পালটাপালটি মামলায় আসামি দুই শতাধিক
jugantor
শিবচর ও পিরোজপুরে নির্বাচনি সংঘর্ষ
পালটাপালটি মামলায় আসামি দুই শতাধিক

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের শিবচর ও পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় সংঘর্ষের ঘটনায় পালটাপালটি মামলা হয়েছে। নির্বাচনি সংঘাতে মাদারীপুরে সাতজন গুলিবিদ্ধ এবং ১৫ জন আহতের ঘটনায় দুই মামলায় ৯৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের সংঘর্ষের দুই মামলায় ১৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। শিবচর (মাদারীপুর) ও পিরোজপুর প্রতিনিধির পাঠানো খবর-

মাদারীপুর: শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে করোনার কারণে স্থগিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আতিকুর রহমান মাদবর ও মনোয়ার হোসেন বেপারির মধ্যে সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৯৬ জনকে আসামি করে শিবচর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ সোমবার ভোরে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে স্থানীয় দুলাল বেপারিসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে ঘটনার পর ওইদিন রাতেই মনোয়ার হোসেন বেপারিসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গেছে, নির্বাচন নিয়ে আগে থেকেই আতিক মাদবর ও মনোয়ার বেপারির মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। তাদের দুই সমর্থকের মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন আতিক মাদবরের সমর্থক। এতে কুতুবপুর বাজারে মনোয়ার বেপারির সমর্থক সাবেক ইউপি সদস্য সালাম মাদবরকে (৬৫) দোকানে ঢুকে আতিক মাদবরের সমর্থক কাউসার বেপারিসহ কয়েকজন মারধর করে। এর জেরে রাত ৮টার দিকে সাহেব বাজারে আতিক মাদবরের সমর্থক দুলাল বেপারির মার্কেটে মনোয়ার বেপারির ছোট ভাই মানজার বেপারির নেতৃত্বে ভাঙচুর করাসহ গুলি ছোড়া হয়। এ সংঘর্ষে সাতজন গুলিবিদ্ধ ও উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।

পিরোজপুর: সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নে সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে শনিবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় সদর থানায় দুই পক্ষের পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে মোট ১৩৩ জনকে। সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী গুরুতর আহত হানিফ খানের স্ত্রী ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আক্তার রোববার সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এসএম বায়েজীদ হোসেনকে আসামি করে এজাহারভুক্ত ৪৪ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অপরদিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আহত শিহাব উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে করা মামলায় হানিফ খানসহ ৫৯ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করেছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে হানিফ খান ও তার সমর্থকদের ওপর শিহাব উদ্দিনের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হানিফকে গুরুতর আহত করে। হামলায় স্থানীয় আরও পাঁচ কর্মী আহত হন। অপরদিকে হানিফের সমর্থকরা শিহাব উদ্দিন ও তার সমর্থকদের ওপর পালটা হামলা চালিয়ে ৬-৭ জনকে আহত করে। তাদের নাজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সদর থানার ওসি মো. মাসুদুজ্জামান জানান, আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

শিবচর ও পিরোজপুরে নির্বাচনি সংঘর্ষ

পালটাপালটি মামলায় আসামি দুই শতাধিক

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের শিবচর ও পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় সংঘর্ষের ঘটনায় পালটাপালটি মামলা হয়েছে। নির্বাচনি সংঘাতে মাদারীপুরে সাতজন গুলিবিদ্ধ এবং ১৫ জন আহতের ঘটনায় দুই মামলায় ৯৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের সংঘর্ষের দুই মামলায় ১৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। শিবচর (মাদারীপুর) ও পিরোজপুর প্রতিনিধির পাঠানো খবর-

মাদারীপুর: শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে করোনার কারণে স্থগিত নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আতিকুর রহমান মাদবর ও মনোয়ার হোসেন বেপারির মধ্যে সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৯৬ জনকে আসামি করে শিবচর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। পুলিশ সোমবার ভোরে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে স্থানীয় দুলাল বেপারিসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে ঘটনার পর ওইদিন রাতেই মনোয়ার হোসেন বেপারিসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গেছে, নির্বাচন নিয়ে আগে থেকেই আতিক মাদবর ও মনোয়ার বেপারির মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। তাদের দুই সমর্থকের মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন আতিক মাদবরের সমর্থক। এতে কুতুবপুর বাজারে মনোয়ার বেপারির সমর্থক সাবেক ইউপি সদস্য সালাম মাদবরকে (৬৫) দোকানে ঢুকে আতিক মাদবরের সমর্থক কাউসার বেপারিসহ কয়েকজন মারধর করে। এর জেরে রাত ৮টার দিকে সাহেব বাজারে আতিক মাদবরের সমর্থক দুলাল বেপারির মার্কেটে মনোয়ার বেপারির ছোট ভাই মানজার বেপারির নেতৃত্বে ভাঙচুর করাসহ গুলি ছোড়া হয়। এ সংঘর্ষে সাতজন গুলিবিদ্ধ ও উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।

পিরোজপুর: সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নে সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে শনিবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় সদর থানায় দুই পক্ষের পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে মোট ১৩৩ জনকে। সরকারদলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী গুরুতর আহত হানিফ খানের স্ত্রী ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আক্তার রোববার সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান এসএম বায়েজীদ হোসেনকে আসামি করে এজাহারভুক্ত ৪৪ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অপরদিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আহত শিহাব উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে করা মামলায় হানিফ খানসহ ৫৯ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করেছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে হানিফ খান ও তার সমর্থকদের ওপর শিহাব উদ্দিনের সমর্থকরা হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হানিফকে গুরুতর আহত করে। হামলায় স্থানীয় আরও পাঁচ কর্মী আহত হন। অপরদিকে হানিফের সমর্থকরা শিহাব উদ্দিন ও তার সমর্থকদের ওপর পালটা হামলা চালিয়ে ৬-৭ জনকে আহত করে। তাদের নাজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সদর থানার ওসি মো. মাসুদুজ্জামান জানান, আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন