ছয় ঘটনায় জড়িত ২০ জন
jugantor
ডাকাতির টাকায় মাদক ব্যবসা
ছয় ঘটনায় জড়িত ২০ জন

  সিরাজুল ইসলাম  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীতে ডাকাত চক্রের ২০ সদস্যের সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সাম্প্রতিক ছয়টি ডাকাতির ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তারা অস্ত্র ছিনতাইয়ের সঙ্গেও জড়িত। তিন থেকে চারটি গ্র“পে কাজ করে এ চক্রের সদস্যরা। তারা ডাকাতির টাকায় মাদক ব্যবসাও করে। ইয়াবা ব্যবসাকে তারা বেশি গুরুত্ব দেয়। রামপুরা, শাহজাহানপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা বিক্রি করে তারা। চক্রের কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যে ইয়াবাসহ গ্রেফতারও হয়েছে। তারা এখন ডিবির রিমান্ডে আছে। একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতারের পর অন্য ডাকাতির ঘটনাগুলোও তারা স্বীকার করেছে। রিমান্ডে তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী অন্যদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের মধ্যে একটি গ্র“পের দলনেতা হলো মোরশেদ ওরফে হাড্ডি মোরশেদ। যারা এখনো গ্রেফতার হয়নি তাদের মধ্যে একজন কলেজছাত্র। হৃ দয় নামের ওই ছাত্র মূলত নেপথ্যে কাজ করে। ভদ্রবেশী এ হৃ দয় গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। হৃ দয়ের মতো আরও যারা ‘ভদ্র গ্র“পের’ সদস্য হিসাবে পরিচিত তাদের মধ্যে হৃ দয় এবং অর্ণবের নাম রয়েছে। যেকোনো সময় তারা গ্রেফতার হতে পারে।

ডিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯ ফেব্র“য়ারি মোরশেদ হোসেন ওরফে হাড্ডি মোরশেদ, জাহিদ শেখ, আরমান হোসেন, কবির হোসেন মনা ও রাসেলকে গ্রেফতার করে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি টিম। এদের মধ্যে আরমান বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ এর আগে গ্রেফতার হয়ে ২৯ ডিসেম্বর জেলে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই সে জামিন পেয়ে যায়। ডিবির রিমান্ডে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, তারা গত ৮ ডিসেম্বর হাতিরঝিল থানা এলাকার ৫৫ নম্বর পশ্চিম হাজীপাড়ার একটি বাসায় ডাকাতি করে। এ সময় বাসার সদস্যদের চাপাতি ও অন্যান্য অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি ৩২ বোরের পিস্তল, ৫৯ রাউন্ড গুলি, ৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ডলারসহ ৫০ লাখ ২২ হাজার টাকার মালামাল লুট করে। ২০ অক্টোবর একই থানাধীন বিশাল সেন্টারের পাশের একটি বাসায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, নগদ আড়াই লাখ টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে। এ ছাড়া হাতিরঝিল থানাধীন এলাকায় ২০ ও ২৮ ডিসেম্বর, শেরেবাংলা নগরে ১২ জানুয়ারি এবং লালমাটিয়ায় ৭ জানুয়ারি ডাকাতির কথা স্বীকার করেছে। সম্প্রতি রাফা প্লাজায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর স্বর্ণ চুরির ঘটনায় তারা জড়িতে কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিবি তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, একইদিনে গ্রেফতার পাঁচ ডাকাতের মধ্যে গুপ্তচরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী প্রথমে হাতিরঝিল মহানগর প্রকল্প দুই নম্বর ব্রিজসংলগ্ন ফ্লাইওভারের পশ্চিম পাশ থেকে গ্রেফতার করা হয় মোরশেদকে। তার কাছ থেকে একটি রিভলভার, ৫০ রাউন্ড গুলি, নগদ দুই লাখ টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃ ত একটি রেঞ্চ, একটি লোহার তালা ও গ্রিল ভাঙার একটি লিবার উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী রামপুরা ব্রিজসংলগ্ন ময়লার ডাম্পিংয়ের সামনে থেকে রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়। রাসেলের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা, ডাকাতিতে ব্যবহৃ ত একটি ছোরা এবং একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। মোরশেদ ও রাসেলের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী তেজগাঁওয়ের আইমর হোটেলের সামনে থেকে কবির হোসেন ওরফে মনাকে গ্রেফতার করা হয়। মনার কাছ থেকে এক জোড়া কানের দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, নগদ তিন লাখ টাকা, ডাকাতিতে ব্যবহৃ ত একটি লোহার তালা, গ্রিল ভাঙার লিবার ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়। মোরশেদ, রাসেল ও মনার দেওয়া তথ্যানুযায়ী মগবাজার রেলগেটসংলগ্ন নাসির স্টিলের সামনের পাকা রাস্তা থেকে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃ ত একটি রেঞ্চ ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়।

ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাহাদাৎ হোসেন সুমা যুগান্তরকে বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে মোরশেদের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছয়টি, মনার নামে দুটি এবং রাসেলের নামে একটি মামলা রয়েছে। তারা বাসার গ্রিল কেটে প্রবেশ করে লোকজনের হাত-পা বেঁধে ডাকাতিসহ নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত করে। এ চক্রের সদস্যদের মধ্যে যে ভদ্রবেশী গ্র“প রয়েছে তার অন্যতম সদস্য হৃ দয়। সে সুন্দর করে কথা বলে। গ্রেফতার সবাই তার নাম জানলেও তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারছে না। সে সব সময় মাস্ক পরে চলাফেলা করে। বয়স খুব বেশি না। গ্র“পের সবাই তাকে ‘ভাই’ বলে ডাকে। আমরা তার ভয়েস রেকর্ড পেয়েছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে এডিসি সুমা বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের দুটি মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য মামলাগুলোয় তাদের রিমান্ডে আনা হবে। তিনি বলেন, ডাকাত চক্রের এ সদস্যরা টার্গেট করা বাড়ি দিনের বেলায় রেকি করে। রেকির কাজটি মূলত হৃ দয়ই করে। কোন দিক দিয়ে ঢুকবে, ডাকাতি বা চুরি শেষে কোন দিক দিয়ে বের হবে-তা দিনের বেলায়ই নির্ধারণ করা হয়। রেকি করা শেষে হৃ দয় সবাইকে ডেকে ডাকাতির প্রস্তুতির জন্য বৈঠক করে। এ জন্য তারা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে। হৃ দয় খুব চালাক প্রকৃতির। গ্র“পের অন্য সদস্যরা তাকে কোথাও ডাকলে সে যায় না। তবে সে কাউকে ডাকলে সবাই তার কাছে যায়। সে কাউকে নিজের চেহারা দেখায় না।

রিমান্ডে থাকা আসামিদের পরিচয় জানতে চাইলে ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, মোরশেদের মূল পেশা ডাকাতি। তার বয়স যখন ১০-১১ বছর তখন কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে কমলাপুরে এসে কুলির কাজ শুরু করে। কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাইও করত। এরপর সে ডাকাতিতে জড়ায়। ডাকাতির টাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য কিনে তা বিক্রিও করে।

ডাকাতির টাকায় মাদক ব্যবসা

ছয় ঘটনায় জড়িত ২০ জন

 সিরাজুল ইসলাম 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীতে ডাকাত চক্রের ২০ সদস্যের সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সাম্প্রতিক ছয়টি ডাকাতির ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তারা অস্ত্র ছিনতাইয়ের সঙ্গেও জড়িত। তিন থেকে চারটি গ্র“পে কাজ করে এ চক্রের সদস্যরা। তারা ডাকাতির টাকায় মাদক ব্যবসাও করে। ইয়াবা ব্যবসাকে তারা বেশি গুরুত্ব দেয়। রামপুরা, শাহজাহানপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ইয়াবা বিক্রি করে তারা। চক্রের কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যে ইয়াবাসহ গ্রেফতারও হয়েছে। তারা এখন ডিবির রিমান্ডে আছে। একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতারের পর অন্য ডাকাতির ঘটনাগুলোও তারা স্বীকার করেছে। রিমান্ডে তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী অন্যদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের মধ্যে একটি গ্র“পের দলনেতা হলো মোরশেদ ওরফে হাড্ডি মোরশেদ। যারা এখনো গ্রেফতার হয়নি তাদের মধ্যে একজন কলেজছাত্র। হৃ দয় নামের ওই ছাত্র মূলত নেপথ্যে কাজ করে। ভদ্রবেশী এ হৃ দয় গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। হৃ দয়ের মতো আরও যারা ‘ভদ্র গ্র“পের’ সদস্য হিসাবে পরিচিত তাদের মধ্যে হৃ দয় এবং অর্ণবের নাম রয়েছে। যেকোনো সময় তারা গ্রেফতার হতে পারে।

ডিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯ ফেব্র“য়ারি মোরশেদ হোসেন ওরফে হাড্ডি মোরশেদ, জাহিদ শেখ, আরমান হোসেন, কবির হোসেন মনা ও রাসেলকে গ্রেফতার করে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি টিম। এদের মধ্যে আরমান বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ এর আগে গ্রেফতার হয়ে ২৯ ডিসেম্বর জেলে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই সে জামিন পেয়ে যায়। ডিবির রিমান্ডে গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, তারা গত ৮ ডিসেম্বর হাতিরঝিল থানা এলাকার ৫৫ নম্বর পশ্চিম হাজীপাড়ার একটি বাসায় ডাকাতি করে। এ সময় বাসার সদস্যদের চাপাতি ও অন্যান্য অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি ৩২ বোরের পিস্তল, ৫৯ রাউন্ড গুলি, ৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ডলারসহ ৫০ লাখ ২২ হাজার টাকার মালামাল লুট করে। ২০ অক্টোবর একই থানাধীন বিশাল সেন্টারের পাশের একটি বাসায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, নগদ আড়াই লাখ টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে। এ ছাড়া হাতিরঝিল থানাধীন এলাকায় ২০ ও ২৮ ডিসেম্বর, শেরেবাংলা নগরে ১২ জানুয়ারি এবং লালমাটিয়ায় ৭ জানুয়ারি ডাকাতির কথা স্বীকার করেছে। সম্প্রতি রাফা প্লাজায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর স্বর্ণ চুরির ঘটনায় তারা জড়িতে কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিবি তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, একইদিনে গ্রেফতার পাঁচ ডাকাতের মধ্যে গুপ্তচরের দেওয়া তথ্যানুযায়ী প্রথমে হাতিরঝিল মহানগর প্রকল্প দুই নম্বর ব্রিজসংলগ্ন ফ্লাইওভারের পশ্চিম পাশ থেকে গ্রেফতার করা হয় মোরশেদকে। তার কাছ থেকে একটি রিভলভার, ৫০ রাউন্ড গুলি, নগদ দুই লাখ টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃ ত একটি রেঞ্চ, একটি লোহার তালা ও গ্রিল ভাঙার একটি লিবার উদ্ধার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী রামপুরা ব্রিজসংলগ্ন ময়লার ডাম্পিংয়ের সামনে থেকে রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়। রাসেলের কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা, ডাকাতিতে ব্যবহৃ ত একটি ছোরা এবং একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। মোরশেদ ও রাসেলের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী তেজগাঁওয়ের আইমর হোটেলের সামনে থেকে কবির হোসেন ওরফে মনাকে গ্রেফতার করা হয়। মনার কাছ থেকে এক জোড়া কানের দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, নগদ তিন লাখ টাকা, ডাকাতিতে ব্যবহৃ ত একটি লোহার তালা, গ্রিল ভাঙার লিবার ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়। মোরশেদ, রাসেল ও মনার দেওয়া তথ্যানুযায়ী মগবাজার রেলগেটসংলগ্ন নাসির স্টিলের সামনের পাকা রাস্তা থেকে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃ ত একটি রেঞ্চ ও একটি চাপাতি জব্দ করা হয়।

ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) সাহাদাৎ হোসেন সুমা যুগান্তরকে বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে মোরশেদের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছয়টি, মনার নামে দুটি এবং রাসেলের নামে একটি মামলা রয়েছে। তারা বাসার গ্রিল কেটে প্রবেশ করে লোকজনের হাত-পা বেঁধে ডাকাতিসহ নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত করে। এ চক্রের সদস্যদের মধ্যে যে ভদ্রবেশী গ্র“প রয়েছে তার অন্যতম সদস্য হৃ দয়। সে সুন্দর করে কথা বলে। গ্রেফতার সবাই তার নাম জানলেও তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারছে না। সে সব সময় মাস্ক পরে চলাফেলা করে। বয়স খুব বেশি না। গ্র“পের সবাই তাকে ‘ভাই’ বলে ডাকে। আমরা তার ভয়েস রেকর্ড পেয়েছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে এডিসি সুমা বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের দুটি মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য মামলাগুলোয় তাদের রিমান্ডে আনা হবে। তিনি বলেন, ডাকাত চক্রের এ সদস্যরা টার্গেট করা বাড়ি দিনের বেলায় রেকি করে। রেকির কাজটি মূলত হৃ দয়ই করে। কোন দিক দিয়ে ঢুকবে, ডাকাতি বা চুরি শেষে কোন দিক দিয়ে বের হবে-তা দিনের বেলায়ই নির্ধারণ করা হয়। রেকি করা শেষে হৃ দয় সবাইকে ডেকে ডাকাতির প্রস্তুতির জন্য বৈঠক করে। এ জন্য তারা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে। হৃ দয় খুব চালাক প্রকৃতির। গ্র“পের অন্য সদস্যরা তাকে কোথাও ডাকলে সে যায় না। তবে সে কাউকে ডাকলে সবাই তার কাছে যায়। সে কাউকে নিজের চেহারা দেখায় না।

রিমান্ডে থাকা আসামিদের পরিচয় জানতে চাইলে ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, মোরশেদের মূল পেশা ডাকাতি। তার বয়স যখন ১০-১১ বছর তখন কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে কমলাপুরে এসে কুলির কাজ শুরু করে। কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাইও করত। এরপর সে ডাকাতিতে জড়ায়। ডাকাতির টাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য কিনে তা বিক্রিও করে।