাহার পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান মুন্না বলেন, ছাত্রলীগের রাজনীতি ইতি টেনে স্বেচ্ছাসেবক লীগে যুক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিতে চাই। এ কারণে আদমদীঘি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু অস্ত্র মামলার আসামিকে সম্পাদক ঘোষণা দেওয়ায় তিনি হতাশ হয়েছেন। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান সাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত জানান, রাজনীতিবিদদের মামলা থাকতেই পারে। মামলা থাকলে কমিটিতে রাখা যাবে না-গঠনতন্ত্রে তা উল্লেখ নেই।