বাউফল-ঢাকা রুটে লঞ্চে বাড়তি ভাড়া আদায়
jugantor
স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না
বাউফল-ঢাকা রুটে লঞ্চে বাড়তি ভাড়া আদায়

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা-ঢাকা ও কালাইয়া-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলো কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাচল করছে। অথচ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তেমনি বাড়তি ভাড়া নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, বগা ও কালাইয়া ঘাট থেকে ৮টি ডাবল ডেকার লঞ্চ এবং বাউফল ও বরিশাল অভ্যন্তরীণ রুটে দিনে ৬টি সিংগেল ডেকার লঞ্চ আসা-যাওয়া করে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, মাস্ক ব্যবহারকারী সীমিত যাত্রী বহনের নির্দেশনা রয়েছে সরকারের। অথচ স্বাস্থ্যবিধির সব প্রকার নির্দেশনা উপেক্ষা করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ হারে ভাড়া ঠিকই বেশি নিচ্ছে।

কালাইয়া-ঢাকা রুটে আসা-যাওয়া করেন কালাইয়া বন্দর ব্যবসায়ী সুভাষ দেবনাথ। তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহেই তার ব্যবসায়িক কাজে লঞ্চে করে ঢাকা আসা-যাওয়া করতে হয়। অথচ বাস্তবে মাত্র পাঁচ শতাংশ মানুষের মুখে মাস্ক থাকে। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। অথচ ভাড়া আগের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি নিচ্ছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

অপর এক যাত্রী খলিলুর রহমান বলেন, কালাইয়া বন্দর ঘাট থেকে ঢাকা যেতে দ্বিতীয় শ্রেণির (ডেকের ফ্লোরে) ভাড়া আগে নেওয়া হতো ২৫০ টাকা করে বর্তমানে বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ৪০০ টাকা। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, ভাড়া বাড়তি নিলেও কোনো আপত্তি ছিল না, যদি স্বাস্থ্যবিধি ন্যূনতম মানা হতো। এ অভিযোগ অস্বীকার করে একাধিক লঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমরা সরকারের সব নির্দেশনাই মেনে চলতে চেষ্টা করি। তবে বিভিন্ন ঘাটে লঞ্চ নোঙর করতে গেলে যাত্রীরা উঠে পড়ে। এরপরেও চেষ্টা করি যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনে যাত্রীরা নিরাপদে যাত্রা করতে পারেন। তাহলে ভাড়া বেশি নিচ্ছেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো কর্মকর্তাই সঠিক জবাব দিতে পারেননি।

কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি প্রতিদিনই ঘাটে ঘাটে নজর রাখি যাতে কোনো লঞ্চ নির্দেশনার বাইরে যাত্রী উঠাতে না পারে। যাত্রীদের মুখে মাস্কসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে বলেছি।

স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না

বাউফল-ঢাকা রুটে লঞ্চে বাড়তি ভাড়া আদায়

 বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা-ঢাকা ও কালাইয়া-ঢাকা রুটের লঞ্চগুলো কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাচল করছে। অথচ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তেমনি বাড়তি ভাড়া নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

সরেজমিন দেখা গেছে, বগা ও কালাইয়া ঘাট থেকে ৮টি ডাবল ডেকার লঞ্চ এবং বাউফল ও বরিশাল অভ্যন্তরীণ রুটে দিনে ৬টি সিংগেল ডেকার লঞ্চ আসা-যাওয়া করে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, মাস্ক ব্যবহারকারী সীমিত যাত্রী বহনের নির্দেশনা রয়েছে সরকারের। অথচ স্বাস্থ্যবিধির সব প্রকার নির্দেশনা উপেক্ষা করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ হারে ভাড়া ঠিকই বেশি নিচ্ছে।

কালাইয়া-ঢাকা রুটে আসা-যাওয়া করেন কালাইয়া বন্দর ব্যবসায়ী সুভাষ দেবনাথ। তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহেই তার ব্যবসায়িক কাজে লঞ্চে করে ঢাকা আসা-যাওয়া করতে হয়। অথচ বাস্তবে মাত্র পাঁচ শতাংশ মানুষের মুখে মাস্ক থাকে। সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। অথচ ভাড়া আগের চেয়ে ৬০ শতাংশ বেশি নিচ্ছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

অপর এক যাত্রী খলিলুর রহমান বলেন, কালাইয়া বন্দর ঘাট থেকে ঢাকা যেতে দ্বিতীয় শ্রেণির (ডেকের ফ্লোরে) ভাড়া আগে নেওয়া হতো ২৫০ টাকা করে বর্তমানে বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে ৪০০ টাকা। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, ভাড়া বাড়তি নিলেও কোনো আপত্তি ছিল না, যদি স্বাস্থ্যবিধি ন্যূনতম মানা হতো। এ অভিযোগ অস্বীকার করে একাধিক লঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমরা সরকারের সব নির্দেশনাই মেনে চলতে চেষ্টা করি। তবে বিভিন্ন ঘাটে লঞ্চ নোঙর করতে গেলে যাত্রীরা উঠে পড়ে। এরপরেও চেষ্টা করি যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনে যাত্রীরা নিরাপদে যাত্রা করতে পারেন। তাহলে ভাড়া বেশি নিচ্ছেন কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো কর্মকর্তাই সঠিক জবাব দিতে পারেননি।

কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি প্রতিদিনই ঘাটে ঘাটে নজর রাখি যাতে কোনো লঞ্চ নির্দেশনার বাইরে যাত্রী উঠাতে না পারে। যাত্রীদের মুখে মাস্কসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে বলেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন