দক্ষিণাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় আরও দেড় হাজার ডায়রিয়া রোগী
jugantor
দক্ষিণাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় আরও দেড় হাজার ডায়রিয়া রোগী

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত দেড় হাজার মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে মারা গেছেন দুজন। এ নিয়ে বেসরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৬ জন। বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত এ রোগ। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্স। এছাড়া শয্যা সংকটে বেশিরভাগ রোগীই ওয়ার্ডের মেঝে বা করিডোরে ঠাঁই নিয়েছেন। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাক্তার শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, বিশুদ্ধ পানি পান না করা আর খোলা খাবার খাওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই ডায়রিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত গভীর নলকূপের পানি ও বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিয়ে পানি ফুটিয়ে পান করা এবং বিশুদ্ধ খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই। এদিকে খুলনায়ও শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্তের হার বাড়ছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বরিশাল : বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৪২ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে গত ৪ মাস ২০ দিনে (১ জানু-২২ এপ্রিল পর্যন্ত) ৩৫ হাজার ২৩৯ জন আক্রান্ত হন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোলা জেলায় ৮ হাজার ৩৬০ জন, পটুয়াখালীতে ৭ হাজার ৬৪৬ জন, বরগুনায় ৫ হাজার ১৭২ জন, বরিশালে ৪ হাজার ৪৪৯, পিরোজপুরে ৪ হাজার ১৩৫ জন ও সর্বনিম্ন ঝালকাঠিতে ৩ হাজার ৭৩৯ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরিশাল সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদলের উদ্যোগে অপসো স্যালাইন লিমিটেডের সহযোগিতায় ১ হাজার আইভি স্যালাইন বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন, শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) : সরকারি হিসাবে গত ৬ দিয়ে ২৮৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (আমুয়া) ভর্তি হয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্যানুযায়ী এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। উপজেলার ছিটকী, বিনাপানি, হেতালবুনিয়া, জোড়খালী ও আমুয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটে মেঝে, করিডোর ও সিঁড়িতে ঠাঁই নিয়েছেন রোগীরা। এছাড়া আইভি স্যালাইন ও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ভোলা : চরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রাম থেকে হাসপাতালমুখী ৯৯ ভাগ রোগীই ডায়রিয়া আক্রান্ত। বেডের চেয়ে ২০ গুণ বেশি রোগীর সংখ্যা। তাই অনেকেই মেঝে-করিডোরে শুয়ে-বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ভোলা জেলা সদরের ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টায় ভর্তিকৃত ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ১৫৮। ওই সময় জেলার অপর ৬টি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৩৯৫ জন। এর মধ্যে দৌলতখানে ছিলেন ৩৩ জন, বোরহানউদ্দিনে ৬৮ জন, লালমোহন উপজেলায় ৩৫, তজুমদ্দিন উপজেলায় ২২, চরফ্যাশন উপজেলায় ৬২ ও মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জন। ডাক্তাররা জানান, বৃষ্টি হলে এবং তাপমাত্রা কমে এলে ডায়রিয়ার প্রকোপ কমে আসবে।

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) : বাকেরগঞ্জে বৃহস্পতিবারও ডায়রিয়ায় এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাবিবা জুয়াইরিয়া জানান, বৃহস্পতিবার অরুন সাহা (৬০) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন।

মির্জাগঞ্জ ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) : গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ জন। এ নিয়ে গত ৭ দিনে আক্রান্ত হলেন ৫১৬ জন। বৃহস্পতিবার সকালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মির্জাগঞ্জ গ্রামের আ. জব্বারের স্ত্রী খুশি বেগম। মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়ায় প্রকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে প্রায় আড়াই হাজার ব্যাগ আইভি স্যালাইন মজুদ রয়েছে। স্যালাইন সংকট না থাকলেও রোগীর চাপ বাড়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।

দুমকি (পটুয়াখালী) : দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক হাজার প্যাকেট ডায়রিয়া স্যালাইন প্রদান করলেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. আবদুল ওহাব মিনার। বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী ও সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলমের হাতে তিনি এসব ডায়রিয়ার স্যালাইন হস্তান্তর করেন।

খুলনা : খুলনায় শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্তের হার বাড়ছে। যে কারণে খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালেও বাড়ছে শিশু রোগী। জানা গেছে, এ হাসপাতালে চলতি মাসে ৭৯৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে ২৩৬ জনই ডায়রিয়া আক্রান্ত ছিলেন। বর্তমানে প্রতিদিনই ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আল অমিন রাকিব বলেন, আগের তুলনায় ডায়রিয়ার রোগী বাড়লেও রোগীরা আমাদের এখানে পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছেন। আসন কিংবা ওষুধের কোনো সংকট নেই।

দক্ষিণাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় আরও দেড় হাজার ডায়রিয়া রোগী

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত দেড় হাজার মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে মারা গেছেন দুজন। এ নিয়ে বেসরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৬ জন। বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত এ রোগ। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্স। এছাড়া শয্যা সংকটে বেশিরভাগ রোগীই ওয়ার্ডের মেঝে বা করিডোরে ঠাঁই নিয়েছেন। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাক্তার শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, বিশুদ্ধ পানি পান না করা আর খোলা খাবার খাওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাই ডায়রিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত গভীর নলকূপের পানি ও বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দিয়ে পানি ফুটিয়ে পান করা এবং বিশুদ্ধ খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই। এদিকে খুলনায়ও শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্তের হার বাড়ছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বরিশাল : বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৪২ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে গত ৪ মাস ২০ দিনে (১ জানু-২২ এপ্রিল পর্যন্ত) ৩৫ হাজার ২৩৯ জন আক্রান্ত হন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোলা জেলায় ৮ হাজার ৩৬০ জন, পটুয়াখালীতে ৭ হাজার ৬৪৬ জন, বরগুনায় ৫ হাজার ১৭২ জন, বরিশালে ৪ হাজার ৪৪৯, পিরোজপুরে ৪ হাজার ১৩৫ জন ও সর্বনিম্ন ঝালকাঠিতে ৩ হাজার ৭৩৯ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরিশাল সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদলের উদ্যোগে অপসো স্যালাইন লিমিটেডের সহযোগিতায় ১ হাজার আইভি স্যালাইন বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন, শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) : সরকারি হিসাবে গত ৬ দিয়ে ২৮৩ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (আমুয়া) ভর্তি হয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্যানুযায়ী এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। উপজেলার ছিটকী, বিনাপানি, হেতালবুনিয়া, জোড়খালী ও আমুয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকটে মেঝে, করিডোর ও সিঁড়িতে ঠাঁই নিয়েছেন রোগীরা। এছাড়া আইভি স্যালাইন ও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ভোলা : চরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রাম থেকে হাসপাতালমুখী ৯৯ ভাগ রোগীই ডায়রিয়া আক্রান্ত। বেডের চেয়ে ২০ গুণ বেশি রোগীর সংখ্যা। তাই অনেকেই মেঝে-করিডোরে শুয়ে-বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ভোলা জেলা সদরের ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টায় ভর্তিকৃত ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ১৫৮। ওই সময় জেলার অপর ৬টি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৩৯৫ জন। এর মধ্যে দৌলতখানে ছিলেন ৩৩ জন, বোরহানউদ্দিনে ৬৮ জন, লালমোহন উপজেলায় ৩৫, তজুমদ্দিন উপজেলায় ২২, চরফ্যাশন উপজেলায় ৬২ ও মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জন। ডাক্তাররা জানান, বৃষ্টি হলে এবং তাপমাত্রা কমে এলে ডায়রিয়ার প্রকোপ কমে আসবে।

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) : বাকেরগঞ্জে বৃহস্পতিবারও ডায়রিয়ায় এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাবিবা জুয়াইরিয়া জানান, বৃহস্পতিবার অরুন সাহা (৬০) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন।

মির্জাগঞ্জ ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) : গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ জন। এ নিয়ে গত ৭ দিনে আক্রান্ত হলেন ৫১৬ জন। বৃহস্পতিবার সকালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মির্জাগঞ্জ গ্রামের আ. জব্বারের স্ত্রী খুশি বেগম। মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়ায় প্রকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে প্রায় আড়াই হাজার ব্যাগ আইভি স্যালাইন মজুদ রয়েছে। স্যালাইন সংকট না থাকলেও রোগীর চাপ বাড়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে।

দুমকি (পটুয়াখালী) : দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক হাজার প্যাকেট ডায়রিয়া স্যালাইন প্রদান করলেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মেজর (অব.) ডা. আবদুল ওহাব মিনার। বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী ও সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলমের হাতে তিনি এসব ডায়রিয়ার স্যালাইন হস্তান্তর করেন।

খুলনা : খুলনায় শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্তের হার বাড়ছে। যে কারণে খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালেও বাড়ছে শিশু রোগী। জানা গেছে, এ হাসপাতালে চলতি মাসে ৭৯৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে ২৩৬ জনই ডায়রিয়া আক্রান্ত ছিলেন। বর্তমানে প্রতিদিনই ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আল অমিন রাকিব বলেন, আগের তুলনায় ডায়রিয়ার রোগী বাড়লেও রোগীরা আমাদের এখানে পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছেন। আসন কিংবা ওষুধের কোনো সংকট নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন