গাইবান্ধায় হাসান আলী হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি
jugantor
গাইবান্ধায় হাসান আলী হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ‘হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চ’। বৃহস্পতিবার জাসদ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

মঞ্চের আহ্বায়ক ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপের সভাপতিত্বে সভায় সিপিবির জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ, গণফোরামের জেলা সভাপতি ময়নুল ইসলাম রাজা, ওয়াজিউর রহমান রাফেল, জাসদের জেলা সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, মনজুর আলম মিঠু, গোলাম রব্বানী, মোস্তফা মনিরুজ্জামান, কাজী আবু রাহেন শফিউল্যাহ, মৃণাল কান্তি বর্মণ, রেজাউন্নবী রাজু, জাহাঙ্গীর কবির তনু, গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা গোবিন্দলাল দাস, সাংবাদিক দীপক কুমার পাল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, হাসান আলী হত্যার ঘটনায় ওসি (তদন্ত) ও পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করলেই হবে-না, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। এই হত্যার দায় সদর থানার ওসি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাকে আসামি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পুলিশকে বাঁচানোর নানা রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাদীর এজাহারে বর্ণিত ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে মিথ্যা ফরওয়ার্ডিং দেওয়া হয়েছে। তাই পুরো ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। অতীতে তিশা হত্যা, সাজিদ হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, হাসান হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহের ষড়যন্ত্র হলে গাইবান্ধাবাসী তা প্রতিহত করবে।

উল্লেখ্য, সুদের টাকা পরিশোধ না-করায় ৫ মার্চ পাদুকা ব্যবসায়ী হাসান আলীকে অপহরণ করেন গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত উপ-দপ্তর সম্পাদক শহরের চিহ্নিত দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। পরে হাসান আলীর লাশ মাসুদ রানার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রায় এক মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ব্যবসায়ী হাসান আলীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

হাসান আলীর স্ত্রী বীথি বেগম জানান, তার দেওয়া এজাহারের ফরওয়ার্ডিং পালটে পুলিশ কর্মকর্তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি তার স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেন।

এদিকে জেলা পুলিশের তদন্ত টিম পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের কাছে দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে শহরে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, পুলিশ কর্মকর্তাদের বাঁচানোর জন্যই তদন্ত রিপোর্টে সঠিক চিত্র উঠে আসেনি।

গাইবান্ধায় হাসান আলী হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ‘হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চ’। বৃহস্পতিবার জাসদ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

মঞ্চের আহ্বায়ক ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপের সভাপতিত্বে সভায় সিপিবির জেলা সভাপতি মিহির ঘোষ, গণফোরামের জেলা সভাপতি ময়নুল ইসলাম রাজা, ওয়াজিউর রহমান রাফেল, জাসদের জেলা সভাপতি গোলাম মারুফ মনা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জনি, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, মনজুর আলম মিঠু, গোলাম রব্বানী, মোস্তফা মনিরুজ্জামান, কাজী আবু রাহেন শফিউল্যাহ, মৃণাল কান্তি বর্মণ, রেজাউন্নবী রাজু, জাহাঙ্গীর কবির তনু, গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা গোবিন্দলাল দাস, সাংবাদিক দীপক কুমার পাল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

তারা বলেন, হাসান আলী হত্যার ঘটনায় ওসি (তদন্ত) ও পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করলেই হবে-না, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। এই হত্যার দায় সদর থানার ওসি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাকে আসামি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পুলিশকে বাঁচানোর নানা রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাদীর এজাহারে বর্ণিত ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে মিথ্যা ফরওয়ার্ডিং দেওয়া হয়েছে। তাই পুরো ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। অতীতে তিশা হত্যা, সাজিদ হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, হাসান হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহের ষড়যন্ত্র হলে গাইবান্ধাবাসী তা প্রতিহত করবে।

উল্লেখ্য, সুদের টাকা পরিশোধ না-করায় ৫ মার্চ পাদুকা ব্যবসায়ী হাসান আলীকে অপহরণ করেন গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত উপ-দপ্তর সম্পাদক শহরের চিহ্নিত দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানা। পরে হাসান আলীর লাশ মাসুদ রানার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রায় এক মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ব্যবসায়ী হাসান আলীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

হাসান আলীর স্ত্রী বীথি বেগম জানান, তার দেওয়া এজাহারের ফরওয়ার্ডিং পালটে পুলিশ কর্মকর্তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি তার স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেন।

এদিকে জেলা পুলিশের তদন্ত টিম পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের কাছে দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে শহরে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, পুলিশ কর্মকর্তাদের বাঁচানোর জন্যই তদন্ত রিপোর্টে সঠিক চিত্র উঠে আসেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন