দ্বিতীয় পর্যায়ের ডিএসটি শুরু আগামী সপ্তাহে
jugantor
জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপ
দ্বিতীয় পর্যায়ের ডিএসটি শুরু আগামী সপ্তাহে

  জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক স্তরের ফায়ারিং শেষ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের আনন্দপুর গ্রামে মঙ্গলবার সকালে গ্যাসকূপে প্রথম স্তরের ড্রিল স্টিম টেস্টে (ডিএসটি) আগুনের শিখা জ্বালাতে সক্ষম হয় বাপেক্স। এতে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় স্তরের পরীক্ষা আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে চারটি স্তরের ডিএসটি সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে বাপেক্সের একটি টিম ঢাকা থেকে জকিগঞ্জে এসে প্রাথমিকভাবে গ্যাসের অনুসন্ধান কাজ চালিয়ে ওই স্থানের গভীর থেকে মাটি সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শত কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যাসকূপের খনন কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর খনন কাজ শেষে কূপটিতে মোট ৪টি স্তরে গ্যাস পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হন বাপেক্সের প্রকৌশলীরা।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন উপযোগী কিনা তা যাচাই করতে ক্ষেত্রে গ্যাসের পরিমাণ, গ্যাসের সঙ্গে পানির পরিমাণ এবং গ্যাসের চাপ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। চার স্তরের ডিএসটি শেষে গ্যাস মজুতের বিষয়ে ঘোষণা দেবে জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়। এর আগে গ্যাস পাওয়া না পাওয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। নতুন এ কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি) আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজারের অধিক- যা অন্যান্য ক্ষেত্রের তুলনায় বেশি। গ্যাসের স্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্লোটিং চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন তারা। কূপটির ৪টি স্তরে আশা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া গেলে এটিই হবে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র।

এ প্রসঙ্গে বাপেক্সের জকিগঞ্জ রূপকল্পের পরিচালক মোজাহিদ কবিরের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করে প্রাথমিক ফায়ারিং প্রসঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও উচ্চ পর্যায়ের কড়াকড়ির কারণে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জানিয়েছেন, ভালো ফলাফল পাওয়া গেলে মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।

জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপ

দ্বিতীয় পর্যায়ের ডিএসটি শুরু আগামী সপ্তাহে

 জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের জকিগঞ্জে নতুন গ্যাসকূপে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক স্তরের ফায়ারিং শেষ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের আনন্দপুর গ্রামে মঙ্গলবার সকালে গ্যাসকূপে প্রথম স্তরের ড্রিল স্টিম টেস্টে (ডিএসটি) আগুনের শিখা জ্বালাতে সক্ষম হয় বাপেক্স। এতে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় স্তরের পরীক্ষা আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে চারটি স্তরের ডিএসটি সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে বাপেক্সের একটি টিম ঢাকা থেকে জকিগঞ্জে এসে প্রাথমিকভাবে গ্যাসের অনুসন্ধান কাজ চালিয়ে ওই স্থানের গভীর থেকে মাটি সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শত কোটি টাকা ব্যয়ে গ্যাসকূপের খনন কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর খনন কাজ শেষে কূপটিতে মোট ৪টি স্তরে গ্যাস পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হন বাপেক্সের প্রকৌশলীরা।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন উপযোগী কিনা তা যাচাই করতে ক্ষেত্রে গ্যাসের পরিমাণ, গ্যাসের সঙ্গে পানির পরিমাণ এবং গ্যাসের চাপ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। চার স্তরের ডিএসটি শেষে গ্যাস মজুতের বিষয়ে ঘোষণা দেবে জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়। এর আগে গ্যাস পাওয়া না পাওয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলতে নারাজ সংশ্লিষ্টরা। নতুন এ কূপটির অভ্যন্তরে চাপ রয়েছে ৬ হাজার পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি) আর ফ্লোটিং চাপ রয়েছে ১৩ হাজারের অধিক- যা অন্যান্য ক্ষেত্রের তুলনায় বেশি। গ্যাসের স্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্লোটিং চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন তারা। কূপটির ৪টি স্তরে আশা অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া গেলে এটিই হবে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র।

এ প্রসঙ্গে বাপেক্সের জকিগঞ্জ রূপকল্পের পরিচালক মোজাহিদ কবিরের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করে প্রাথমিক ফায়ারিং প্রসঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও উচ্চ পর্যায়ের কড়াকড়ির কারণে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জানিয়েছেন, ভালো ফলাফল পাওয়া গেলে মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন