বিয়ের গেট দিয়ে বের হলো কনের লাশ
jugantor
গায়ে হলুদের দিন মৃত্যু
বিয়ের গেট দিয়ে বের হলো কনের লাশ

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লাল বেনারসি শাড়ি পরে শুক্রবার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটি আক্তারের। বাড়িতেও ধুমধামের সঙ্গে চলছিল সব আয়োজন। কিন্তু গায়ে হলুদের দিন বৃহস্পতিবার জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথা নিয়ে মৃত্যু হলো তার। সুসজ্জিত গেট দিয়ে বিয়ের কনের পরিবর্তে বের হলো সুইটির কাফন জড়ানো লাশ। সুইটি আক্তার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাড়াচান্দুরা গ্রামের মো. রশিদ মিয়ার মেয়ে। গায়ে হলুদের দিন মেয়েটির এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। বিয়েবাড়ির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকে।

জানা গেছে, কিছু দিন ধরে জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথায় ভুগছিলেন সুইটি। এরই মধ্যে তার বিয়ে ঠিক হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদপুরের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়ার সঙ্গে। বৃহস্পতিবার বাড়িতে চলছিল গায়ে হলুদের আনন্দ। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে চিকিৎসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় মৃত্যু হয় সুইটি আক্তারের। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে বিকালে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বিয়ের জন্য সাজানো গেট দিয়েই কবরস্থানে নেওয়া হয় সুইটি আক্তারের লাশ। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মাধবপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ওই তরুণী কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। আগে চিকিৎসা করানো হলে হয়তো তিনি বেঁচে থাকতেন। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। সুইটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

গায়ে হলুদের দিন মৃত্যু

বিয়ের গেট দিয়ে বের হলো কনের লাশ

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লাল বেনারসি শাড়ি পরে শুক্রবার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটি আক্তারের। বাড়িতেও ধুমধামের সঙ্গে চলছিল সব আয়োজন। কিন্তু গায়ে হলুদের দিন বৃহস্পতিবার জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথা নিয়ে মৃত্যু হলো তার। সুসজ্জিত গেট দিয়ে বিয়ের কনের পরিবর্তে বের হলো সুইটির কাফন জড়ানো লাশ। সুইটি আক্তার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাড়াচান্দুরা গ্রামের মো. রশিদ মিয়ার মেয়ে। গায়ে হলুদের দিন মেয়েটির এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। বিয়েবাড়ির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকে।

জানা গেছে, কিছু দিন ধরে জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথায় ভুগছিলেন সুইটি। এরই মধ্যে তার বিয়ে ঠিক হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদপুরের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়ার সঙ্গে। বৃহস্পতিবার বাড়িতে চলছিল গায়ে হলুদের আনন্দ। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে চিকিৎসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় মৃত্যু হয় সুইটি আক্তারের। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে বিকালে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বিয়ের জন্য সাজানো গেট দিয়েই কবরস্থানে নেওয়া হয় সুইটি আক্তারের লাশ। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মাধবপুর থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ওই তরুণী কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। আগে চিকিৎসা করানো হলে হয়তো তিনি বেঁচে থাকতেন। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। সুইটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন