করোনায় আটকা রাফি হত্যার বিচার
jugantor
করোনায় আটকা রাফি হত্যার বিচার
আপাতত ডেথ রেফারেন্স শুনানি বন্ধ -রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী * আপিল করেছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি

  আলমগীর হোসেন  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে উচ্চ আদালতে আটকে আছে ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার বিচার। বিচারিক আদালতের রায়ের পর ১৯ মাস আগে ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) জন্য মামলার রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টে আসে। এরপর আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সেই বেঞ্চ করোনার কারণে বাতিল হলে এরপর আর গঠন করা হয়নি। তাই এ হত্যা মামলার বিচারিক কার্যাক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। এদিকে বিচারের আশায় প্রহর গুনছে নুসরাতের পরিবার। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সংকটময় পরিস্থিতি কেটে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, গত বছরের মার্চে নুসরাত হত্যা মামলা হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এ মামলার শুনানি আটকে যায়। এরই মধ্যে গত বছরের ২৯ অক্টোবর ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার অবসরে যান। তিনি বলেন, করোনার কারণে আপাতত ডেথরেফারেন্স শুনানি বন্ধ রয়েছে। হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে আমরা নুসরাত হত্যা মামলার আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করব।

রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী আরও বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় ফেনীর বিচারিক আদালত ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। উচ্চ আদালতেও যেন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকে, সে বিষয়ে আইনি যুক্তি তুলে ধরব। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি।

২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় সোনাগাজী থানায় নুসরাতের মা শিরিনা আক্তারের করা মামলায় অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন বোরকা পরা দুর্বৃত্তরা। ওই বছরের ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

এই মামলায় একই বছরের ২৪ অক্টোবর রায় দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ২৯ অক্টোবর ডেথ রেফারেন্সের জন্য নুসরাত হত্যা মামলার রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়, যা ১৪০/১৯ নম্বর ডেথ রেফারেন্স হিসাবে নথিভুক্ত হয়।

বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসাবে পরিচিত। নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায় ও নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তিরা কারাগারে থেকে জেল আপিল করতে পারেন। দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করতে পারেন। ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের আপিল, জেল আপিল ও আবেদন একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। তবে ডেথ রেফারেন্স শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসাবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়।

ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে তিনটি বেঞ্চ ছিল। সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ২০১৫ সালের মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি হচ্ছে। আর ২০১৬ সালের ডেথ রেফারেন্সের জন্য পেপারবুক তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে চাঞ্চল্যকর মামলা হিসাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট শাখা টাইপের কাজ শেষে পেপারবুক ছাপানোর জন্য ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি ছাপাখানায় (বিজি প্রেস) পাঠায়। ছাপা পেপারবুক জানুয়ারি মাসে সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়। ছয়টি খণ্ডে পৃষ্ঠাসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার হাজার। পরে ছাপানো পেপারবুক যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। এ প্রক্রিয়া শেষে গত ফেব্রুয়ারিতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি ওই বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন।

এ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহিউদ্দিন শাকিল। আসামিরা কারাগারে আছেন। তারা সবাই আপিল করেছেন।

এদিকে বিচারের আশায় প্রহর গুনছে নুসরাতের পরিবার। মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বিচারিক আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। উচ্চ আদালতেও আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশী। আমরা এই মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানি না। তবে, কিছু দিন আগে আমাদের আইনজীবী শাহাজাহান সাজুর মাধ্যমে জেনেছি করোনা পরিস্থিতির কারণে মামলাটির বেঞ্চ গঠনে বিলম্ব হচ্ছে।

করোনায় আটকা রাফি হত্যার বিচার

আপাতত ডেথ রেফারেন্স শুনানি বন্ধ -রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী * আপিল করেছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি
 আলমগীর হোসেন 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে উচ্চ আদালতে আটকে আছে ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার বিচার। বিচারিক আদালতের রায়ের পর ১৯ মাস আগে ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) জন্য মামলার রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টে আসে। এরপর আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সেই বেঞ্চ করোনার কারণে বাতিল হলে এরপর আর গঠন করা হয়নি। তাই এ হত্যা মামলার বিচারিক কার্যাক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। এদিকে বিচারের আশায় প্রহর গুনছে নুসরাতের পরিবার। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সংকটময় পরিস্থিতি কেটে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, গত বছরের মার্চে নুসরাত হত্যা মামলা হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এ মামলার শুনানি আটকে যায়। এরই মধ্যে গত বছরের ২৯ অক্টোবর ওই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার অবসরে যান। তিনি বলেন, করোনার কারণে আপাতত ডেথরেফারেন্স শুনানি বন্ধ রয়েছে। হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে আমরা নুসরাত হত্যা মামলার আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করব।

রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী আরও বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় ফেনীর বিচারিক আদালত ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। উচ্চ আদালতেও যেন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকে, সে বিষয়ে আইনি যুক্তি তুলে ধরব। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি।

২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় সোনাগাজী থানায় নুসরাতের মা শিরিনা আক্তারের করা মামলায় অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন বোরকা পরা দুর্বৃত্তরা। ওই বছরের ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

এই মামলায় একই বছরের ২৪ অক্টোবর রায় দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ২৯ অক্টোবর ডেথ রেফারেন্সের জন্য নুসরাত হত্যা মামলার রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়, যা ১৪০/১৯ নম্বর ডেথ রেফারেন্স হিসাবে নথিভুক্ত হয়।

বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসাবে পরিচিত। নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায় ও নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তিরা কারাগারে থেকে জেল আপিল করতে পারেন। দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করতে পারেন। ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের আপিল, জেল আপিল ও আবেদন একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। তবে ডেথ রেফারেন্স শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসাবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়।

ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে তিনটি বেঞ্চ ছিল। সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ২০১৫ সালের মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি হচ্ছে। আর ২০১৬ সালের ডেথ রেফারেন্সের জন্য পেপারবুক তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে চাঞ্চল্যকর মামলা হিসাবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট শাখা টাইপের কাজ শেষে পেপারবুক ছাপানোর জন্য ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকারি ছাপাখানায় (বিজি প্রেস) পাঠায়। ছাপা পেপারবুক জানুয়ারি মাসে সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়। ছয়টি খণ্ডে পৃষ্ঠাসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার হাজার। পরে ছাপানো পেপারবুক যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। এ প্রক্রিয়া শেষে গত ফেব্রুয়ারিতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি ওই বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন।

এ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মণি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহিউদ্দিন শাকিল। আসামিরা কারাগারে আছেন। তারা সবাই আপিল করেছেন।

এদিকে বিচারের আশায় প্রহর গুনছে নুসরাতের পরিবার। মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা বিচারিক আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। উচ্চ আদালতেও আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশী। আমরা এই মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানি না। তবে, কিছু দিন আগে আমাদের আইনজীবী শাহাজাহান সাজুর মাধ্যমে জেনেছি করোনা পরিস্থিতির কারণে মামলাটির বেঞ্চ গঠনে বিলম্ব হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন