নন্দীগ্রামে দোকান দখলের চেষ্টা ছাত্রলীগ নেতার
jugantor
নন্দীগ্রামে দোকান দখলের চেষ্টা ছাত্রলীগ নেতার

  বগুড়া ব্যুরো  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মিলন কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে ক্ষুদে ব্যবসায়ী জহির শেখকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গার অস্থায়ী দোকান থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। হুমকির মুখে থাকা ওই ব্যবসায়ী এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

জানা গেছে, জহির ১৪ বছর ধরে রণবাঘা বাসস্ট্যান্ডে ওই জায়গায় দোকান করে মুদি ও ফলমূলের ব্যবসা করছেন। সম্প্রতি রূপম হোসেন নামে এক ব্যক্তি ওই জায়গার মালিকানা দাবি করেন। তিনি মিলনের কাছে জায়গাটি বিক্রি করে দেন। এরপর থেকে মিলন ওই জায়গা থেকে সরে যেতে জহিরের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। স্থানীয় অনেকের অভিযোগ, সরকারি জায়গা কেনাবেচা করার ক্ষমতা না থাকলেও কিছু প্রভাবশালী সড়কের পাশের জায়গা মুখেমুখে কেনাবেচা করছেন। আবার কারও দখলে থাকা জায়গা অন্যের কাছে বিক্রি করে সরে যাচ্ছেন। বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান জানান, তাদের জায়গা কেউ কেনাবেচা করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জমি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে রূপম দাবি করেন, তিনি তার দোকান জহিরকে ভাড়া দিয়েছেন। এখন জহির ওই জায়গা নিজের দাবি করে পেছনের অংশ বিক্রির চেষ্টা করছেন। তাই রণবাঘা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মিলনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

মিলন কুমার কর্মকার জানান, তিনি কারো কাছে জায়গা কেনেননি বা কাউকে উচ্ছেদের হুমকি দেননি। নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শুভ আহমেদ বলেন, সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কেউ জায়গা দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নন্দীগ্রামে দোকান দখলের চেষ্টা ছাত্রলীগ নেতার

 বগুড়া ব্যুরো 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মিলন কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে ক্ষুদে ব্যবসায়ী জহির শেখকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গার অস্থায়ী দোকান থেকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। হুমকির মুখে থাকা ওই ব্যবসায়ী এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

জানা গেছে, জহির ১৪ বছর ধরে রণবাঘা বাসস্ট্যান্ডে ওই জায়গায় দোকান করে মুদি ও ফলমূলের ব্যবসা করছেন। সম্প্রতি রূপম হোসেন নামে এক ব্যক্তি ওই জায়গার মালিকানা দাবি করেন। তিনি মিলনের কাছে জায়গাটি বিক্রি করে দেন। এরপর থেকে মিলন ওই জায়গা থেকে সরে যেতে জহিরের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। স্থানীয় অনেকের অভিযোগ, সরকারি জায়গা কেনাবেচা করার ক্ষমতা না থাকলেও কিছু প্রভাবশালী সড়কের পাশের জায়গা মুখেমুখে কেনাবেচা করছেন। আবার কারও দখলে থাকা জায়গা অন্যের কাছে বিক্রি করে সরে যাচ্ছেন। বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান জানান, তাদের জায়গা কেউ কেনাবেচা করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জমি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে রূপম দাবি করেন, তিনি তার দোকান জহিরকে ভাড়া দিয়েছেন। এখন জহির ওই জায়গা নিজের দাবি করে পেছনের অংশ বিক্রির চেষ্টা করছেন। তাই রণবাঘা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মিলনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

মিলন কুমার কর্মকার জানান, তিনি কারো কাছে জায়গা কেনেননি বা কাউকে উচ্ছেদের হুমকি দেননি। নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শুভ আহমেদ বলেন, সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কেউ জায়গা দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন