কসবায় সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি
jugantor
কসবায় সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি
জনমনে অজানা আতঙ্ক

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

০৭ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় শুক্রবার আইনমন্ত্রীর সামনে দিনভর সংঘর্ষের পর ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনা অনুসন্ধান করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সংঘর্ষের জন্য পৌরসভার বর্তমান মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল ও তার প্রতিপক্ষ মেয়র প্রার্থী এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমএ আজিজ একে অপরকে দায়ী করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

শনিবার সকাল থেকে কসবা পৌর শহরের পরিবেশ মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেলেও এখনো কাটেনি জনমনে আতঙ্ক। পৌর বাসিন্দারা বাসা-বাড়ি থেকে শহরে প্রয়োজনীয় কাজে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন। স্থানীয়রা যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ৭ মার্চ উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো সংঘাত আবার তৈরি হয় কিনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পৌর শহরের কয়েকটি পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আইনমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পালটাপালটি স্লোগান দেওয়া নিয়ে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের সামনে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দলীয় নেতাকর্মীরা। দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যেই বেলা পৌনে ১১টায় মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তার নির্ধারিত সভায় যোগ দেন। পরে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করায় মন্ত্রী তার বক্তব্য অসম্পূর্ণ রেখে সংঘর্ষের মাঝেই করা পুলিশি প্রহরায় সভাস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ ২ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার রাতে কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলামের বাড়িতে এমএ আজিজের সমর্থকরা হামলা চালায়। পুলিশ পরিস্থিতিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবারের ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। এরপরও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ সব সময় সতর্ক আছে। তবে হামলার ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি।

কসবায় সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা পরও মামলা হয়নি

জনমনে অজানা আতঙ্ক
 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
০৭ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় শুক্রবার আইনমন্ত্রীর সামনে দিনভর সংঘর্ষের পর ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনা অনুসন্ধান করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সংঘর্ষের জন্য পৌরসভার বর্তমান মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল ও তার প্রতিপক্ষ মেয়র প্রার্থী এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এমএ আজিজ একে অপরকে দায়ী করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

শনিবার সকাল থেকে কসবা পৌর শহরের পরিবেশ মোটামুটি স্বাভাবিক দেখা গেলেও এখনো কাটেনি জনমনে আতঙ্ক। পৌর বাসিন্দারা বাসা-বাড়ি থেকে শহরে প্রয়োজনীয় কাজে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন। স্থানীয়রা যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ৭ মার্চ উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো সংঘাত আবার তৈরি হয় কিনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পৌর শহরের কয়েকটি পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আইনমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পালটাপালটি স্লোগান দেওয়া নিয়ে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের সামনে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দলীয় নেতাকর্মীরা। দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যেই বেলা পৌনে ১১টায় মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তার নির্ধারিত সভায় যোগ দেন। পরে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করায় মন্ত্রী তার বক্তব্য অসম্পূর্ণ রেখে সংঘর্ষের মাঝেই করা পুলিশি প্রহরায় সভাস্থল ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ ২ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার রাতে কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী আজহারুল ইসলামের বাড়িতে এমএ আজিজের সমর্থকরা হামলা চালায়। পুলিশ পরিস্থিতিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। কসবা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। শুক্রবারের ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। এরপরও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ সব সময় সতর্ক আছে। তবে হামলার ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন