হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু
jugantor
হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসির ভবনে এক হাজার শয্যার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১৪ জন রোগী দেশের সবচেয়ে করোনা হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। দুপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত রোগী ভর্তি করা হয় সেখানে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই রোগীরা এসেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়। এখন যারা করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে মানিকগঞ্জ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালটিতে আসেন খায়রুল আলম (৫৫)। তার বড় ছেলে নাহিয়ান জানান, গত তিন দিন আগে তার বাবার শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই দুদিন তাকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছিল। এই হাসপাতালের খবর পেয়ে চিকিৎসার জন্য এখানে এসেছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরউদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের হাসপাতাল প্রস্তুত আছে। রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য আমরা তৈরি। আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘটতি নেই। এর আগে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে রোববার দুপুরে এই হাসপাতালের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদ মালেক বলেন, মাত্র ২০ দিনের মধ্যে এই হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে এক হাজার শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক আইসিইউ সমমানের শয্যা তৈরি করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ রয়েছে ১১২টি, এইচডিইউ ১০০টি। তবে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউর চেয়ে অক্সিজেনের দরকার বেশি হয়। তাই এই হাসপাতালে প্রতিটি শয্যায় অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন রয়েছে। পাশাপাশি ডায়ালাইসিসের জন্য পাঁচটি শয্যা রয়েছে। এ ছাড়া ১০টি ভিআইপি কেবিন ও ৮টি এসি কেবিন স্থাপন করা হয়েছে।

হাজার শয্যার করোনা হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসির ভবনে এক হাজার শয্যার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১৪ জন রোগী দেশের সবচেয়ে করোনা হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। দুপুর পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত রোগী ভর্তি করা হয় সেখানে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওই রোগীরা এসেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি কার্যক্রম সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়। এখন যারা করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে মানিকগঞ্জ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালটিতে আসেন খায়রুল আলম (৫৫)। তার বড় ছেলে নাহিয়ান জানান, গত তিন দিন আগে তার বাবার শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই দুদিন তাকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তবে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছিল। এই হাসপাতালের খবর পেয়ে চিকিৎসার জন্য এখানে এসেছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিরউদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের হাসপাতাল প্রস্তুত আছে। রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য আমরা তৈরি। আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘটতি নেই। এর আগে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে রোববার দুপুরে এই হাসপাতালের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদ মালেক বলেন, মাত্র ২০ দিনের মধ্যে এই হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে এক হাজার শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক আইসিইউ সমমানের শয্যা তৈরি করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ রয়েছে ১১২টি, এইচডিইউ ১০০টি। তবে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউর চেয়ে অক্সিজেনের দরকার বেশি হয়। তাই এই হাসপাতালে প্রতিটি শয্যায় অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন রয়েছে। পাশাপাশি ডায়ালাইসিসের জন্য পাঁচটি শয্যা রয়েছে। এ ছাড়া ১০টি ভিআইপি কেবিন ও ৮টি এসি কেবিন স্থাপন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন