ঈদের সেমাই চিনি কেনার হিড়িক
jugantor
ঈদের সেমাই চিনি কেনার হিড়িক
জমজমাট খাদ্যপণ্যের বাজার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পোশাকের পর এবার মানুষ ছুটছে সেমাই-চিনির বাজারে। ফলে জমজমাট হয়ে উঠেছে খাদ্যপণ্যের বাজার। সুপারশপগুলোয়ও ভিড় বেড়েছে। ভোক্তারা ঈদের সেমাই, চিনি, ঘি, পোলার চাল, গরম মসলা ও মাংস কেনাকাটা করছে। নিু আয়ের মানুষ চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলেও পরিবারের ছোট ছেলে-মেয়ের মুখে একটু ভালো খাবার তুলে দিতে সাধ্য অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন। সোমবার সরেজমিন রাজধানীর বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ও সুপারশপ ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এ দিন রাজধানীর কাওরান বাজার, মালিবাগ বাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার, রামপুরাসহ বিভিন্ন স্থানের ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও সুপারশপ ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার চাহিদামতো পণ্য বিক্রি করতে দোকানের সামনেই বিভিন্ন মানের সেমাই আর মসলার পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। এসব স্থানে ক্রেতাদের পণ্য কিনতে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেমাই চিনি ও মসলা ছাড়াও গুঁড়ো দুধ, ঘি, সয়াবিন তেল, নারিকেল, সুগন্ধি চাল, কিশমিশ, বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদামসহ বিভিন্ন পণ্য ভালো বিক্রি হচ্ছে।

সেমাই : ঈদের আয়োজন যেন সেমাই ছাড়া চলেই না। তাই প্রতিবছরই ঈদ এলে সেমাইয়ের কদর বেড়ে যায়। রাজধানীর রামপুরা বাজারে সেমাই কিনতে আসা রোকনুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ঈদে বাসা-বাড়িতে সেমাই না হলে চলে না। ঈদের দিন সকাল থেকেই আত্মীয়রা আসতে থাকে। এবার করোনাকালে না হয় আসবে না। কিন্তু বাড়িতে ঈদের দিন সেমাই ছাড়া চিন্তাই করা যায় না।

রাজধানীর রমপুরা বাজার ও কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা চিকন সেমাই কেজিপ্রতি মান ও দোকান ভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর প্যাকেটজাত সেমাই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চিকন সেমাই ২০০ গ্রাম প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকা। অন্যদিকে খোলা লাচ্ছা সেমাই কেজি প্রতি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হয়েছে ৩০-৬০ টাকা।

গুঁড়া দুধ : সেমাই, ফিরনি রান্নার অপরিহার্য অনুষঙ্গ গুঁড়ো দুধের বিক্রিও বেড়েছে। চাহিদা বাড়ায় বিক্রেতারাও গুঁড়া দুধের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারসহ ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও সুপার শপ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর শান্তিনগরে মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে গুঁড়া দুধ কিনতে আসা জাহিদুল বলেন, সেমাইসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন বানাতে দুধের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া রাজধানীতে খাঁটি তরল দুধ সচরাচর পাওয়া যায় না, তাই গুঁড়া দুধের ওপরই ভরসা করতে হয়। একই স্থানের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডানো প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৬২০ টাকা। প্রতি কেজি ডিপ্লোমা গুঁড়া দুধ বিক্রি হয়েছে ৬৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ৬৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চিনি : কাওরান বাজারে চিনি কিনতে আসা হাফিজ উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, রমজানজুড়ে চিনির দাম বাড়তির দিকে ছিল। সপ্তাহের ব্যবধানে ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা আরেক ধাপ চিনির দাম বাড়িয়েছে। একই বাজারে ব্যবসায়ী আব্দুল রাজ্জাক বলেন, পাইকারি বাজারে চিনির দাম বেশি। বেশি দামে কিনে আনতে হয়, তাই বেশি দামেই বিক্রি করছি। তিনি আরও বলেন, যে খোলা চিনি এক সপ্তাহ আগে সর্বোচ্চ ৭২ টাকায় বিক্রি করেছি, তা এখন ৭৬ টাকায় বিক্রি করছি। প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকা কেজি, যা সাতদিন আগে ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

গরম মসলা : ঈদকে কেন্দ্র করে গরম মসলার বিক্রিও বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে দামও। গত সপ্তাহে যে জিরা প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ, কিশমিশ, দারুচিনির দামও কিছুটা বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি এলাচ ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ২৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বিক্রেতারা প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি করছে ৮০০ টাকায়, যা সাতদিন আগে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা, যা সাতদিন আগে ৪৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কাওরান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন যুগান্তরকে জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়তি চাহিদাকে সামনে রেখে মসলার বাজার কিছুটা চড়া।

একই বাজারে মসলা কিনতে আসা হাসিনা বেগম যুগান্তরকে বলেন, ঈদের দিন বাড়িতে কিছু না কিছু ভালোমন্দ রান্না করতে হয়। তাই খাবার তৈরি করতে বিভিন্ন ধরনের মসলার প্রয়োজন হয়। তিনি আরও বলেন, চাকরির কারণে সাধারণত বাজারে আসা হয় না। মাঝেমধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী বাসার পাশের মুদি দোকান থেকে মসলা কিনতে হয়। কিন্তু ঈদে বেশি মসলার প্রয়োজন হওয়ায় বাজারে চলে এসেছি। তবে মনে হচ্ছে, সব মসলার দাম একটু বেশি।

মাংসের বাজার : ঈদকে ঘিরে অস্থির হয়ে উঠছে মাংসের বাজার। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, মাংসের দোকানে ক্রেতার ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। রাজধানীর বাজারগুলোয় সব শ্রেণির মানুষ তাদের চাহিদামতো মাংস কিনে বাড়ি ফিরছে। আর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিক্রেতারা আবারও দাম নিয়ে কারসাজি শুরু করেছে। বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকা, যা এক মাস আগেও ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৯০-৬২০ টাকা। কাওরান বাজারের মাংস ব্যবসায়ী হারুন সিকদার বলেন, সামনে ঈদ, তাই মাংসের দাম একটু বেশিই রাখা হচ্ছে। আর ঈদের আগ পর্যন্ত মাংসের দাম আরও বাড়বে বলেও তিনি জানান।

এদিকে বাজারে এদিন ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৫৫ টাকা কেজিত, যা সাতদিন আগেও ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। লেয়ার প্রতি কেজি ২৩০-২৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাতদিন আগে ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাকিস্তানি মুরগি ২৪০-২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ঈদের সেমাই চিনি কেনার হিড়িক

জমজমাট খাদ্যপণ্যের বাজার
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পোশাকের পর এবার মানুষ ছুটছে সেমাই-চিনির বাজারে। ফলে জমজমাট হয়ে উঠেছে খাদ্যপণ্যের বাজার। সুপারশপগুলোয়ও ভিড় বেড়েছে। ভোক্তারা ঈদের সেমাই, চিনি, ঘি, পোলার চাল, গরম মসলা ও মাংস কেনাকাটা করছে। নিু আয়ের মানুষ চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলেও পরিবারের ছোট ছেলে-মেয়ের মুখে একটু ভালো খাবার তুলে দিতে সাধ্য অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন। সোমবার সরেজমিন রাজধানীর বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ও সুপারশপ ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

এ দিন রাজধানীর কাওরান বাজার, মালিবাগ বাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার, রামপুরাসহ বিভিন্ন স্থানের ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও সুপারশপ ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার চাহিদামতো পণ্য বিক্রি করতে দোকানের সামনেই বিভিন্ন মানের সেমাই আর মসলার পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। এসব স্থানে ক্রেতাদের পণ্য কিনতে ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেমাই চিনি ও মসলা ছাড়াও গুঁড়ো দুধ, ঘি, সয়াবিন তেল, নারিকেল, সুগন্ধি চাল, কিশমিশ, বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদামসহ বিভিন্ন পণ্য ভালো বিক্রি হচ্ছে।

সেমাই : ঈদের আয়োজন যেন সেমাই ছাড়া চলেই না। তাই প্রতিবছরই ঈদ এলে সেমাইয়ের কদর বেড়ে যায়। রাজধানীর রামপুরা বাজারে সেমাই কিনতে আসা রোকনুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ঈদে বাসা-বাড়িতে সেমাই না হলে চলে না। ঈদের দিন সকাল থেকেই আত্মীয়রা আসতে থাকে। এবার করোনাকালে না হয় আসবে না। কিন্তু বাড়িতে ঈদের দিন সেমাই ছাড়া চিন্তাই করা যায় না।

রাজধানীর রমপুরা বাজার ও কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা চিকন সেমাই কেজিপ্রতি মান ও দোকান ভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর প্যাকেটজাত সেমাই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চিকন সেমাই ২০০ গ্রাম প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকা। অন্যদিকে খোলা লাচ্ছা সেমাই কেজি প্রতি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হয়েছে ৩০-৬০ টাকা।

গুঁড়া দুধ : সেমাই, ফিরনি রান্নার অপরিহার্য অনুষঙ্গ গুঁড়ো দুধের বিক্রিও বেড়েছে। চাহিদা বাড়ায় বিক্রেতারাও গুঁড়া দুধের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারসহ ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও সুপার শপ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। রাজধানীর শান্তিনগরে মা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে গুঁড়া দুধ কিনতে আসা জাহিদুল বলেন, সেমাইসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন বানাতে দুধের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া রাজধানীতে খাঁটি তরল দুধ সচরাচর পাওয়া যায় না, তাই গুঁড়া দুধের ওপরই ভরসা করতে হয়। একই স্থানের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডানো প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৬২০ টাকা। প্রতি কেজি ডিপ্লোমা গুঁড়া দুধ বিক্রি হয়েছে ৬৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ৬৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চিনি : কাওরান বাজারে চিনি কিনতে আসা হাফিজ উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, রমজানজুড়ে চিনির দাম বাড়তির দিকে ছিল। সপ্তাহের ব্যবধানে ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা আরেক ধাপ চিনির দাম বাড়িয়েছে। একই বাজারে ব্যবসায়ী আব্দুল রাজ্জাক বলেন, পাইকারি বাজারে চিনির দাম বেশি। বেশি দামে কিনে আনতে হয়, তাই বেশি দামেই বিক্রি করছি। তিনি আরও বলেন, যে খোলা চিনি এক সপ্তাহ আগে সর্বোচ্চ ৭২ টাকায় বিক্রি করেছি, তা এখন ৭৬ টাকায় বিক্রি করছি। প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকা কেজি, যা সাতদিন আগে ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

গরম মসলা : ঈদকে কেন্দ্র করে গরম মসলার বিক্রিও বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে দামও। গত সপ্তাহে যে জিরা প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এলাচ, কিশমিশ, দারুচিনির দামও কিছুটা বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি এলাচ ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ২৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বিক্রেতারা প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি করছে ৮০০ টাকায়, যা সাতদিন আগে ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা, যা সাতদিন আগে ৪৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কাওরান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন যুগান্তরকে জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়তি চাহিদাকে সামনে রেখে মসলার বাজার কিছুটা চড়া।

একই বাজারে মসলা কিনতে আসা হাসিনা বেগম যুগান্তরকে বলেন, ঈদের দিন বাড়িতে কিছু না কিছু ভালোমন্দ রান্না করতে হয়। তাই খাবার তৈরি করতে বিভিন্ন ধরনের মসলার প্রয়োজন হয়। তিনি আরও বলেন, চাকরির কারণে সাধারণত বাজারে আসা হয় না। মাঝেমধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী বাসার পাশের মুদি দোকান থেকে মসলা কিনতে হয়। কিন্তু ঈদে বেশি মসলার প্রয়োজন হওয়ায় বাজারে চলে এসেছি। তবে মনে হচ্ছে, সব মসলার দাম একটু বেশি।

মাংসের বাজার : ঈদকে ঘিরে অস্থির হয়ে উঠছে মাংসের বাজার। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, মাংসের দোকানে ক্রেতার ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। রাজধানীর বাজারগুলোয় সব শ্রেণির মানুষ তাদের চাহিদামতো মাংস কিনে বাড়ি ফিরছে। আর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিক্রেতারা আবারও দাম নিয়ে কারসাজি শুরু করেছে। বাড়িয়ে দিয়েছে দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৯০০ টাকা, যা এক মাস আগেও ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৯০-৬২০ টাকা। কাওরান বাজারের মাংস ব্যবসায়ী হারুন সিকদার বলেন, সামনে ঈদ, তাই মাংসের দাম একটু বেশিই রাখা হচ্ছে। আর ঈদের আগ পর্যন্ত মাংসের দাম আরও বাড়বে বলেও তিনি জানান।

এদিকে বাজারে এদিন ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৫৫ টাকা কেজিত, যা সাতদিন আগেও ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। লেয়ার প্রতি কেজি ২৩০-২৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাতদিন আগে ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাকিস্তানি মুরগি ২৪০-২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন