কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন পত্রিকায় কবি মজিদ মাহমুদের প্রবন্ধ
jugantor
কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন পত্রিকায় কবি মজিদ মাহমুদের প্রবন্ধ

  পাবনা প্রতিনিধি  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন পত্রিকায় স্থান পেয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক মজিদ মাহমুদের প্রবন্ধ। কমনওয়েলথভুক্ত লেখকদের এই পত্রিকার চলতি সংখ্যায় তার ‘লিটারারি ক্যাপিটাল অব বাংলা (বাংলা-সাহিত্যের রাজধানী)’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে।

কবি মজিদ মাহমুদ জানান, গত ১২ এপ্রিল কমনওয়েল ফাউন্ডেশন রাইটার্সের প্রোগ্রাম কর্মকর্তা গীতাঞ্জলি পিন্ডিয়া এক ই-মেইলে পত্রিকাটির আসন্ন সংখ্যায় আমার লেখা ছাপার জন্য নির্বাচিত বলে জানান। গীতাঞ্জলি লেখেন, ‘এই সংখ্যার দুজন সম্পাদক পাওলিন ফান এবং বিলাল তানভির আপনার লেখা পড়ে খুবই মুগ্ধ হয়েছেন, সেই সঙ্গে আমরাও।’ কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন এই রচনা প্রকাশের জন্য যুক্তরাজ্যের তিনশ পাউন্ড বা প্রায় ছত্রিশ হাজার টাকা প্রদান করেন। প্রবন্ধটি অনুবাদ করেন ইংরেজি উপন্যাস লেখক রাফি শামস। কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশনের এই স্বীকৃতি মজিদ মাহমুদের রচনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারে আরও ভূমিকা রাখবে। এর আগেও তিনি আন্তর্জাতিক সাহিত্যাঙ্গনে সমাদৃত হয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জুরি ছিলেন। মজিদ মাহমুদ প্রায় চার দশক ধরে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় কাজ করে যাচ্ছেন। ‘মাহফুজামঙ্গল’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন। কবিতার পাশাপাশি মননশীল প্রবন্ধ-গবেষণা ও কথাসাহিত্যেও তার খ্যাতি আছে। মজিদ মাহমুদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থ ৫০টি। ইংরেজি, ফরাসি, চায়না ও হিন্দিসহ বিভিন্ন ভাষায় তার বই অনূদিত হয়েছে। মজিদ মাহমুদের আটটি বই লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের মাধ্যমে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়।

কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন পত্রিকায় কবি মজিদ মাহমুদের প্রবন্ধ

 পাবনা প্রতিনিধি 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন পত্রিকায় স্থান পেয়েছে কবি ও কথাসাহিত্যিক মজিদ মাহমুদের প্রবন্ধ। কমনওয়েলথভুক্ত লেখকদের এই পত্রিকার চলতি সংখ্যায় তার ‘লিটারারি ক্যাপিটাল অব বাংলা (বাংলা-সাহিত্যের রাজধানী)’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে।

কবি মজিদ মাহমুদ জানান, গত ১২ এপ্রিল কমনওয়েল ফাউন্ডেশন রাইটার্সের প্রোগ্রাম কর্মকর্তা গীতাঞ্জলি পিন্ডিয়া এক ই-মেইলে পত্রিকাটির আসন্ন সংখ্যায় আমার লেখা ছাপার জন্য নির্বাচিত বলে জানান। গীতাঞ্জলি লেখেন, ‘এই সংখ্যার দুজন সম্পাদক পাওলিন ফান এবং বিলাল তানভির আপনার লেখা পড়ে খুবই মুগ্ধ হয়েছেন, সেই সঙ্গে আমরাও।’ কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন এই রচনা প্রকাশের জন্য যুক্তরাজ্যের তিনশ পাউন্ড বা প্রায় ছত্রিশ হাজার টাকা প্রদান করেন। প্রবন্ধটি অনুবাদ করেন ইংরেজি উপন্যাস লেখক রাফি শামস। কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশনের এই স্বীকৃতি মজিদ মাহমুদের রচনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারে আরও ভূমিকা রাখবে। এর আগেও তিনি আন্তর্জাতিক সাহিত্যাঙ্গনে সমাদৃত হয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জুরি ছিলেন। মজিদ মাহমুদ প্রায় চার দশক ধরে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় কাজ করে যাচ্ছেন। ‘মাহফুজামঙ্গল’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন। কবিতার পাশাপাশি মননশীল প্রবন্ধ-গবেষণা ও কথাসাহিত্যেও তার খ্যাতি আছে। মজিদ মাহমুদের প্রকাশিত মোট গ্রন্থ ৫০টি। ইংরেজি, ফরাসি, চায়না ও হিন্দিসহ বিভিন্ন ভাষায় তার বই অনূদিত হয়েছে। মজিদ মাহমুদের আটটি বই লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের মাধ্যমে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন